সন্দ্বীপ চ্যানেলে ডুবোচরে আটকে পড়েছিল ‘ফেরি কপোতাক্ষ’। অ্যাম্বুলেন্সে থাকা রোগীসহ প্রায় আড়াইশ’ যাত্রী ছিলেন ওই ফেরিতে। ফেরি থেকে নেমে ঘরে ফেরার উপায় ছিল না। শেষ ভরসা জোয়ারের অপেক্ষায় কেটেছে তাদের উদ্বেগের রাত। ক্যান্টিনে ছিল না খাবার। রাতভর যাত্রীদের দুশ্চিন্তা, দুর্ভোগ এবং স্বজন ও দায়িত্বশীলদের নির্ঘুম রাত কেটেছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া যাওয়ার পথে ডুবোচরে আটকে পড়া ফেরিটি রাত ২টা ৪৫ মিনিটে পুনরায় যাত্রা শুরু করে। রাত সোয়া ৪টার দিকে বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাটে পৌঁছালেও অতিরিক্ত জোয়ারের কারণে বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ি ফেরি থেকে নামাতে অপেক্ষা করতে হয় কয়েক ঘণ্টা।
ফেরিতে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও খাবার পানির সংকটের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত ৯টার পর যাত্রীদের জন্য শুকনো খাবার পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। গভীর রাতে চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশার পৃষ্ঠপোষকতায় বিএনপির নেতাকর্মীরা রান্না করা খাবার ও পানি ফেরিতে নিয়ে যান।
এর আগে সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন ফেরিতে গিয়ে আটকে থাকা যাত্রীদের খোঁজখবর নেন।
সন্দ্বীপের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিদারুল আলম বলেন, ‘আমার মেয়েকে ফেরিতে পাঠিয়ে সারা রাত উৎকণ্ঠার মধ্যে কাটিয়েছি।’
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) নয়ন শীল গণমাধ্যমে বলেন, রোগীসহ অ্যাম্বুলেন্স আসাতে ফেরি মাস্টার যাত্রা শুরু করেছিলেন। সন্দ্বীপের সংসদ সদস্য ফেরির যাত্রীদের রাতে খাবার ও পানির ব্যবস্থা করেছেন। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যাত্রীদের তৎপরতায় নিয়োজিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া যাওয়ার পথে ডুবোচরে আটকে পড়া ফেরিটি রাত ২টা ৪৫ মিনিটে পুনরায় যাত্রা শুরু করে। রাত সোয়া ৪টার দিকে বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাটে পৌঁছালেও অতিরিক্ত জোয়ারের কারণে বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ি ফেরি থেকে নামাতে অপেক্ষা করতে হয় কয়েক ঘণ্টা।
ফেরিতে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও খাবার পানির সংকটের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত ৯টার পর যাত্রীদের জন্য শুকনো খাবার পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। গভীর রাতে চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশার পৃষ্ঠপোষকতায় বিএনপির নেতাকর্মীরা রান্না করা খাবার ও পানি ফেরিতে নিয়ে যান।
এর আগে সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন ফেরিতে গিয়ে আটকে থাকা যাত্রীদের খোঁজখবর নেন।
সন্দ্বীপের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিদারুল আলম বলেন, ‘আমার মেয়েকে ফেরিতে পাঠিয়ে সারা রাত উৎকণ্ঠার মধ্যে কাটিয়েছি।’
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) নয়ন শীল গণমাধ্যমে বলেন, রোগীসহ অ্যাম্বুলেন্স আসাতে ফেরি মাস্টার যাত্রা শুরু করেছিলেন। সন্দ্বীপের সংসদ সদস্য ফেরির যাত্রীদের রাতে খাবার ও পানির ব্যবস্থা করেছেন। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যাত্রীদের তৎপরতায় নিয়োজিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে