জাপানের খ্যাতনামা অ্যাভান্ট-গার্ড শিল্পী ইয়ায়োই কুসামা ৯৭ বছর বয়সে মারা গেছেন। তাঁর পোলকা ডট, কুমড়ো ও ‘ইনফিনিটি মিরর রুম’–এর মতো অনন্য শিল্পকর্ম বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।
কুসামার কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি ১৪ আগস্ট টোকিওর একটি হাসপাতালে মারা যান। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি ছবি আঁকা ও শিল্পচর্চা চালিয়ে গেছেন।
লাল উইগ ও বর্ণিল পোশাকের জন্যও পরিচিত কুসামা কয়েক দশক ধরে বিশ্বের শিল্পাঙ্গনে সক্রিয় ছিলেন। তাঁর প্রদর্শনীগুলোতে বিপুল দর্শকের সমাগম হতো। বিশেষ করে আয়না ও আলোর মাধ্যমে অসীম পরিসরের অনুভূতি তৈরি করা তাঁর ‘ইনফিনিটি মিরর রুমস’ ব্যাপক সাড়া ফেলে।
১৯৬০-এর দশকে নিউইয়র্কের পুরুষ-প্রধান শিল্পজগতে কাজ করার সময় কুসামা নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন। তাঁর কিছু সাহসী শিল্পকর্ম ও পারফরম্যান্স তখন বিতর্ক তৈরি করেছিল। একই সময়ে সমসাময়িক কিছু পুরুষ শিল্পী তাঁর ধারণা থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ায় তিনি হতাশও হন।
পরবর্তীতে জাপানে ফিরে তিনি মানসিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য একটি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং সেখানেই দীর্ঘদিন বসবাস ও শিল্পচর্চা করেন। হাসপাতালের নিরাপদ পরিবেশ তাঁর সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করতে সহায়তা করে।
১৯৯৩ সালে কুসামা ভেনিস বিয়েনালে জাপানের প্রতিনিধিত্বকারী প্রথম একক শিল্পী হন। এরপর ধীরে ধীরে তাঁর শিল্পকর্ম আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক স্বীকৃতি পেতে শুরু করে। ২০০১ সালে তিনি আসাহি পুরস্কারে ভূষিত হন।
তাঁর শিল্পকর্মের বাজারমূল্যও ছিল অত্যন্ত বেশি। ২০২২ সালে তাঁর একটি চিত্রকর্ম প্রায় ১০ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রধান জাদুঘরে প্রদর্শনীর পাশাপাশি লুই ভিটনের মতো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গেও তিনি কাজ করেছেন।
কুসামার শিল্পে পোলকা ডট, আয়না, আলো, কুমড়ো ও পুনরাবৃত্তির ব্যবহার তাঁকে আধুনিক শিল্পের অন্যতম স্বতন্ত্র ও প্রভাবশালী শিল্পীতে পরিণত করেছে। সূত্র: বিবিসি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে
কুসামার কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি ১৪ আগস্ট টোকিওর একটি হাসপাতালে মারা যান। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি ছবি আঁকা ও শিল্পচর্চা চালিয়ে গেছেন।
লাল উইগ ও বর্ণিল পোশাকের জন্যও পরিচিত কুসামা কয়েক দশক ধরে বিশ্বের শিল্পাঙ্গনে সক্রিয় ছিলেন। তাঁর প্রদর্শনীগুলোতে বিপুল দর্শকের সমাগম হতো। বিশেষ করে আয়না ও আলোর মাধ্যমে অসীম পরিসরের অনুভূতি তৈরি করা তাঁর ‘ইনফিনিটি মিরর রুমস’ ব্যাপক সাড়া ফেলে।
১৯৬০-এর দশকে নিউইয়র্কের পুরুষ-প্রধান শিল্পজগতে কাজ করার সময় কুসামা নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন। তাঁর কিছু সাহসী শিল্পকর্ম ও পারফরম্যান্স তখন বিতর্ক তৈরি করেছিল। একই সময়ে সমসাময়িক কিছু পুরুষ শিল্পী তাঁর ধারণা থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ায় তিনি হতাশও হন।
পরবর্তীতে জাপানে ফিরে তিনি মানসিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য একটি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং সেখানেই দীর্ঘদিন বসবাস ও শিল্পচর্চা করেন। হাসপাতালের নিরাপদ পরিবেশ তাঁর সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করতে সহায়তা করে।
১৯৯৩ সালে কুসামা ভেনিস বিয়েনালে জাপানের প্রতিনিধিত্বকারী প্রথম একক শিল্পী হন। এরপর ধীরে ধীরে তাঁর শিল্পকর্ম আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক স্বীকৃতি পেতে শুরু করে। ২০০১ সালে তিনি আসাহি পুরস্কারে ভূষিত হন।
তাঁর শিল্পকর্মের বাজারমূল্যও ছিল অত্যন্ত বেশি। ২০২২ সালে তাঁর একটি চিত্রকর্ম প্রায় ১০ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রধান জাদুঘরে প্রদর্শনীর পাশাপাশি লুই ভিটনের মতো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গেও তিনি কাজ করেছেন।
কুসামার শিল্পে পোলকা ডট, আয়না, আলো, কুমড়ো ও পুনরাবৃত্তির ব্যবহার তাঁকে আধুনিক শিল্পের অন্যতম স্বতন্ত্র ও প্রভাবশালী শিল্পীতে পরিণত করেছে। সূত্র: বিবিসি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে