ঢাকার সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেন হত্যা মামলায় আরও আট আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এর মধ্যে র্যাব-১০ মুন্সীগঞ্জ থেকে চারজন এবং র্যাব-৪ আমিনবাজার এলাকা থেকে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাওরান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান।
তিনি জানান, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে সাভারের আমিনবাজারের বরদেশী এলাকায় একটি অটোরিকশা গ্যারেজের মালিককে মারধরের প্রতিবাদ করাকে কেন্দ্র করে এসআই আলতাফ হোসেনের সঙ্গে হামলাকারীদের বাকবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আলতাফ হোসেন নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। এরপর হামলাকারীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। প্রাণ বাঁচাতে তিনি ছেলের পোশাক কারখানায় আশ্রয় নেন। পরে হামলাকারীরা সেখানে গিয়ে আরও ১৫ থেকে ২০ জন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে কারখানার গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।
র্যাবের ভাষ্য, হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে আলতাফ হোসেন ও তাঁর ছেলে আরিফুলকে মারধর করে। এ সময় কারখানার মেশিনপত্র ও আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহত এসআই আলতাফ হোসেনের স্ত্রী বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
র্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামি আলাউদ্দিন (২৬), আপন (৩০), জিহাদ (২০) ও ইমরান (২৬)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের সবার বাড়ি সাভারের আমিনবাজার এলাকায়। গ্রেপ্তার আপনের বিরুদ্ধে সাভার থানায় তিনটি মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
এ ছাড়া র্যাব-৪ পৃথক অভিযান চালিয়ে সাভারের আমিনবাজার এলাকা থেকে মামলার আরও চার এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা হলেন নূর মোহাম্মদ রুদ্র (২৪), রাকিব মিয়া (২৮), ছাব্বির আহম্মেদ (২৪) ও ওয়াসিম (৪০)।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাওরান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান।
তিনি জানান, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে সাভারের আমিনবাজারের বরদেশী এলাকায় একটি অটোরিকশা গ্যারেজের মালিককে মারধরের প্রতিবাদ করাকে কেন্দ্র করে এসআই আলতাফ হোসেনের সঙ্গে হামলাকারীদের বাকবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আলতাফ হোসেন নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। এরপর হামলাকারীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। প্রাণ বাঁচাতে তিনি ছেলের পোশাক কারখানায় আশ্রয় নেন। পরে হামলাকারীরা সেখানে গিয়ে আরও ১৫ থেকে ২০ জন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে কারখানার গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।
র্যাবের ভাষ্য, হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে আলতাফ হোসেন ও তাঁর ছেলে আরিফুলকে মারধর করে। এ সময় কারখানার মেশিনপত্র ও আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহত এসআই আলতাফ হোসেনের স্ত্রী বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
র্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামি আলাউদ্দিন (২৬), আপন (৩০), জিহাদ (২০) ও ইমরান (২৬)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের সবার বাড়ি সাভারের আমিনবাজার এলাকায়। গ্রেপ্তার আপনের বিরুদ্ধে সাভার থানায় তিনটি মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
এ ছাড়া র্যাব-৪ পৃথক অভিযান চালিয়ে সাভারের আমিনবাজার এলাকা থেকে মামলার আরও চার এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা হলেন নূর মোহাম্মদ রুদ্র (২৪), রাকিব মিয়া (২৮), ছাব্বির আহম্মেদ (২৪) ও ওয়াসিম (৪০)।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে