আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে অ্যাপেনডিক্সের ব্যথা বা অস্ত্রোপচার নিয়ে এখন আর তেমন ভয় নেই। তবে এই ছোট অঙ্গটিতে হওয়া ক্যানসার নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্তন, ফুসফুস বা কোলন ক্যানসারের মতো এটি বহুল পরিচিত না হলেও, কমবয়সিদের মধ্যে অ্যাপেনডিক্স ক্যানসারের ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।
ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদন্ত্রের সংযোগস্থলে তলপেটের ডানদিকে থলির মতো ছোট একটি অঙ্গ থাকে, যাকে অ্যাপেনডিক্স বলে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় অ্যাপেনডিক্সে তৈরি হওয়া ক্যানসারকে বলা হয় অ্যাপেন্ডিসিয়াল কার্সিনোমা। এই রোগটির সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো এটি অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
সাধারণ গ্যাস, অম্বল, পেটে তীব্র ব্যথা বা পেট ফাঁপার মতো উপসর্গের মাধ্যমে এই রোগ শুরু হতে পারে। সময়মতো খেয়াল না করলে এই ক্যানসার অ্যাপেনডিক্স থেকে অন্ত্র, কোলন, পাকস্থলী ও লিভারে ছড়িয়ে পড়ে।
অ্যাপেনডিক্স ক্যানসার কেন হয়, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো কারণ পাওয়া না গেলেও বেশ কিছু বিষয়ে চিকিৎসকেরা সতর্ক করেছেন। প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং জাঙ্ক ফুডে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিক ও প্রিজারভেটিভ শরীরকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলে। খাদ্যসামগ্রীর মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করা মাইক্রোপ্লাস্টিক টিউমারের ভেতরে জমা হওয়ার প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকেরা। অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া এবং অনিয়মিত জীবনযাত্রার পাশাপাশি নিয়মিত মদ্যপানের ফলে পরিপাকতন্ত্রে জিনগত পরিবর্তন ঘটে, যা ক্যানসার কোষ তৈরিতে সহায়তা করে।
যেহেতু এই রোগটি ছড়িয়ে পড়তে সময় নেয় না, তাই প্রতিদিনের খাবারের অভ্যাসে পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি। ক্ষতিকর জাঙ্ক ফুড, প্লাস্টিকের পাত্রে রাখা খাবার এবং অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাসই পারে এই মারাত্মক ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনতে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদন্ত্রের সংযোগস্থলে তলপেটের ডানদিকে থলির মতো ছোট একটি অঙ্গ থাকে, যাকে অ্যাপেনডিক্স বলে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় অ্যাপেনডিক্সে তৈরি হওয়া ক্যানসারকে বলা হয় অ্যাপেন্ডিসিয়াল কার্সিনোমা। এই রোগটির সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো এটি অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
সাধারণ গ্যাস, অম্বল, পেটে তীব্র ব্যথা বা পেট ফাঁপার মতো উপসর্গের মাধ্যমে এই রোগ শুরু হতে পারে। সময়মতো খেয়াল না করলে এই ক্যানসার অ্যাপেনডিক্স থেকে অন্ত্র, কোলন, পাকস্থলী ও লিভারে ছড়িয়ে পড়ে।
অ্যাপেনডিক্স ক্যানসার কেন হয়, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো কারণ পাওয়া না গেলেও বেশ কিছু বিষয়ে চিকিৎসকেরা সতর্ক করেছেন। প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং জাঙ্ক ফুডে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিক ও প্রিজারভেটিভ শরীরকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলে। খাদ্যসামগ্রীর মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করা মাইক্রোপ্লাস্টিক টিউমারের ভেতরে জমা হওয়ার প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকেরা। অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া এবং অনিয়মিত জীবনযাত্রার পাশাপাশি নিয়মিত মদ্যপানের ফলে পরিপাকতন্ত্রে জিনগত পরিবর্তন ঘটে, যা ক্যানসার কোষ তৈরিতে সহায়তা করে।
যেহেতু এই রোগটি ছড়িয়ে পড়তে সময় নেয় না, তাই প্রতিদিনের খাবারের অভ্যাসে পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি। ক্ষতিকর জাঙ্ক ফুড, প্লাস্টিকের পাত্রে রাখা খাবার এবং অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাসই পারে এই মারাত্মক ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনতে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে