তিন মাসের মধ্যে ঢাকায় ফিরছে ওয়াটার বাস: সংসদে নৌমন্ত্রী

আপলোড সময় : ০৭-০৯-২০২৬ ০৭:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৭-০৯-২০২৬ ০৮:০০:৫৭ অপরাহ্ন
যানজট নিরসন ও নৌপথকে জনপ্রিয় করতে ঢাকার চারপাশের বৃত্তাকার নৌপথে আবারও ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে এই ওয়াটার বাস চালুর কথা জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। একই সঙ্গে নৌপথের দুর্ঘটনা রোধে এক ইঞ্জিনবিশিষ্ট লঞ্চ চলাচল নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে ওয়াটার বাস চালুর বিষয়ে এ তথ্য জানান নৌ-পরিবহন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘গত ১০ বছর ধরে ঢাকার চারপাশে ওয়াটার বাস চালু ছিল। কিন্তু অব্যবস্থাপনার কারণে এই খাতে গত ১০ বছরে ৫৭ কোটি টাকা অর্থাৎ প্রতি বছর প্রায় ৫ কোটি ৭০ লাখ টাকার মতো লোকসান হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ এসব সমস্যা চিহ্নিত করেছে। দ্রুতই অবাধ যাতায়াতের জন্য ওয়াটার বাস নামানো হবে।’

তিনি জানান, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার নতুন ব্যবস্থাপনায় ওয়াটার বাস পরিচালনা করা হবে।

নৌপথে দুর্ঘটনা রোধ ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক ইঞ্জিনবিশিষ্ট লঞ্চের পরিবর্তে দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট লঞ্চ পরিচালনায় মালিকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে বলেও জানান নৌমন্ত্রী। চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নৌ-মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা ‘স্থায়ী আদেশ’ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তি পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে যাত্রীবাহী লঞ্চ বহরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন বড় আকারের লঞ্চ যুক্ত হওয়ায় দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমেছে।

দুর্ঘটনা রোধে নির্দিষ্ট সময়ের আগে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার জন্য রুট ডিক্লারেশন, নৌ-সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রচার, টার্মিনালে মেগাফোনের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহন করলে যাত্রা স্থগিত এবং ফিটনেসবিহীন ও অনিবন্ধিত নৌযান চলাচল বন্ধে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নিয়মিত অভিযান চলছে।

নদী দূষণ রোধে পদক্ষেপ

বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণের কারণ হিসেবে ৪২৪টি স্পট চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌমন্ত্রী। এসব স্পটে কেমিক্যাল, তরল ও কঠিন বর্জ্য নদীতে পড়ছে।

নদী দূষণমুক্ত করতে ওয়াসা, সিটি করপোরেশন, বিআইডব্লিউটিএ ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে। শিল্পবর্জ্য নদীতে পড়া ঠেকাতে পরিবেশ ও শিল্প মন্ত্রণালয়ও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান তিনি।

বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :