পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গোলপাতার গুড় উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২৪০ জন কৃষককে গোলের গুড় তৈরির সরঞ্জামাদি বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া গোলচাষীদের প্রত্যেককে ২০১টি উন্নতজাতের গোল গাছের চারা দেয়া হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে পাঁচটার সময় উপজেলা প্রশাসন মাঠে উপজেলা কৃষি বিভাগের উদ্যোগে কৃষকদের হাতে এসব উপকরণ তুলে দেয়া হয়। ডোংগা, ধামা (গাবলা), স্টিলের উড়ি, কাঠের বৈঠা, খুনতি, দুটি দা, গাদ কাটার ছাঁকনি ও কলসিসহ এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরাফাত হোসেন জানান, প্রথম দফায় ৬০ জন গোলচাষীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে অন্য কৃষকদের প্রশিক্ষণ শেষে গোলের গুড় তৈরির সরঞ্জামাদি বিতরণ করা হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরো বলেন, যে জমিতে উচ্চমাত্রার লবণাক্ততা আছে সেখানে গোলগাছ ছাড়া অন্য কোনো ফসল হয় না। কার্বন শোষণের ক্ষেত্রে গোলপাতা গাছের গুরুত্ব অনেক বেশি। বায়ুমন্ডলের অতিরিক্ত কার্বন শোষণে খুব কার্যকরী ভূমিকা রাখছে।
উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন, বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুগার ক্রপ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (বিএসআরআই) উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রতন কুমার গণপতি, পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আমানুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান, সিপিপির সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান খান, সমবায় কর্মকর্তা মো আব্বাস আলী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জুলহাস আজাদ, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম, উপজেলা অতিরিক্ত কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. ইব্রাহিম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহবুবা বেগম প্রমুখ ।
চাকামইয়া ইউনিয়নের বাইনবুনিয়া গ্রামের গোলচাষী সফিজ উদ্দিন বয়াতী বলেন, 'আমি প্রায় ৫০ বছর গোলের গুড় উৎপাদন করি। বর্তমানে ১৫০ গাছ রয়েছে। বাপ-দাদারাও গোলের আবাদ করতেন। হয়তো আগের গুড়ের মান ভালো ছিল না। আজকে যেসব উপকরণ দেয়া হলো, তা দিয়ে মান সম্পন্ন গুড় তৈরি করতে পারুম।'
একই গ্রামের কৃষক মো. শাহজাহান বয়াতি বলেন, 'আমার দুই থেকে তিন শ' গোল গাছের বাওর আছে। আগে আমরা যেমন-তেমনভাবে গোল গাছ থেকে রস সংগ্রহ করাসহ গুড় তৈরি করতাম। সরকার এসব উপকরণ দেয়ায় এখন ভালো মানের গোলের গুড় উৎপাদন করা সম্ভব হবে ।'
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে পাঁচটার সময় উপজেলা প্রশাসন মাঠে উপজেলা কৃষি বিভাগের উদ্যোগে কৃষকদের হাতে এসব উপকরণ তুলে দেয়া হয়। ডোংগা, ধামা (গাবলা), স্টিলের উড়ি, কাঠের বৈঠা, খুনতি, দুটি দা, গাদ কাটার ছাঁকনি ও কলসিসহ এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরাফাত হোসেন জানান, প্রথম দফায় ৬০ জন গোলচাষীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে অন্য কৃষকদের প্রশিক্ষণ শেষে গোলের গুড় তৈরির সরঞ্জামাদি বিতরণ করা হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরো বলেন, যে জমিতে উচ্চমাত্রার লবণাক্ততা আছে সেখানে গোলগাছ ছাড়া অন্য কোনো ফসল হয় না। কার্বন শোষণের ক্ষেত্রে গোলপাতা গাছের গুরুত্ব অনেক বেশি। বায়ুমন্ডলের অতিরিক্ত কার্বন শোষণে খুব কার্যকরী ভূমিকা রাখছে।
উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন, বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুগার ক্রপ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (বিএসআরআই) উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রতন কুমার গণপতি, পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আমানুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান, সিপিপির সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান খান, সমবায় কর্মকর্তা মো আব্বাস আলী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জুলহাস আজাদ, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম, উপজেলা অতিরিক্ত কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. ইব্রাহিম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহবুবা বেগম প্রমুখ ।
চাকামইয়া ইউনিয়নের বাইনবুনিয়া গ্রামের গোলচাষী সফিজ উদ্দিন বয়াতী বলেন, 'আমি প্রায় ৫০ বছর গোলের গুড় উৎপাদন করি। বর্তমানে ১৫০ গাছ রয়েছে। বাপ-দাদারাও গোলের আবাদ করতেন। হয়তো আগের গুড়ের মান ভালো ছিল না। আজকে যেসব উপকরণ দেয়া হলো, তা দিয়ে মান সম্পন্ন গুড় তৈরি করতে পারুম।'
একই গ্রামের কৃষক মো. শাহজাহান বয়াতি বলেন, 'আমার দুই থেকে তিন শ' গোল গাছের বাওর আছে। আগে আমরা যেমন-তেমনভাবে গোল গাছ থেকে রস সংগ্রহ করাসহ গুড় তৈরি করতাম। সরকার এসব উপকরণ দেয়ায় এখন ভালো মানের গোলের গুড় উৎপাদন করা সম্ভব হবে ।'
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে