ডেঙ্গুর প্রকোপে দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৩ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের বুধবারের (৯ সেপ্টেম্বর) প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ৪৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৪২৬ জন।
নতুন আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৯১৮ জন এবং নারী ৫৪৫ জন। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষের হার ৬২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং নারীর হার ৩৭ দশমিক ৩ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ৪৬ হাজার ৯৩৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৩ হাজার ৫৫৩ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩ হাজার ২৫২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ২১ থেকে ২৫ বছর বয়সী একজন, ২৬ থেকে ৩০ বছর বয়সী একজন এবং ৭১ থেকে ৭৫ বছর বয়সী একজন রয়েছেন। তিনজনই পুরুষ।
চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত ১৩৩ জনের মধ্যে পুরুষ ৬১ জন এবং নারী ৭২ জন। অর্থাৎ মৃতদের মধ্যে নারীর সংখ্যা পুরুষের চেয়ে বেশি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে ঢাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিভাগেও রোগী শনাক্ত হচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন জেলা ও বিভাগে নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ বিভাগ এবং রংপুর বিভাগের বাইরে একজন করে—মোট তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা অব্যাহতভাবে বাড়তে থাকায় মশাবাহিত এই রোগ নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের বুধবারের (৯ সেপ্টেম্বর) প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ৪৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৪২৬ জন।
নতুন আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৯১৮ জন এবং নারী ৫৪৫ জন। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষের হার ৬২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং নারীর হার ৩৭ দশমিক ৩ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ৪৬ হাজার ৯৩৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৩ হাজার ৫৫৩ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩ হাজার ২৫২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ২১ থেকে ২৫ বছর বয়সী একজন, ২৬ থেকে ৩০ বছর বয়সী একজন এবং ৭১ থেকে ৭৫ বছর বয়সী একজন রয়েছেন। তিনজনই পুরুষ।
চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত ১৩৩ জনের মধ্যে পুরুষ ৬১ জন এবং নারী ৭২ জন। অর্থাৎ মৃতদের মধ্যে নারীর সংখ্যা পুরুষের চেয়ে বেশি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে ঢাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিভাগেও রোগী শনাক্ত হচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন জেলা ও বিভাগে নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ বিভাগ এবং রংপুর বিভাগের বাইরে একজন করে—মোট তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা অব্যাহতভাবে বাড়তে থাকায় মশাবাহিত এই রোগ নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে