মাসিক বা পিরিয়ডের তারিখ এক-দুই সপ্তাহ এদিক-সেদিক হওয়া অনেক সময় স্বাভাবিক। তবে নিয়মিত পিরিয়ড হওয়ার পর হঠাৎ কয়েক মাস বন্ধ হয়ে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। এর পেছনে হরমোনের পরিবর্তন থেকে শুরু করে বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক কারণ থাকতে পারে।
পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার সম্ভাব্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS), ওজনের পরিবর্তন, অতিরিক্ত ব্যায়াম ও মানসিক চাপ, এবং কিছু ওষুধ ও জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। থাইরয়েডসহ বিভিন্ন হরমোনের পরিবর্তনের কারণে পিরিয়ড অনিয়মিত বা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। PCOS-এর ক্ষেত্রে ওজন বৃদ্ধি, ব্রণ বা অতিরিক্ত লোমের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত ওজন, অপুষ্টি, খুব কম খাওয়া কিংবা হঠাৎ ওজন কমে গেলেও পিরিয়ড বন্ধ হতে পারে।
দীর্ঘদিন পিরিয়ড না হলে ভবিষ্যতে সন্তান ধারণে জটিলতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে হাড়ের ঘনত্ব কমে গিয়ে হাড় দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। পাশাপাশি মাথাব্যথা, চুল পড়া, ব্রণ, মুখে অতিরিক্ত লোম, তলপেটে ব্যথা বা স্তন থেকে অস্বাভাবিক তরল বের হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
পরপর তিন মাস মাসিক না হলে গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী শারীরিক পরীক্ষা, হরমোন পরীক্ষা বা আলট্রাসনোগ্রামের মতো পরীক্ষা করতে পারেন। পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার সম্ভাব্য কারণের মধ্যে গর্ভধারণও রয়েছে। তাই যৌনভাবে সক্রিয় নারীর মাসিক বন্ধ হলে প্রথমেই গর্ভধারণের সম্ভাবনা যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।
কিশোরীদের ক্ষেত্রে ১৫ বছর বয়সের মধ্যেও পিরিয়ড শুরু না হলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। হরমোনের সমস্যা বা প্রজনন অঙ্গের গঠনগত কোনো সমস্যার কারণে এমন হতে পারে। তাই সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
মাসিকের সমস্যা এড়াতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, অতিরিক্ত ব্যায়াম এড়িয়ে চলা, পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নেওয়া এবং মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করা উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হরমোনের ওষুধ খাওয়া যাবে না।
হঠাৎ পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়া সবসময় গুরুতর রোগের লক্ষণ নয়। তবে কারণ না জেনে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করাও ঠিক নয়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার সম্ভাব্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS), ওজনের পরিবর্তন, অতিরিক্ত ব্যায়াম ও মানসিক চাপ, এবং কিছু ওষুধ ও জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। থাইরয়েডসহ বিভিন্ন হরমোনের পরিবর্তনের কারণে পিরিয়ড অনিয়মিত বা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। PCOS-এর ক্ষেত্রে ওজন বৃদ্ধি, ব্রণ বা অতিরিক্ত লোমের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত ওজন, অপুষ্টি, খুব কম খাওয়া কিংবা হঠাৎ ওজন কমে গেলেও পিরিয়ড বন্ধ হতে পারে।
দীর্ঘদিন পিরিয়ড না হলে ভবিষ্যতে সন্তান ধারণে জটিলতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে হাড়ের ঘনত্ব কমে গিয়ে হাড় দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। পাশাপাশি মাথাব্যথা, চুল পড়া, ব্রণ, মুখে অতিরিক্ত লোম, তলপেটে ব্যথা বা স্তন থেকে অস্বাভাবিক তরল বের হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
পরপর তিন মাস মাসিক না হলে গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী শারীরিক পরীক্ষা, হরমোন পরীক্ষা বা আলট্রাসনোগ্রামের মতো পরীক্ষা করতে পারেন। পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার সম্ভাব্য কারণের মধ্যে গর্ভধারণও রয়েছে। তাই যৌনভাবে সক্রিয় নারীর মাসিক বন্ধ হলে প্রথমেই গর্ভধারণের সম্ভাবনা যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।
কিশোরীদের ক্ষেত্রে ১৫ বছর বয়সের মধ্যেও পিরিয়ড শুরু না হলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। হরমোনের সমস্যা বা প্রজনন অঙ্গের গঠনগত কোনো সমস্যার কারণে এমন হতে পারে। তাই সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
মাসিকের সমস্যা এড়াতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, অতিরিক্ত ব্যায়াম এড়িয়ে চলা, পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নেওয়া এবং মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করা উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হরমোনের ওষুধ খাওয়া যাবে না।
হঠাৎ পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়া সবসময় গুরুতর রোগের লক্ষণ নয়। তবে কারণ না জেনে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করাও ঠিক নয়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে