মেহেরপুর শহরে গভীর রাতে এক তরুণীর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে তাঁর ডান হাত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শয়ন নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর বাবা ও মা-ও। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শয়ন আত্মগোপনে রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে শহরের লর্ড মার্কেট এলাকায় মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটে। হামলায় আহত স্মৃতি খাতুন (১৭) ওই এলাকার ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী সেলিম হোসেনের মেয়ে। অভিযুক্ত শয়ন শহরের মল্লিকপাড়ার হোটেল ব্যবসায়ী আবু তালেবের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত দেড়টার দিকে শয়ন হঠাৎ সেলিম হোসেনের বাড়িতে ঢুকে তাঁর মেয়ে স্মৃতির ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালান। একপর্যায়ে কুপিয়ে তাঁর ডান হাত কবজির ওপর থেকে আলাদা করে দেন। এ সময় স্মৃতির আর্তচিৎকার শুনে বাবা সেলিম হোসেন ও মা রেবেকা খাতুন উদ্ধারে এগিয়ে এলে তাঁদের ওপরও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে জখম করা হয়। পরবর্তীতে শয়ন দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা রক্তাত অবস্থায় স্মৃতি, তাঁর বাবা সেলিম হোসেন ও মা রেবেকা খাতুনকে উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
ঘটনার পরপরই মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায়।
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর জানান, এই নৃশংস হামলার পর অভিযুক্ত শয়নকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খুব দ্রুতই তাঁকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে শহরের লর্ড মার্কেট এলাকায় মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটে। হামলায় আহত স্মৃতি খাতুন (১৭) ওই এলাকার ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী সেলিম হোসেনের মেয়ে। অভিযুক্ত শয়ন শহরের মল্লিকপাড়ার হোটেল ব্যবসায়ী আবু তালেবের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত দেড়টার দিকে শয়ন হঠাৎ সেলিম হোসেনের বাড়িতে ঢুকে তাঁর মেয়ে স্মৃতির ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালান। একপর্যায়ে কুপিয়ে তাঁর ডান হাত কবজির ওপর থেকে আলাদা করে দেন। এ সময় স্মৃতির আর্তচিৎকার শুনে বাবা সেলিম হোসেন ও মা রেবেকা খাতুন উদ্ধারে এগিয়ে এলে তাঁদের ওপরও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে জখম করা হয়। পরবর্তীতে শয়ন দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা রক্তাত অবস্থায় স্মৃতি, তাঁর বাবা সেলিম হোসেন ও মা রেবেকা খাতুনকে উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
ঘটনার পরপরই মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায়।
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর জানান, এই নৃশংস হামলার পর অভিযুক্ত শয়নকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খুব দ্রুতই তাঁকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে