হামে আক্রান্ত এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারকে কেন এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ সংশ্লিষ্ট ছয়জনকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী মো. আবু জাফরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালত বলেছেন, রাজধানীর একটি শিশু হাসপাতালে হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা ছিল কিনা- তা খতিয়ে দেখতে হবে।
আদালতের রুলে বলা হয়েছে, কেন এই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় সংবিধানের ৩১, ৩২ ও ৩৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না- তা জানাতে হবে। রুলের জবাব দিতে ড. ইউনূসসহ সংশ্লিষ্ট ছয়জনকে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব চলছে দীর্ঘদিন ধরে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৫ মার্চ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে এক লাখ ৭৬ হাজারের বেশি। এমতাবস্থায় এই রুল হামের বিস্তার ও চিকিৎসাসেবায় ঘাটতি নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করবে।
হাম শিশুদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি সংক্রামক রোগ। সময়মতো টিকা ও সঠিক চিকিৎসা না পেলে এটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই হামের টিকা সম্প্রসারণ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আসছেন। এই রুলের ফলে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের জবাবদিহি নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী মো. আবু জাফরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালত বলেছেন, রাজধানীর একটি শিশু হাসপাতালে হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা ছিল কিনা- তা খতিয়ে দেখতে হবে।
আদালতের রুলে বলা হয়েছে, কেন এই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় সংবিধানের ৩১, ৩২ ও ৩৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না- তা জানাতে হবে। রুলের জবাব দিতে ড. ইউনূসসহ সংশ্লিষ্ট ছয়জনকে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব চলছে দীর্ঘদিন ধরে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৫ মার্চ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে এক লাখ ৭৬ হাজারের বেশি। এমতাবস্থায় এই রুল হামের বিস্তার ও চিকিৎসাসেবায় ঘাটতি নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করবে।
হাম শিশুদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি সংক্রামক রোগ। সময়মতো টিকা ও সঠিক চিকিৎসা না পেলে এটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই হামের টিকা সম্প্রসারণ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আসছেন। এই রুলের ফলে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের জবাবদিহি নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে