সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২২৮ শিশু।
রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৩৪। আর নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯৯ শিশু। অর্থাৎ, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ সময়ে মোট ৯৩৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩১ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হয়েছে ১ হাজার ৯৭ শিশু। এ সময়ে ১ হাজার ২৬ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮২৪ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫০৩। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৮ হাজার ৪০৪ জনের।
এ সময়ে মোট ১ লাখ ৩০ হাজার ৬০৯ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার ৯৭৫ জন চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচকে/এসকে
রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৩৪। আর নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯৯ শিশু। অর্থাৎ, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ সময়ে মোট ৯৩৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩১ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হয়েছে ১ হাজার ৯৭ শিশু। এ সময়ে ১ হাজার ২৬ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮২৪ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫০৩। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৮ হাজার ৪০৪ জনের।
এ সময়ে মোট ১ লাখ ৩০ হাজার ৬০৯ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার ৯৭৫ জন চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচকে/এসকে