পটুয়াখালী ইপিজেড এলাকায় প্রকল্পের কাজ শেষ না হতেই মালয়শিয়া ও চায়নার বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ইতোমধ্যে দুই দেশের বিনিয়োগকারীরা ইপিজেড পরিদর্শন করেছেন। প্রকল্পের মোট কাজের শেষ হয়েছে ৪৫ ভাগ। এদিকে পায়রা বন্দরের নাব্যতা রক্ষ্যা এবং ভাঙ্গা–বরিশাল–কুয়াকাটা ৪ বা ৬ লেনে উন্নীত করাই এই ইপিজেডের মূল চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।
বরিশালের স্থানীয় অর্থনীতি অন্য বিভাগের চেয়ে দুর্বল। প্রচুর সম্ভাবনা থাকা স্বত্বেও গত ৫৫ বছরেও এখানে শিল্পায়ন হয়নি। যার কারনে এই অঞ্চলের মানুষদের জীবিকার জন্য রাজধানীসহ অন্য শহরগুলোতে যেতে হয়।
বিভাগের প্রথম পটুয়াখালী ইপিজেডে প্রকল্পের কাজ শেষ না হতেই মালয়েশিয়া ও চায়নার বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়ে ইপিজেড ঘুরে দেখেছেন। সমুদ্রের কাছাকাছি হওয়ায় এবং পায়রা বন্দর ছাড়াও মংলা বন্দর কাছে হওয়ায় আগ্রহ বেশি বিনিয়োগকারীদের। এখানে বৈদেশিক বিনিয়োগ হবে ১ হাজার ৫৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিনিয়োগ, আহরন, রপ্তানী আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্যই পটুয়াখালী ইপিজেড স্থাপন করা হয়। এটি উপকূলীয় এলাকার অর্থনীতির চিত্র বদলে দেবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
পটুয়াখালী ইপিজেডের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মাজেদুর রহমান খান বলেন, মালয়েশিয়ান এবং চীনের বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের পটুয়াখালী ইপিজেড পরিদর্শন করেছেন এবং তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। যে বিনিয়োগকারী আসে তারা কিন্তু পটুয়াখালী দেখে তারা কিন্তু এখানে ইনভেস্ট করতে খুব আগ্রহ প্রকাশ করেন।
পায়রা সমুদ্র বন্দরে পানরি গভীরতা কমে সাড়ে ১০ মিটার থেকে ৬ মিটারে এসেছে। ফলে বড় জাহাজ ভিড়তে পারছে না। মেইন্টেনেন্স ড্রেজিং বন্ধ থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ভাঙ্গা–বরিশাল–কুয়াকাটা মহাসড়ক ৪ লেন অথবা ৬ লেনে উন্নীত না হওয়া পর্যন্ত পটুয়াখালী ইপিজেডের পণ্য পরিবহন জটিলতার বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জ্যোতির্ময় বিশ্বাস বলেন, পায়রা সমুদ্রবন্দরের নাব্যতাস সংকটকে দূর করে অচিরেই পায়রা বন্দরকে সম্পূর্ণরূপে কর্মক্ষম করতে হবে। মংলা বন্দরের সাথে ইপিজেডের যে কানেক্টিভিটি এবং পায়রা বন্দরের যে কানেক্টিভিটি সেটাকে সুষম করতে হবে।
পায়রা বন্দরে গভীরতা জাহাজ চলাচলে উপযোগী করা এবং ভাঙ্গা–বরিশাল–কুয়াকাটা মহাসড়ক ৪ লেন অথবা ৬ লেনে উন্নীত করার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ বলেন, প্রকল্পের অনেকগুলো সিস্টেম আছে। এখানে স্ট্রেন্থ, উইকনেস, অপরচুনিটিজ, থ্রেটস—এ বিষয়গুলো মাথায় বিবেচনা নিয়ে সরকার সামনে দিয়ে এগিয়ে যায়। ইপিজেডগুলো সচল করার জন্য যত ধরনের পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন, সরকারের পক্ষ থেকে সকল পদক্ষেপই সরকার গ্রহণ করবে।
১ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪১০ একর জমির উপর পটুয়াখালী ইপিজেড প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩০শে জুন শেষ হবার কথা ছিলো। এর মেয়াদ দুই বছর বাড়ানো হয়েছে। এ প্রকল্পে ৩০৬ টি শিল্প প্লট রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রস্তুত হয়েছে ৬০ টি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
বরিশালের স্থানীয় অর্থনীতি অন্য বিভাগের চেয়ে দুর্বল। প্রচুর সম্ভাবনা থাকা স্বত্বেও গত ৫৫ বছরেও এখানে শিল্পায়ন হয়নি। যার কারনে এই অঞ্চলের মানুষদের জীবিকার জন্য রাজধানীসহ অন্য শহরগুলোতে যেতে হয়।
বিভাগের প্রথম পটুয়াখালী ইপিজেডে প্রকল্পের কাজ শেষ না হতেই মালয়েশিয়া ও চায়নার বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়ে ইপিজেড ঘুরে দেখেছেন। সমুদ্রের কাছাকাছি হওয়ায় এবং পায়রা বন্দর ছাড়াও মংলা বন্দর কাছে হওয়ায় আগ্রহ বেশি বিনিয়োগকারীদের। এখানে বৈদেশিক বিনিয়োগ হবে ১ হাজার ৫৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিনিয়োগ, আহরন, রপ্তানী আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্যই পটুয়াখালী ইপিজেড স্থাপন করা হয়। এটি উপকূলীয় এলাকার অর্থনীতির চিত্র বদলে দেবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
পটুয়াখালী ইপিজেডের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মাজেদুর রহমান খান বলেন, মালয়েশিয়ান এবং চীনের বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের পটুয়াখালী ইপিজেড পরিদর্শন করেছেন এবং তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। যে বিনিয়োগকারী আসে তারা কিন্তু পটুয়াখালী দেখে তারা কিন্তু এখানে ইনভেস্ট করতে খুব আগ্রহ প্রকাশ করেন।
পায়রা সমুদ্র বন্দরে পানরি গভীরতা কমে সাড়ে ১০ মিটার থেকে ৬ মিটারে এসেছে। ফলে বড় জাহাজ ভিড়তে পারছে না। মেইন্টেনেন্স ড্রেজিং বন্ধ থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ভাঙ্গা–বরিশাল–কুয়াকাটা মহাসড়ক ৪ লেন অথবা ৬ লেনে উন্নীত না হওয়া পর্যন্ত পটুয়াখালী ইপিজেডের পণ্য পরিবহন জটিলতার বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জ্যোতির্ময় বিশ্বাস বলেন, পায়রা সমুদ্রবন্দরের নাব্যতাস সংকটকে দূর করে অচিরেই পায়রা বন্দরকে সম্পূর্ণরূপে কর্মক্ষম করতে হবে। মংলা বন্দরের সাথে ইপিজেডের যে কানেক্টিভিটি এবং পায়রা বন্দরের যে কানেক্টিভিটি সেটাকে সুষম করতে হবে।
পায়রা বন্দরে গভীরতা জাহাজ চলাচলে উপযোগী করা এবং ভাঙ্গা–বরিশাল–কুয়াকাটা মহাসড়ক ৪ লেন অথবা ৬ লেনে উন্নীত করার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ বলেন, প্রকল্পের অনেকগুলো সিস্টেম আছে। এখানে স্ট্রেন্থ, উইকনেস, অপরচুনিটিজ, থ্রেটস—এ বিষয়গুলো মাথায় বিবেচনা নিয়ে সরকার সামনে দিয়ে এগিয়ে যায়। ইপিজেডগুলো সচল করার জন্য যত ধরনের পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন, সরকারের পক্ষ থেকে সকল পদক্ষেপই সরকার গ্রহণ করবে।
১ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪১০ একর জমির উপর পটুয়াখালী ইপিজেড প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩০শে জুন শেষ হবার কথা ছিলো। এর মেয়াদ দুই বছর বাড়ানো হয়েছে। এ প্রকল্পে ৩০৬ টি শিল্প প্লট রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রস্তুত হয়েছে ৬০ টি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন