কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ২০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দখল করে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পৌর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এসব দোকানে শুঁটকি, আচারসহ পর্যটকদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করা হতো।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আজিজ মুসুল্লি ও তাঁর ছেলে রিয়াজ মুসুল্লির নেতৃত্বে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ লোক দোকানগুলোতে গিয়ে মালামাল বাইরে ফেলে দেন এবং তালা ঝুলিয়ে দেন। প্রতিবাদ করায় কয়েকজন ব্যবসায়ীকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।
ব্যবসায়ীরা জানান, তাঁরা স্থানীয় বেল্লাল মোল্লার কাছ থেকে স্টল ভাড়া নিয়ে ২০১৮ সাল থেকে সেখানে ব্যবসা করছেন। তাঁদের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরও দোকানগুলো দখলের চেষ্টা করা হয়। পরে উপজেলা বিএনপি ও প্রশাসন কাগজপত্র পর্যালোচনা করে উভয় পক্ষকে স্থিতিশীল থাকার পরামর্শ দেয়।
শুঁটকি ব্যবসায়ী রুবেল মৃধা ও আচার ব্যবসায়ী মনির হোসেন অভিযোগ করেন, দোকান থেকে মালামাল বের করে দেওয়ার সময় প্রতিবাদ করলে তাঁদের মারধর করা হয়। রুবেল ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
মহিপুর থানার উপপরিদর্শক মো. জাকির হোসেন বলেন, ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবসায়ীদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলে। অভিযোগ না পাওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।
জমির মালিকানা দাবি করা বেল্লাল মোল্লা বলেন, জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। তাঁর অভিযোগ, আগেও দোকানগুলো দখলের চেষ্টা হয়েছিল। এবারও মালামাল সরিয়ে তালা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার বলেন, জমিটি লুজ খতিয়ানের হওয়ায় বিরোধের সমাধান হচ্ছে না। উভয় পক্ষকে স্থিতিশীল থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পুনরায় দখলের ঘটনা দুঃখজনক।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আজিজ মুসুল্লি ও তাঁর ছেলে রিয়াজ মুসুল্লির নেতৃত্বে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ লোক দোকানগুলোতে গিয়ে মালামাল বাইরে ফেলে দেন এবং তালা ঝুলিয়ে দেন। প্রতিবাদ করায় কয়েকজন ব্যবসায়ীকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।
ব্যবসায়ীরা জানান, তাঁরা স্থানীয় বেল্লাল মোল্লার কাছ থেকে স্টল ভাড়া নিয়ে ২০১৮ সাল থেকে সেখানে ব্যবসা করছেন। তাঁদের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরও দোকানগুলো দখলের চেষ্টা করা হয়। পরে উপজেলা বিএনপি ও প্রশাসন কাগজপত্র পর্যালোচনা করে উভয় পক্ষকে স্থিতিশীল থাকার পরামর্শ দেয়।
শুঁটকি ব্যবসায়ী রুবেল মৃধা ও আচার ব্যবসায়ী মনির হোসেন অভিযোগ করেন, দোকান থেকে মালামাল বের করে দেওয়ার সময় প্রতিবাদ করলে তাঁদের মারধর করা হয়। রুবেল ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
মহিপুর থানার উপপরিদর্শক মো. জাকির হোসেন বলেন, ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবসায়ীদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলে। অভিযোগ না পাওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।
জমির মালিকানা দাবি করা বেল্লাল মোল্লা বলেন, জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। তাঁর অভিযোগ, আগেও দোকানগুলো দখলের চেষ্টা হয়েছিল। এবারও মালামাল সরিয়ে তালা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার বলেন, জমিটি লুজ খতিয়ানের হওয়ায় বিরোধের সমাধান হচ্ছে না। উভয় পক্ষকে স্থিতিশীল থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পুনরায় দখলের ঘটনা দুঃখজনক।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে