টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার হতেয়া রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভাতকুড়াচালা নামের একটি ঐতিহ্যবাহী খাল দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো ওই সরকারি খালে লাল নিশান টাঙিয়ে ও একাধিক সাইনবোর্ড বসিয়ে সাধারণ মানুষের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করায় এলাকায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে খালটি দখলমুক্ত করেছে ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খালের প্রায় ৮৪ শতাংশ সরকারি জায়গা দখল করে সেখানে লাল নিশান ও সাইনবোর্ড টানানো হয়েছিল। এতে দীর্ঘদিন ধরে সবার জন্য উন্মুক্ত খালটিতে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও স্বাভাবিক মাছ ধরা বন্ধ হয়ে যায়।
খাল দখলের বিষয়ে জানতে চাইলে হতেয়া রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মুস্তানজিদুল হক ফুলচান দাবি করেন, 'এটি আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি। আগে থেকেই আমরা ভোগদখলে ছিলাম। তবে দলের নেতা ও উপজেলা প্রশাসনের চাপে সাইনবোর্ড এবং লাল নিশান আমরা সরিয়ে নিচ্ছি।'
এদিকে এলাকার বাসিন্দা ইয়াসিন মিয়া বলেন, 'খালটি চিরকাল সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল। সাধারণ মানুষ নিয়মিত এখান থেকে মাছ ধরতেন। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি সরকারি খাল দখল করে, তবে তারা শুধু জনগণের শত্রু নয়, দলেরও ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। এমন দখলদারি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।'
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খাল দখলের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে তা নজরে আসে স্থানীয় প্রশাসনের। এরপরই হতেয়া রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বিকাশ কর্মকারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থলে যায় এবং সব সাইনবোর্ড ও লাল নিশান উচ্ছেদ করে।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বিকাশ কর্মকার বলেন, 'খবর পাওয়া মাত্রই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে খালটি জবরদখলমুক্ত করেছি। টানানো সাইনবোর্ড ও নিশান সরিয়ে ফেলা হয়েছে। খালটি এখন আগের মতোই সবার জন্য উন্মুক্ত।'
জানতে চাইলে হতেয়া রাজাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন জানান, খালটি দ্রুত উদ্ধার হওয়ায় এলাকা জুড়ে স্বস্তি ফিরেছে। এই দ্রুত পদক্ষেপের জন্য তিনি উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে খালটি দখলমুক্ত করেছে ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খালের প্রায় ৮৪ শতাংশ সরকারি জায়গা দখল করে সেখানে লাল নিশান ও সাইনবোর্ড টানানো হয়েছিল। এতে দীর্ঘদিন ধরে সবার জন্য উন্মুক্ত খালটিতে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও স্বাভাবিক মাছ ধরা বন্ধ হয়ে যায়।
খাল দখলের বিষয়ে জানতে চাইলে হতেয়া রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মুস্তানজিদুল হক ফুলচান দাবি করেন, 'এটি আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি। আগে থেকেই আমরা ভোগদখলে ছিলাম। তবে দলের নেতা ও উপজেলা প্রশাসনের চাপে সাইনবোর্ড এবং লাল নিশান আমরা সরিয়ে নিচ্ছি।'
এদিকে এলাকার বাসিন্দা ইয়াসিন মিয়া বলেন, 'খালটি চিরকাল সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল। সাধারণ মানুষ নিয়মিত এখান থেকে মাছ ধরতেন। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি সরকারি খাল দখল করে, তবে তারা শুধু জনগণের শত্রু নয়, দলেরও ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। এমন দখলদারি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।'
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খাল দখলের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে তা নজরে আসে স্থানীয় প্রশাসনের। এরপরই হতেয়া রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বিকাশ কর্মকারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থলে যায় এবং সব সাইনবোর্ড ও লাল নিশান উচ্ছেদ করে।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বিকাশ কর্মকার বলেন, 'খবর পাওয়া মাত্রই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে খালটি জবরদখলমুক্ত করেছি। টানানো সাইনবোর্ড ও নিশান সরিয়ে ফেলা হয়েছে। খালটি এখন আগের মতোই সবার জন্য উন্মুক্ত।'
জানতে চাইলে হতেয়া রাজাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন জানান, খালটি দ্রুত উদ্ধার হওয়ায় এলাকা জুড়ে স্বস্তি ফিরেছে। এই দ্রুত পদক্ষেপের জন্য তিনি উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে