ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বড় শয়তান’ এবং ইসরায়েলকে ‘ছোট শয়তান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ইরানের হরমুজগান প্রদেশের সিরিকের কুহেশতাক শহরে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় চারজন নিহত ও ৫০ জনের বেশি আহত হওয়ার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ঘালিবাফ এসব কথা বলেন।
বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলার পাশাপাশি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিনাবে মেয়েদের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার বিষয়টিও উল্লেখ করেন ইরানের স্পিকার। তাঁর দাবি, ওই হামলায় ১৭০-এর বেশি মেয়ে শিশু নিহত হয়। এ ছাড়া যুদ্ধের সময় একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সে হামলায় কয়েক ডজন অ্যাথলেট নিহত হওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
এসব ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তান’ আখ্যা দিয়ে ঘালিবাফ বলেন, মিনাবের স্কুলে শিশুদের হত্যা করা হয়েছে, ল্যাম্পার্ড ক্রীড়া হলে শিশুদের হত্যা করা হয়েছে এবং কুহেশতাকের বিয়ের অনুষ্ঠানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শিশুরাও নিহত হয়েছে। কোনো দেশ যদি শয়তানের মতো আচরণ করে, শয়তানের মতো লক্ষ্য নির্ধারণ করে এবং শয়তানের মতো হত্যা করে, তাহলে তাকে শয়তান বলাই যায়।
ইসরায়েলের প্রসঙ্গে ঘালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি ‘ছোট শয়তানকে’ সুরক্ষা দেয়, যে নিজেও একই ধরনের আচরণ করে। তাঁর ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রই ‘সবচেয়ে বড় শয়তান’।
এর আগে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানে এক ডজনের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার দাবি করা হয়। হামলার পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ঘালিবাফ এসব কথা বলেন।
বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলার পাশাপাশি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিনাবে মেয়েদের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার বিষয়টিও উল্লেখ করেন ইরানের স্পিকার। তাঁর দাবি, ওই হামলায় ১৭০-এর বেশি মেয়ে শিশু নিহত হয়। এ ছাড়া যুদ্ধের সময় একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সে হামলায় কয়েক ডজন অ্যাথলেট নিহত হওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
এসব ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তান’ আখ্যা দিয়ে ঘালিবাফ বলেন, মিনাবের স্কুলে শিশুদের হত্যা করা হয়েছে, ল্যাম্পার্ড ক্রীড়া হলে শিশুদের হত্যা করা হয়েছে এবং কুহেশতাকের বিয়ের অনুষ্ঠানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শিশুরাও নিহত হয়েছে। কোনো দেশ যদি শয়তানের মতো আচরণ করে, শয়তানের মতো লক্ষ্য নির্ধারণ করে এবং শয়তানের মতো হত্যা করে, তাহলে তাকে শয়তান বলাই যায়।
ইসরায়েলের প্রসঙ্গে ঘালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি ‘ছোট শয়তানকে’ সুরক্ষা দেয়, যে নিজেও একই ধরনের আচরণ করে। তাঁর ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রই ‘সবচেয়ে বড় শয়তান’।
এর আগে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানে এক ডজনের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার দাবি করা হয়। হামলার পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে