দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধানে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) হাজির হতে ৩০ দিনের সময় চেয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক আকতার ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদক সূত্র জানায়, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দিতে সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে শফিউদ্দিন আহমেদের হাজির হওয়ার কথা ছিল। তবে তিনি হাজির হওয়ার জন্য ৩০ দিনের সময় চেয়েছেন। এখন আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে দুদক।
এর আগে অভিযোগের অনুসন্ধানে বক্তব্য দিতে তাকে তলব করে দুদক।কমিশনের পরিচালক মো. আবুল হাসনাত স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়। একই সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতেও বলা হয়।
নোটিশে বলা হয়, সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য শোনা ও তা রেকর্ড করা ‘অপরিহার্য’।
দুদক সূত্র জানায়, জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু হয় ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে। দুদকের পরিচালক মো. আবুল হাসনাতের নেতৃত্বে একটি দল অভিযোগটি অনুসন্ধান করছে।
দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো এখনো অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে। অনুসন্ধান শেষে সংশ্লিষ্ট দল কমিশনের কাছে প্রতিবেদন দেবে। অভিযোগের পক্ষে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে মামলা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন। আর অভিযোগের সত্যতা না মিললে অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ২০২১ সালের ২৪ জুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি জেনারেল আজিজ আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিন বছর সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালনের পর ২০২৪ সালের ২৩ জুন অবসরে যান তিনি।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
দুদক সূত্র জানায়, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দিতে সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে শফিউদ্দিন আহমেদের হাজির হওয়ার কথা ছিল। তবে তিনি হাজির হওয়ার জন্য ৩০ দিনের সময় চেয়েছেন। এখন আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে দুদক।
এর আগে অভিযোগের অনুসন্ধানে বক্তব্য দিতে তাকে তলব করে দুদক।কমিশনের পরিচালক মো. আবুল হাসনাত স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়। একই সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতেও বলা হয়।
নোটিশে বলা হয়, সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য শোনা ও তা রেকর্ড করা ‘অপরিহার্য’।
দুদক সূত্র জানায়, জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু হয় ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে। দুদকের পরিচালক মো. আবুল হাসনাতের নেতৃত্বে একটি দল অভিযোগটি অনুসন্ধান করছে।
দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো এখনো অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে। অনুসন্ধান শেষে সংশ্লিষ্ট দল কমিশনের কাছে প্রতিবেদন দেবে। অভিযোগের পক্ষে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে মামলা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন। আর অভিযোগের সত্যতা না মিললে অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ২০২১ সালের ২৪ জুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি জেনারেল আজিজ আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিন বছর সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালনের পর ২০২৪ সালের ২৩ জুন অবসরে যান তিনি।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে