লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে চরকাচিয়া গ্রামের বিল্লাল বেপারী খেয়াঘাট এলাকায় মানুষের চলাচলের জন্য নিজস্ব উদ্যোগে নির্মিত একটি কাঠের সাঁকো রাতের আঁধারে ভেঙে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ফলে ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন চরাঞ্চলের বাসিন্দা, মোটরসাইকেল, মিশুক ও অটোরিকশাচালকসহ পথচারীরা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে এলাকাবাসী দেখতে পান, বিল্লাল বেপারী খেয়াঘাট এলাকার কাঠের তৈরি সাঁকোটির মাঝখানের বেশ কয়েকটি অংশ কেটে ও ভেঙে ফেলা হয়েছে। কোথাও কোথাও কাঠের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পানিতে ভাসতে দেখা যায়। ফলে সেতুটির ওপর দিয়ে আগের মতো স্বাভাবিকভাবে যানবাহন ও মানুষ চলাচল করতে পারছে না।
স্থানীয় সূত্র জানায়, চরকাচিয়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিল্লাল বেপারী খেয়াঘাট এলাকায় স্থানীয়দের যাতায়াতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সোহেল নামে এক ব্যক্তি নিজস্ব উদ্যোগে কাঠের সাঁকোটি নির্মাণ করেন। এটি নির্মাণের পর চরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত অনেকটা সহজ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, মিশুক ও অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচলে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিল। তবে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা সেতুটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলায় বর্তমানে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রহিম মাঝি বলেন, “সাঁকোটি মেরামত করা আমাদের একান্ত প্রয়োজন। আমাদের চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়। শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং স্থানীয়দের দৈনন্দিন কাজে ভোগান্তি বেড়েছে।”
ঘটনার পর সাঁকোটির নির্মাতা সোহেল বলেন, “আমি কী বলবো, আমার কিছু বলার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। মানুষের সুবিধার জন্যই এই চেষ্টাটুকু করেছিলাম। কিন্তু কারা রাতের আঁধারে এমন ক্ষতি করলো বুঝতে পারছি না।”
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
স্থানীয়দের ভাষ্য, রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে এলাকাবাসী দেখতে পান, বিল্লাল বেপারী খেয়াঘাট এলাকার কাঠের তৈরি সাঁকোটির মাঝখানের বেশ কয়েকটি অংশ কেটে ও ভেঙে ফেলা হয়েছে। কোথাও কোথাও কাঠের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পানিতে ভাসতে দেখা যায়। ফলে সেতুটির ওপর দিয়ে আগের মতো স্বাভাবিকভাবে যানবাহন ও মানুষ চলাচল করতে পারছে না।
স্থানীয় সূত্র জানায়, চরকাচিয়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিল্লাল বেপারী খেয়াঘাট এলাকায় স্থানীয়দের যাতায়াতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সোহেল নামে এক ব্যক্তি নিজস্ব উদ্যোগে কাঠের সাঁকোটি নির্মাণ করেন। এটি নির্মাণের পর চরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত অনেকটা সহজ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, মিশুক ও অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচলে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিল। তবে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা সেতুটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলায় বর্তমানে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রহিম মাঝি বলেন, “সাঁকোটি মেরামত করা আমাদের একান্ত প্রয়োজন। আমাদের চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়। শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং স্থানীয়দের দৈনন্দিন কাজে ভোগান্তি বেড়েছে।”
ঘটনার পর সাঁকোটির নির্মাতা সোহেল বলেন, “আমি কী বলবো, আমার কিছু বলার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। মানুষের সুবিধার জন্যই এই চেষ্টাটুকু করেছিলাম। কিন্তু কারা রাতের আঁধারে এমন ক্ষতি করলো বুঝতে পারছি না।”
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন