নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে নেপাল পুলিশ। এ নিয়ে দেশটির বিভিন্ন সংস্থা থেকে আসা পরিসংখ্যানে কিছুটা তারতম্য থাকলেও প্রাণহানির এই ভয়াবহতা দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পূর্বে জানিয়েছিল, নিহতের সংখ্যা ৭৫২ জন। তবে পুলিশের সর্বশেষ হিসাবে এই সংখ্যা ৭৮৮-তে উন্নীত হয়েছে। এই দুই সংস্থার তথ্যের পার্থক্যের কারণ হিসেবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিভিন্ন উৎস থেকে আসা তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের সময় নিয়ে কাজ করছে তারা। একইসঙ্গে তিব্বতের শিগাতসে অঞ্চলেও উদ্ধারকাজে মৃতদেহ ছাড়া আর কিছুই পাচ্ছেন না উদ্ধারকারীরা।
তিব্বতের শিগাতসে প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধার দলগুলো দিনের পর দিন ধ্বংসস্তূপে কোনো জীবিত ব্যক্তির সন্ধান পাচ্ছে না। পঞ্চম দিনে পৌঁছে জীবিত কারও খোঁজ পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। তিব্বত অংশে এখনও ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের প্রায় অর্ধেকই বিদেশি নাগরিক। অর্থাৎ তিব্বতে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই ধারণা করছেন কর্মকর্তারা।
ধ্বংসযজ্ঞের পরে গিরং সীমান্তের প্রধান সড়কটি পানির তোড়ে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে যায়। চীনা কর্তৃপক্ষ ও প্রকৌশলীরা দ্রুত সড়ক সংযোগ পুনঃস্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে হতাশার কথা হলো, যখন এই সড়কপথ চালু হবে, ততক্ষণে নিখোঁজ শত শত মানুষের জন্য তা হয়তো বৃথাই হয়ে যাবে। সময় শেষ হয়ে আসছে বলে মনে করছেন উদ্ধারকর্মীরা।
নিখোঁজ ৫৪৬ জনের মধ্যে প্রায় ২৬০ জনই বিদেশি পর্যটক ও তীর্থযাত্রী। ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াসহ একাধিক দেশের নাগরিক রয়েছেন এ তালিকায়। নেপাল সফরে আসা বহু ভারতীয় পর্যটক কৈলাস মানস সরোবর যাত্রার পথে এই বিপর্যয়ে পড়েছেন।
এখন পর্যন্ত মোট নিহত ৭৮৮ (নেপাল) জন হলেও তিব্বতে এ সংখ্যা বাড়তে পারে। শুধু তিব্বতেই নিখোঁজ ৫৪৬ জন। আর নেপালে আরও শত শত নিখোঁজ রয়ে গেছে।এখন অবধি ১৫০-এর বেশি বিদেশি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার কাজে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন, ইইউ।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, হিমালয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমবাহ গলন ও ভূমিধসের মতো ঘটনা বাড়বে। এই দুর্যোগ তারই অংশ। উদ্ধার ও পুনর্বাসনে নেপালের প্রায় ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে বলেও জানিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী।
এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্গমতা ও আবহাওয়া। তার ওপর নতুন করে হ্রদ উপচে পড়ার আশঙ্কায় উদ্ধারকাজ স্থগিতও করতে হয়েছে একাধিকবার।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পূর্বে জানিয়েছিল, নিহতের সংখ্যা ৭৫২ জন। তবে পুলিশের সর্বশেষ হিসাবে এই সংখ্যা ৭৮৮-তে উন্নীত হয়েছে। এই দুই সংস্থার তথ্যের পার্থক্যের কারণ হিসেবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিভিন্ন উৎস থেকে আসা তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের সময় নিয়ে কাজ করছে তারা। একইসঙ্গে তিব্বতের শিগাতসে অঞ্চলেও উদ্ধারকাজে মৃতদেহ ছাড়া আর কিছুই পাচ্ছেন না উদ্ধারকারীরা।
তিব্বতের শিগাতসে প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধার দলগুলো দিনের পর দিন ধ্বংসস্তূপে কোনো জীবিত ব্যক্তির সন্ধান পাচ্ছে না। পঞ্চম দিনে পৌঁছে জীবিত কারও খোঁজ পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। তিব্বত অংশে এখনও ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের প্রায় অর্ধেকই বিদেশি নাগরিক। অর্থাৎ তিব্বতে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই ধারণা করছেন কর্মকর্তারা।
ধ্বংসযজ্ঞের পরে গিরং সীমান্তের প্রধান সড়কটি পানির তোড়ে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে যায়। চীনা কর্তৃপক্ষ ও প্রকৌশলীরা দ্রুত সড়ক সংযোগ পুনঃস্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে হতাশার কথা হলো, যখন এই সড়কপথ চালু হবে, ততক্ষণে নিখোঁজ শত শত মানুষের জন্য তা হয়তো বৃথাই হয়ে যাবে। সময় শেষ হয়ে আসছে বলে মনে করছেন উদ্ধারকর্মীরা।
নিখোঁজ ৫৪৬ জনের মধ্যে প্রায় ২৬০ জনই বিদেশি পর্যটক ও তীর্থযাত্রী। ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াসহ একাধিক দেশের নাগরিক রয়েছেন এ তালিকায়। নেপাল সফরে আসা বহু ভারতীয় পর্যটক কৈলাস মানস সরোবর যাত্রার পথে এই বিপর্যয়ে পড়েছেন।
এখন পর্যন্ত মোট নিহত ৭৮৮ (নেপাল) জন হলেও তিব্বতে এ সংখ্যা বাড়তে পারে। শুধু তিব্বতেই নিখোঁজ ৫৪৬ জন। আর নেপালে আরও শত শত নিখোঁজ রয়ে গেছে।এখন অবধি ১৫০-এর বেশি বিদেশি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার কাজে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন, ইইউ।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, হিমালয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমবাহ গলন ও ভূমিধসের মতো ঘটনা বাড়বে। এই দুর্যোগ তারই অংশ। উদ্ধার ও পুনর্বাসনে নেপালের প্রায় ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে বলেও জানিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী।
এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্গমতা ও আবহাওয়া। তার ওপর নতুন করে হ্রদ উপচে পড়ার আশঙ্কায় উদ্ধারকাজ স্থগিতও করতে হয়েছে একাধিকবার।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে