পাট কেটে জাগ দেওয়ার পর এখন আঁশ ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার চাষিরা। বাজারে পাটের ভালো চাহিদা ও দাম তুলনামূলক বেশি থাকায় খুশি তারা।
জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে কৃষকদের ব্যস্ততা। কেউ পাট কেটে জাগ দিচ্ছেন, কেউ জাগ দেওয়া পাট থেকে আঁশ সংগ্রহ করছেন, কেউ আবার ধোঁয়া পাট ও পাটখড়ি রোদে শুকাতে দিচ্ছেন। এসব কাজে পুরুষদের পাশাপাশি ব্যস্ত সময় পার করছেন নারীরাও।
উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের পাটচাষি মসলেম উদ্দিন বলেছেন, ‘মাঠে আড়াই বিঘা জমিতে পাট রোপণ করেছিলাম। এবার সময়মতো বৃষ্টি হওয়ার কারণে গাছগুলো বেশ ভালো হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে ৮ থেকে ১০ মন পাট হতে পারে। বাজারে পাটের মোটামুটি ভালো দাম শুনছি।’
উথলী গ্রামের চাষি আবু মিয়া বলেছেন, ‘আল্লাহর রহমতে এবার পাট ভালো হয়েছে। এখন আঁশ ছাড়ানোর কাজ চলছে। পাট ছাড়াও পাটখড়ির চাহিদা রয়েছে অনেক। পাটখড়ি ৫০ টাকা আটি বিক্রি হচ্ছে। লোকজন বিল থেকেই নিজ খরচে পাটখড়ি নিয়ে যাচ্ছে।’
বাজারে প্রতি মন পাট বিক্রি হচ্ছে ৩২০০ থেকে ৩৫০০ টাকায়। পাটের রঙ ভালো হলে দাম আরও বেশি হবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেছেন, ‘জীবননগরের মাটি পাট চাষের জন্য উপযুক্ত। চলতি বছর এ উপজেলায় মোট ১৬২০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। এবার পাটের ফলন ভালো হয়েছে। পরিমাণ মতো বৃষ্টি হওয়ার কারণে পাট জাগ দিতে কৃষকদের ঝামেলা পোহাতে হয়নি। আশা করছি, কৃষকরা পাটের ন্যায্যমূল্য পাবেন।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে কৃষকদের ব্যস্ততা। কেউ পাট কেটে জাগ দিচ্ছেন, কেউ জাগ দেওয়া পাট থেকে আঁশ সংগ্রহ করছেন, কেউ আবার ধোঁয়া পাট ও পাটখড়ি রোদে শুকাতে দিচ্ছেন। এসব কাজে পুরুষদের পাশাপাশি ব্যস্ত সময় পার করছেন নারীরাও।
উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের পাটচাষি মসলেম উদ্দিন বলেছেন, ‘মাঠে আড়াই বিঘা জমিতে পাট রোপণ করেছিলাম। এবার সময়মতো বৃষ্টি হওয়ার কারণে গাছগুলো বেশ ভালো হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে ৮ থেকে ১০ মন পাট হতে পারে। বাজারে পাটের মোটামুটি ভালো দাম শুনছি।’
উথলী গ্রামের চাষি আবু মিয়া বলেছেন, ‘আল্লাহর রহমতে এবার পাট ভালো হয়েছে। এখন আঁশ ছাড়ানোর কাজ চলছে। পাট ছাড়াও পাটখড়ির চাহিদা রয়েছে অনেক। পাটখড়ি ৫০ টাকা আটি বিক্রি হচ্ছে। লোকজন বিল থেকেই নিজ খরচে পাটখড়ি নিয়ে যাচ্ছে।’
বাজারে প্রতি মন পাট বিক্রি হচ্ছে ৩২০০ থেকে ৩৫০০ টাকায়। পাটের রঙ ভালো হলে দাম আরও বেশি হবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেছেন, ‘জীবননগরের মাটি পাট চাষের জন্য উপযুক্ত। চলতি বছর এ উপজেলায় মোট ১৬২০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। এবার পাটের ফলন ভালো হয়েছে। পরিমাণ মতো বৃষ্টি হওয়ার কারণে পাট জাগ দিতে কৃষকদের ঝামেলা পোহাতে হয়নি। আশা করছি, কৃষকরা পাটের ন্যায্যমূল্য পাবেন।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন