ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে খনন করা হচ্ছে নতুন তিনটি কূপ। যার একটি দেশের প্রথম এবং সবচেয়ে গভীর অনুসন্ধান কূপ। নতুন এসব কূপ থেকে আগামী ৬ মাসের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন অন্তত ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের আশা বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড কর্তৃপক্ষের। এর মাধ্যমে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন সক্ষমতা যেমন বাড়বে, তেমনি জ্বালানি সংকট নিরসনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নন্দনপুরে খনন চলছে দেশের সবচেয়ে গভীর অনুসন্ধান গ্যাস কূপের। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রবেশ করছে গভীর গ্যাস অনুসন্ধানের নতুন অধ্যায়ে। জ্বালানি সংকটের মাঝে যা আশার আলো ছড়াচ্ছে। তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের এই কূপ এলাকায় প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত থাকার আশা সংশ্লিষ্টদের।
দেশের সবচেয়ে উচ্চচাপ এবং উচ্চতাপ সম্পন্ন ৩১ নম্বর কূপটি ৫ হাজার ৬০০ মিটার গভীরতায় খনন শুরু হয়ে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৬৩৭ মিটার খনন হয়েছে। চলতি বছরেই কূপটির খনন সম্পন্ন করে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন অন্তত ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত করার আশা বিজিএফসিএলের।
বর্তমানে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৩টি কূপে প্রতিদিন গড়ে ৩৩১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে। আর গ্যাস উত্তোলন হচ্ছে ৩ হাজার ৭০০ মিটার গভীর থেকে। তবে বিদ্যমান কূপগুলোতে গ্যাসের মজুত এবং চাপ কমার ফলে উৎপাদনও কমেছে।
এ অবস্থায় তিতাসের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে ২৯, ৩০ এবং ৩১ নম্বর কূপের খনন প্রকল্প নিয়েছে বিজিএফসিএল। এর মধ্যে ২৯ ও ৩১ নম্বর কূপের খনন কাজ চলমান রয়েছে। এ দুই কূপের খনন শেষে ৩০ নম্বর কূপের খনন শুরু হবে।
গভীর অনুসন্ধান কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মাহমুদুল নবাব বলেন, ‘২৯ নম্বর কূপ খনন শেষ হলে আমরা ৩০ নম্বর খননে যাব। একই রিগ দিয়ে সেটি খনন করা হবে। আশা করছি খনন কাজ যদি আমরা সফলতার সঙ্গে শেষ করতে পারি তাহলে তিনটা কূপ থেকে ৪০ থেকে ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দেয়া সম্ভব হবে।’
তিতাসের পাশাপাশি বিজিএফসিএল পরিচালিত অন্য গ্যাসক্ষেত্রগুলোতেও উৎপাদন বাড়াতে বন্ধ কূপ ওয়ার্কওভার এবং নতুন আরও কূপ খনন প্রকল্প গ্রহণের কথা জানান বিজিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
বিজিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আব্দুল জলিল প্রামানিক বলেন, ‘তিতাসের ২৯ নম্বর কূপ খনন চলমান আছে। এরইমধ্যে ২ হাজার ৮০০ মিটার খনন করা হয়ে গেছে। ৩ হাজার ৫০০ মিটার খনন করার পর আরও কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা রয়েছে। আমরা আশা করছি সেখানে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার একটা সম্ভাবনা রয়েছে।’
১৯৬২ সালে তিতাস গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে শেল অয়েল কোম্পানি। এরপর ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় দেশের সবচেয়ে বড় এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নন্দনপুরে খনন চলছে দেশের সবচেয়ে গভীর অনুসন্ধান গ্যাস কূপের। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রবেশ করছে গভীর গ্যাস অনুসন্ধানের নতুন অধ্যায়ে। জ্বালানি সংকটের মাঝে যা আশার আলো ছড়াচ্ছে। তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের এই কূপ এলাকায় প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত থাকার আশা সংশ্লিষ্টদের।
দেশের সবচেয়ে উচ্চচাপ এবং উচ্চতাপ সম্পন্ন ৩১ নম্বর কূপটি ৫ হাজার ৬০০ মিটার গভীরতায় খনন শুরু হয়ে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৬৩৭ মিটার খনন হয়েছে। চলতি বছরেই কূপটির খনন সম্পন্ন করে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন অন্তত ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত করার আশা বিজিএফসিএলের।
বর্তমানে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৩টি কূপে প্রতিদিন গড়ে ৩৩১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে। আর গ্যাস উত্তোলন হচ্ছে ৩ হাজার ৭০০ মিটার গভীর থেকে। তবে বিদ্যমান কূপগুলোতে গ্যাসের মজুত এবং চাপ কমার ফলে উৎপাদনও কমেছে।
এ অবস্থায় তিতাসের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে ২৯, ৩০ এবং ৩১ নম্বর কূপের খনন প্রকল্প নিয়েছে বিজিএফসিএল। এর মধ্যে ২৯ ও ৩১ নম্বর কূপের খনন কাজ চলমান রয়েছে। এ দুই কূপের খনন শেষে ৩০ নম্বর কূপের খনন শুরু হবে।
গভীর অনুসন্ধান কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মাহমুদুল নবাব বলেন, ‘২৯ নম্বর কূপ খনন শেষ হলে আমরা ৩০ নম্বর খননে যাব। একই রিগ দিয়ে সেটি খনন করা হবে। আশা করছি খনন কাজ যদি আমরা সফলতার সঙ্গে শেষ করতে পারি তাহলে তিনটা কূপ থেকে ৪০ থেকে ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দেয়া সম্ভব হবে।’
তিতাসের পাশাপাশি বিজিএফসিএল পরিচালিত অন্য গ্যাসক্ষেত্রগুলোতেও উৎপাদন বাড়াতে বন্ধ কূপ ওয়ার্কওভার এবং নতুন আরও কূপ খনন প্রকল্প গ্রহণের কথা জানান বিজিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
বিজিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আব্দুল জলিল প্রামানিক বলেন, ‘তিতাসের ২৯ নম্বর কূপ খনন চলমান আছে। এরইমধ্যে ২ হাজার ৮০০ মিটার খনন করা হয়ে গেছে। ৩ হাজার ৫০০ মিটার খনন করার পর আরও কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা রয়েছে। আমরা আশা করছি সেখানে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার একটা সম্ভাবনা রয়েছে।’
১৯৬২ সালে তিতাস গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে শেল অয়েল কোম্পানি। এরপর ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় দেশের সবচেয়ে বড় এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন