নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় বাবরা-হাচলাইউনিয়নের পাইটকেলবাড়ী গ্রামে নবগঙ্গা নদীর তীরে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির ১০টি চুল্লি। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় প্রতিনিয়ত গাছ কেটে এসব চুল্লিতে পুঁড়িয়ে কয়লা তৈরি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় বেলায়েত মেম্বার নামে এক ব্যক্তির মালিকানায় পরিচালিত এসব চুল্লিতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ কাঠ পোঁড়ানো হচ্ছে। ফলে চুল্লি থেকে নির্গত ঘন কালো ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে আশপাশের পরিবেশ এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের বৈধ অনুমোদন ছাড়াই এসব চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা উৎপাদন করা হচ্ছে। চুল্লি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় আশপাশের বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও নদীর পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ধোঁয়ার কারণে শিশু, বয়স্ক ও শ্বাসকষ্টে ভোগা ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। পাশাপাশি মূল্যবান গাছ কেটে কয়লা উৎপাদনের কারণে পরিবেশের ভারসাম্যও হুমকির মুখে পড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, অবৈধভাবে পরিচালিত এসব কয়লার চুল্লির বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা না হলে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি আরও বাড়তে পারে।
এ বিষয়ে চুল্লির পরিচালক বেলায়েত মেম্বার জানান, উপজেলা বা জেলা প্রশাসনের কোনো অনুমতি নেননি। তবে স্থানীয় প্রভাবশালী কয়েকজন নেতার দোহাই দিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি।
এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও পার্থ প্রতিম বিশ্বাস বলেন, লোকালয়ে এসব চুল্লির কালো ধোঁয়ার ফলে সুস্থ শিশুদেরও একসময় ফুসফুসের সমস্যা ও অ্যালার্জিসহ নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এ ছাড়া যারা শ্বাসকষ্টে ভুগছেন এবং বয়স্ক মানুষ, তাদের জন্য এ ধোঁয়া মারাত্মক ক্ষতিকর।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
স্থানীয় বেলায়েত মেম্বার নামে এক ব্যক্তির মালিকানায় পরিচালিত এসব চুল্লিতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ কাঠ পোঁড়ানো হচ্ছে। ফলে চুল্লি থেকে নির্গত ঘন কালো ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে আশপাশের পরিবেশ এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের বৈধ অনুমোদন ছাড়াই এসব চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা উৎপাদন করা হচ্ছে। চুল্লি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় আশপাশের বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও নদীর পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ধোঁয়ার কারণে শিশু, বয়স্ক ও শ্বাসকষ্টে ভোগা ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। পাশাপাশি মূল্যবান গাছ কেটে কয়লা উৎপাদনের কারণে পরিবেশের ভারসাম্যও হুমকির মুখে পড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, অবৈধভাবে পরিচালিত এসব কয়লার চুল্লির বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা না হলে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি আরও বাড়তে পারে।
এ বিষয়ে চুল্লির পরিচালক বেলায়েত মেম্বার জানান, উপজেলা বা জেলা প্রশাসনের কোনো অনুমতি নেননি। তবে স্থানীয় প্রভাবশালী কয়েকজন নেতার দোহাই দিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি।
এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও পার্থ প্রতিম বিশ্বাস বলেন, লোকালয়ে এসব চুল্লির কালো ধোঁয়ার ফলে সুস্থ শিশুদেরও একসময় ফুসফুসের সমস্যা ও অ্যালার্জিসহ নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এ ছাড়া যারা শ্বাসকষ্টে ভুগছেন এবং বয়স্ক মানুষ, তাদের জন্য এ ধোঁয়া মারাত্মক ক্ষতিকর।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন