প্রথম আইফোন বাজারে আসার প্রায় দুই দশক পর স্মার্টফোনের নকশায় বড় পরিবর্তন এনেছে অ্যাপল। নতুন প্রধান নির্বাহী জন টার্নাসের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি উন্মোচন করেছে প্রথম ভাঁজযোগ্য আইফোন ‘ডুও’। নতুন প্রযুক্তির এই ফোনটির দামও বেশ চড়া, সর্বোচ্চ কনফিগারেশনে যা ৩ হাজার ২০০ ডলার ছাড়িয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) অ্যাপলের বার্ষিক পণ্য উন্মোচন অনুষ্ঠানে আইফোন ডুও সামনে আনা হয়। বইয়ের মতো ভাঁজ করা যায় ফোনটি। পুরোপুরি খুললে ছোট আকারের আইপ্যাডের মতো দেখায়, আর ভাঁজ করলে এটি তুলনামূলক চওড়া আইফোনে পরিণত হয়। জন টার্নাস জানিয়েছেন, ডিভাইসটির নকশায় আইপ্যাড থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে এবং এর ভাঁজ করার অভিজ্ঞতা স্বাভাবিক ও স্বচ্ছন্দ রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।
তবে প্রযুক্তিগত চমকের সঙ্গে ডুওর মূল্যও নজর কেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ফোনটির প্রাথমিক দাম ধরা হয়েছে ১ হাজার ৯৯৯ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় আড়াই লাখ টাকা। আর সর্বোচ্চ কনফিগারেশনের দাম ৩ হাজার ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠেছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ লাখ ৯৩ হাজার টাকার বেশি।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, নতুন প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ভাঁজযোগ্য আইফোন উন্মোচনের বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ। গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিসিএস ইনসাইটের প্রধান বিশ্লেষক বেন উডের ধারণা, টার্নাসের নেতৃত্বের শুরুতেই দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত বড় পণ্য বাজারে আনতে চেয়েছে অ্যাপল।
তবে এত উচ্চমূল্যের ভাঁজযোগ্য ফোন সাধারণ গ্রাহকের মধ্যে কতটা জনপ্রিয় হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ফরেস্টারের বিশ্লেষক দীপাঞ্জন চ্যাটার্জির মতে, ডুও অ্যাপলের ভিশন প্রোর মতো ব্যয়বহুল কিন্তু সীমিত জনপ্রিয়তার পণ্যে পরিণত হতে পারে। বর্তমানে স্যামসাং ও হুয়াওয়ের মতো নির্মাতাদের ভাঁজযোগ্য ফোন মিলিয়ে স্মার্টফোন বাজারের প্রায় ২ শতাংশ দখল করে আছে।
এদিকে নতুন ভাঁজযোগ্য আইফোনের পাশাপাশি আইফোন ১৮ প্রো ও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সও উন্মোচন করেছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটি নতুন এআই সুবিধার কথাও জানিয়েছে। আপডেট হওয়া সিরি আইফোনের মেসেজ, ই-মেইলসহ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে ব্যবহারকারীর হয়ে কাজ করতে পারবে।
অ্যাপলের দাবি, এসব এআই সুবিধায় ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা অগ্রাধিকার পাবে এবং অনেক কাজ সরাসরি ডিভাইসেই সম্পন্ন হওয়ায় তৃতীয় পক্ষের কাছে তথ্য যাওয়ার ঝুঁকিও কমবে।
সূত্র: বিবিসি
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) অ্যাপলের বার্ষিক পণ্য উন্মোচন অনুষ্ঠানে আইফোন ডুও সামনে আনা হয়। বইয়ের মতো ভাঁজ করা যায় ফোনটি। পুরোপুরি খুললে ছোট আকারের আইপ্যাডের মতো দেখায়, আর ভাঁজ করলে এটি তুলনামূলক চওড়া আইফোনে পরিণত হয়। জন টার্নাস জানিয়েছেন, ডিভাইসটির নকশায় আইপ্যাড থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে এবং এর ভাঁজ করার অভিজ্ঞতা স্বাভাবিক ও স্বচ্ছন্দ রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।
তবে প্রযুক্তিগত চমকের সঙ্গে ডুওর মূল্যও নজর কেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ফোনটির প্রাথমিক দাম ধরা হয়েছে ১ হাজার ৯৯৯ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় আড়াই লাখ টাকা। আর সর্বোচ্চ কনফিগারেশনের দাম ৩ হাজার ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠেছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ লাখ ৯৩ হাজার টাকার বেশি।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, নতুন প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ভাঁজযোগ্য আইফোন উন্মোচনের বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ। গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিসিএস ইনসাইটের প্রধান বিশ্লেষক বেন উডের ধারণা, টার্নাসের নেতৃত্বের শুরুতেই দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত বড় পণ্য বাজারে আনতে চেয়েছে অ্যাপল।
তবে এত উচ্চমূল্যের ভাঁজযোগ্য ফোন সাধারণ গ্রাহকের মধ্যে কতটা জনপ্রিয় হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ফরেস্টারের বিশ্লেষক দীপাঞ্জন চ্যাটার্জির মতে, ডুও অ্যাপলের ভিশন প্রোর মতো ব্যয়বহুল কিন্তু সীমিত জনপ্রিয়তার পণ্যে পরিণত হতে পারে। বর্তমানে স্যামসাং ও হুয়াওয়ের মতো নির্মাতাদের ভাঁজযোগ্য ফোন মিলিয়ে স্মার্টফোন বাজারের প্রায় ২ শতাংশ দখল করে আছে।
এদিকে নতুন ভাঁজযোগ্য আইফোনের পাশাপাশি আইফোন ১৮ প্রো ও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সও উন্মোচন করেছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটি নতুন এআই সুবিধার কথাও জানিয়েছে। আপডেট হওয়া সিরি আইফোনের মেসেজ, ই-মেইলসহ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে ব্যবহারকারীর হয়ে কাজ করতে পারবে।
অ্যাপলের দাবি, এসব এআই সুবিধায় ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা অগ্রাধিকার পাবে এবং অনেক কাজ সরাসরি ডিভাইসেই সম্পন্ন হওয়ায় তৃতীয় পক্ষের কাছে তথ্য যাওয়ার ঝুঁকিও কমবে।
সূত্র: বিবিসি
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে