রাজধানীর বংশাল থানাধীন চানখাঁরপুল এলাকার একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অনিক চন্দ্র পাল (২০) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রেমঘটিত বিচ্ছেদের কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বি কে গাঙ্গুলী লেনের একটি ছাত্র মেস থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত অনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর বাড়ি সিলেট জেলার শিবপুর এলাকায়।
মেসের সদস্যরা জানান, গত সোমবার থেকে অনিকের সাড়াশব্দ না পেয়ে এবং ফোন বন্ধ থাকায় সন্দেহ হয়। মঙ্গলবার রাত ৯টা বা সাড়ে ৯টার দিকে সহপাঠীরা তার কক্ষের দরজায় ধাক্কাধাক্কি করলেও সাড়া না পেয়ে জানালার কাচ ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় অনিককে ঝুলতে দেখেন। উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সহপাঠীদের সূত্রে জানা গেছে, দুই দিন আগে নিহত অনিকের সঙ্গে তার প্রেমিকার বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর থেকে অনিকের মোবাইল ফোন বন্ধ ও ভাঙা পাওয়া যায়। এরপর থেকেই অনিক মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এবং মেসে একাকী থাকতেন।
ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও ড্রয়িং ও পেইন্টিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুবাস পাল। তিনি জানান, নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্বজনরা পৌঁছালে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
বংশাল থানার অফিসার ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ‘বিষয়টি এখনো আমরা জানি না। খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত জেনে আপনাকে বলতে পারব।’ বর্তমানে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বি কে গাঙ্গুলী লেনের একটি ছাত্র মেস থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত অনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর বাড়ি সিলেট জেলার শিবপুর এলাকায়।
মেসের সদস্যরা জানান, গত সোমবার থেকে অনিকের সাড়াশব্দ না পেয়ে এবং ফোন বন্ধ থাকায় সন্দেহ হয়। মঙ্গলবার রাত ৯টা বা সাড়ে ৯টার দিকে সহপাঠীরা তার কক্ষের দরজায় ধাক্কাধাক্কি করলেও সাড়া না পেয়ে জানালার কাচ ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় অনিককে ঝুলতে দেখেন। উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সহপাঠীদের সূত্রে জানা গেছে, দুই দিন আগে নিহত অনিকের সঙ্গে তার প্রেমিকার বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর থেকে অনিকের মোবাইল ফোন বন্ধ ও ভাঙা পাওয়া যায়। এরপর থেকেই অনিক মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এবং মেসে একাকী থাকতেন।
ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও ড্রয়িং ও পেইন্টিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুবাস পাল। তিনি জানান, নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্বজনরা পৌঁছালে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
বংশাল থানার অফিসার ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ‘বিষয়টি এখনো আমরা জানি না। খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত জেনে আপনাকে বলতে পারব।’ বর্তমানে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন