পাতার আড়ালে ঝুলে থাকা পাকা-আধাপাকা পেয়ারা, সারি সারি গাছ আর সবুজের সমারোহ। দিনাজপুরের বিরল উপজেলার শহরগ্রাম ইউনিয়নের রতনৌর গ্রামের নাঈমুর ইসলামের বাগানে ঢুকলেই চোখে পড়ে এমন দৃশ্য। একসময় ইউটিউব দেখে পেয়ারা চাষ সম্পর্কে ধারণা নিয়েছিলেন তিনি। সেই ধারণাকে কাজে লাগিয়ে ২০২০ সালে চুয়াডাঙ্গা থেকে ২ হাজার ৫০০ চারা এনে সাত বিঘা জমিতে গড়ে তোলেন গোল্ডেন এইট পেয়ারার বাগান। এক বছর পরই ফলন আসে। এখন তার উদ্যোগ শুধু আয়ের উৎস নয়, আশপাশের কৃষকদের জন্যও অনুপ্রেরণা।
বাগানের সারি সারি গাছে ধরেছে পেয়ারা। পরিচর্যা, উৎপাদন ও চারা বিক্রির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন নাঈমুর। নতুন জাতের এই ফল চাষে সাফল্য পাওয়ার পর তার বাগান দেখতে আসছেন আশপাশের মানুষ। কেউ ফলন দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন, কেউ নিজের জমিতে চাষের পরিকল্পনা করছেন।
বাগান দেখতে আসা মুন্না ইসলাম বলেন, ‘আমি আজ পেয়ারার বাগান দেখতে এসেছি। বাগানে এসে দেখি, গাছে অনেক ভালো পেয়ারা ধরেছে। ইনশাআল্লাহ, আমারও নিজের জমিতে পেয়ারার বাগান করার অনেক ইচ্ছা আছে।’
জুলফিকার আলী সোহেল বলেন, ‘আমি প্রায় তিন বছর ধরে পেয়ারার বাগানে কাজ করছি। এখান থেকে বিভিন্নভাবে অভিজ্ঞতা অর্জন করছি। যখন সম্পূর্ণভাবে অভিজ্ঞ হয়ে উঠব, তখন নিজের জমিতে পেয়ারার বাগান করব।’
কৃষি উদ্যোক্তা নাঈমুর ইসলাম বলেন, ‘আমি আগে কৃষিকাজ করতাম। কৃষিকাজের পাশাপাশি ইউটিউব দেখে পেয়ারা চাষ সম্পর্কে ধারণা নিই। ২০২০ সালে চুয়াডাঙ্গা থেকে চারা এনে বাগান করি। এক বছর পরই ফল আসতে শুরু করে। এরপর আমাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে আমার পেয়ারার বাগান সাত বিঘা জমিতে। এখন আমি নিজেই চারা বিক্রি শুরু করেছি। আমাকে দেখে এলাকার মানুষও পেয়ারা চাষে আগ্রহী হয়ে বাগান করছেন। বাগান চাষে কৃষি অফিস আমাকে সহযোগিতা করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে আমার বাগানের পেয়ারা প্রতি মণ ২ হাজার ৮০০ টাকা দরে বিক্রি করছি।’
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম বলেন, ‘নাঈমুর ইসলাম ২০২০ সালে ইউটিউব দেখে কৃষিকাজের পাশাপাশি বাড়তি আয় করার জন্য পেয়ারা চাষে আগ্রহী হন। এরপর কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে চুয়াডাঙ্গা থেকে চারা নিয়ে আসেন। গোল্ডেন এইট পেয়ারা অত্যন্ত সুস্বাদু। বর্তমানে বিরলে বাণিজ্যিকভাবে এই পেয়ারার চাষ হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পক্ষ থেকে নাঈমুর ইসলামকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আমরা চাই, এ ধরনের উদ্যোগ আরও কৃষকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ুক এবং তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হোন।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
বাগানের সারি সারি গাছে ধরেছে পেয়ারা। পরিচর্যা, উৎপাদন ও চারা বিক্রির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন নাঈমুর। নতুন জাতের এই ফল চাষে সাফল্য পাওয়ার পর তার বাগান দেখতে আসছেন আশপাশের মানুষ। কেউ ফলন দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন, কেউ নিজের জমিতে চাষের পরিকল্পনা করছেন।
বাগান দেখতে আসা মুন্না ইসলাম বলেন, ‘আমি আজ পেয়ারার বাগান দেখতে এসেছি। বাগানে এসে দেখি, গাছে অনেক ভালো পেয়ারা ধরেছে। ইনশাআল্লাহ, আমারও নিজের জমিতে পেয়ারার বাগান করার অনেক ইচ্ছা আছে।’
জুলফিকার আলী সোহেল বলেন, ‘আমি প্রায় তিন বছর ধরে পেয়ারার বাগানে কাজ করছি। এখান থেকে বিভিন্নভাবে অভিজ্ঞতা অর্জন করছি। যখন সম্পূর্ণভাবে অভিজ্ঞ হয়ে উঠব, তখন নিজের জমিতে পেয়ারার বাগান করব।’
কৃষি উদ্যোক্তা নাঈমুর ইসলাম বলেন, ‘আমি আগে কৃষিকাজ করতাম। কৃষিকাজের পাশাপাশি ইউটিউব দেখে পেয়ারা চাষ সম্পর্কে ধারণা নিই। ২০২০ সালে চুয়াডাঙ্গা থেকে চারা এনে বাগান করি। এক বছর পরই ফল আসতে শুরু করে। এরপর আমাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে আমার পেয়ারার বাগান সাত বিঘা জমিতে। এখন আমি নিজেই চারা বিক্রি শুরু করেছি। আমাকে দেখে এলাকার মানুষও পেয়ারা চাষে আগ্রহী হয়ে বাগান করছেন। বাগান চাষে কৃষি অফিস আমাকে সহযোগিতা করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে আমার বাগানের পেয়ারা প্রতি মণ ২ হাজার ৮০০ টাকা দরে বিক্রি করছি।’
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম বলেন, ‘নাঈমুর ইসলাম ২০২০ সালে ইউটিউব দেখে কৃষিকাজের পাশাপাশি বাড়তি আয় করার জন্য পেয়ারা চাষে আগ্রহী হন। এরপর কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে চুয়াডাঙ্গা থেকে চারা নিয়ে আসেন। গোল্ডেন এইট পেয়ারা অত্যন্ত সুস্বাদু। বর্তমানে বিরলে বাণিজ্যিকভাবে এই পেয়ারার চাষ হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পক্ষ থেকে নাঈমুর ইসলামকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আমরা চাই, এ ধরনের উদ্যোগ আরও কৃষকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ুক এবং তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হোন।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন