বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশিষ্ট শিক্ষক, গবেষক ও দীর্ঘকালীন অনুষদ সদস্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম আর নেই।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে বুয়েটসহ দেশের শিক্ষাবিদ মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ড. ইসলাম ছিলেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম শিক্ষার্থী গড়ার কারিগর। বুয়েটের অনুষদ সদস্য হিসেবে দীর্ঘকাল দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রিতে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় তার অবদান ছিল অসামান্য।
তিনি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের (বর্তমান রাশিয়া) প্যাট্রিস লুমুম্বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। সারাজীবন শিক্ষাদান ও গবেষণায় নিজেকে উৎসর্গ করেন। তার পুরো কর্মজীবন ছিল জ্ঞানচর্চা ও নতুন প্রজন্ম তৈরি করার কাজে নিবেদিত।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ডা. দীপা ইসলাম, কন্যা স্থপতি ড. নবনীতা ইসলাম ও দৌহিত্র অরিক শাহরিয়ারকে রেখে গেছেন।
বুয়েট প্রশাসন ও শিক্ষক সমিতি তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। শিক্ষার্থীরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পোস্ট দিচ্ছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে বুয়েটসহ দেশের শিক্ষাবিদ মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ড. ইসলাম ছিলেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম শিক্ষার্থী গড়ার কারিগর। বুয়েটের অনুষদ সদস্য হিসেবে দীর্ঘকাল দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রিতে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় তার অবদান ছিল অসামান্য।
তিনি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের (বর্তমান রাশিয়া) প্যাট্রিস লুমুম্বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। সারাজীবন শিক্ষাদান ও গবেষণায় নিজেকে উৎসর্গ করেন। তার পুরো কর্মজীবন ছিল জ্ঞানচর্চা ও নতুন প্রজন্ম তৈরি করার কাজে নিবেদিত।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ডা. দীপা ইসলাম, কন্যা স্থপতি ড. নবনীতা ইসলাম ও দৌহিত্র অরিক শাহরিয়ারকে রেখে গেছেন।
বুয়েট প্রশাসন ও শিক্ষক সমিতি তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। শিক্ষার্থীরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পোস্ট দিচ্ছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে