দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট বেড়েছে। গ্রামাঞ্চলের কোথাও কোথাও দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদ্যুতের বিল বাড়ার অভিযোগও করছেন গ্রাহকেরা। এতে আবাসিক গ্রাহকদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা এবং শিল্পকারখানাও চাপে পড়েছে।
সাভারের পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক রোজিনা বলেন, ‘কারেন্ট যেমন যাইতেছে, আবার টাকাও বেশি কাটতেছে। বিদ্যুতের কার্ড ভরেই সারতে পারি না। অনেক টাকা নিতেছে।’
দেশে বিদ্যুতের মোট গ্রাহক পাঁচ কোটির বেশি। এর মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক ৩ কোটি ৭১ লাখ। ফলে লোডশেডিংয়ের বড় চাপ পড়ছে গ্রাম ও মফস্বলের মানুষের ওপর।
গাজীপুরের এক কারখানা মালিক বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় ডিজেল জেনারেটর চালাতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। বিদ্যুতের সংকটে তার কারখানার উৎপাদন ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমেছে। সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে না পারায় বিদেশি ক্রেতাদের চাপও বাড়ছে।
সক্ষমতা আছে, তবু সংকট
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ক্যাপটিভ পাওয়ারসহ দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৩৩ হাজার মেগাওয়াট। আর নেপাল ও ভারত থেকে আমদানিসহ গ্রিড পর্যায়ে সক্ষমতা ২৯ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াট।
চলতি বছরের মে মাসে এক দিনে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ২০১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড হয়েছে। কিন্তু একই বছর লোডশেডিংও বেড়েছে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, ১০ আগস্ট এক দিনে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের হিসাবে, এ বছর গরমে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। সরকারের ভাষ্য, প্রাথমিক জ্বালানির সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে এলএনজি আমদানিতে সংকট পরিস্থিতি আরো কঠিন করেছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের অন্তত দুই বছর সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে। এ খাতের জন্য ১০ বছর মেয়াদি একটি কর্মপরিকল্পনাও সংসদে উপস্থাপনের কথা রয়েছে।
সংকটের শুরু কোথায়
বিদ্যুৎ খাতে সংকট মোকাবিলায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকার জরুরি ভিত্তিতে তেল ও আমদানিনির্ভর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে। বিশেষ আইনের মাধ্যমে বিনা দরপত্রে বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়।
এতে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লেও জ্বালানি সরবরাহ সেই হারে বাড়েনি। গ্যাস উত্তোলন বাড়েনি, কয়লা উত্তোলনও হয়নি। ফলে আমদানিনির্ভরতা বেড়েছে। ব্যয়বহুল জ্বালানি এবং অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতার কারণে বিদ্যুৎ খাতের ব্যয়ও বেড়েছে।
এ ছাড়া পরিকল্পনা অনুযায়ী সাশ্রয়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র সময়মতো উৎপাদনে আসেনি। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগও প্রত্যাশিতভাবে এগোয়নি। উৎপাদন সক্ষমতা থাকা বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ ব্যয়ও বেড়েছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বিদ্যুৎ সংকট ধীরে ধীরে জটিল হয়েছে। ঘাটতি মোকাবিলায় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি করা হয়েছে। এর বিপরীতে ক্যাপাসিটি পেমেন্টসহ বিভিন্ন ব্যয় বেড়েছে।
কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলমের মতে, বিদ্যুৎ খাতে ব্যয়বহুল জ্বালানিনির্ভরতা এবং চাহিদার তুলনায় বেশি উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি সংকটকে দীর্ঘ করেছে।
তার মতে, বিদ্যুৎ খাতকে মুনাফাভিত্তিক খাতের বদলে সেবামূলক খাত হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
সমাধান কোথায়
বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য আনা জরুরি। গ্যাসনির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বিদ্যুৎভিত্তিক ব্যবস্থায় যেতে হবে।
গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, গ্যাসভিত্তিক বয়লারের পরিবর্তে বৈদ্যুতিক বয়লার, ডিজেলচালিত যানবাহনের পরিবর্তে বৈদ্যুতিক যান এবং ডিজেলচালিত সেচের পরিবর্তে সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক সেচ ব্যবস্থায় যেতে হবে। বাসাবাড়িতেও গ্যাসের পরিবর্তে বৈদ্যুতিক চুলার ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।
এম শামসুল আলম কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগানো, পারমাণবিক বিদ্যুৎ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতে দক্ষতা বাড়ানোর ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি।
আঞ্চলিক গ্রিডে জোর
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বিদ্যুৎ আমদানিকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। বর্তমানে ভারত ও নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করছে বাংলাদেশ।
গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ৯ শতাংশ আমদানি করা হয়। আঞ্চলিক গ্রিডের সক্ষমতা আরো বাড়ানো গেলে ভারতসহ আশপাশের দেশগুলোর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ দ্রুত আমদানি করে ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।
তার মতে, ভারতের গ্রিড ব্যবহার করে নেপাল থেকে আরো বেশি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ আনার সুযোগ রয়েছে। এতে দেশের শিল্প ও অন্যান্য খাতের চাহিদা মেটানো সম্ভব হতে পারে।
এম শামসুল আলম ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তির ট্যারিফ কমানোর জন্য পুনরায় আলোচনা করার কথা বলেছেন। পাশাপাশি ভারত, নেপাল ও ভুটান থেকে প্রতিযোগিতামূলক দামে বিদ্যুৎ বা জ্বালানি আমদানির সুযোগ কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ সংকটের সমাধানে শুধু উৎপাদন বাড়ানো যথেষ্ট নয়। জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, নবায়নযোগ্য উৎস বাড়ানো, আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং ব্যয়বহুল বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর নির্ভরতা কমানো—সব দিকেই একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
সাভারের পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক রোজিনা বলেন, ‘কারেন্ট যেমন যাইতেছে, আবার টাকাও বেশি কাটতেছে। বিদ্যুতের কার্ড ভরেই সারতে পারি না। অনেক টাকা নিতেছে।’
দেশে বিদ্যুতের মোট গ্রাহক পাঁচ কোটির বেশি। এর মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক ৩ কোটি ৭১ লাখ। ফলে লোডশেডিংয়ের বড় চাপ পড়ছে গ্রাম ও মফস্বলের মানুষের ওপর।
গাজীপুরের এক কারখানা মালিক বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় ডিজেল জেনারেটর চালাতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। বিদ্যুতের সংকটে তার কারখানার উৎপাদন ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমেছে। সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে না পারায় বিদেশি ক্রেতাদের চাপও বাড়ছে।
সক্ষমতা আছে, তবু সংকট
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ক্যাপটিভ পাওয়ারসহ দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৩৩ হাজার মেগাওয়াট। আর নেপাল ও ভারত থেকে আমদানিসহ গ্রিড পর্যায়ে সক্ষমতা ২৯ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াট।
চলতি বছরের মে মাসে এক দিনে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ২০১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড হয়েছে। কিন্তু একই বছর লোডশেডিংও বেড়েছে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, ১০ আগস্ট এক দিনে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের হিসাবে, এ বছর গরমে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। সরকারের ভাষ্য, প্রাথমিক জ্বালানির সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে এলএনজি আমদানিতে সংকট পরিস্থিতি আরো কঠিন করেছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের অন্তত দুই বছর সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে। এ খাতের জন্য ১০ বছর মেয়াদি একটি কর্মপরিকল্পনাও সংসদে উপস্থাপনের কথা রয়েছে।
সংকটের শুরু কোথায়
বিদ্যুৎ খাতে সংকট মোকাবিলায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকার জরুরি ভিত্তিতে তেল ও আমদানিনির্ভর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে। বিশেষ আইনের মাধ্যমে বিনা দরপত্রে বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়।
এতে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লেও জ্বালানি সরবরাহ সেই হারে বাড়েনি। গ্যাস উত্তোলন বাড়েনি, কয়লা উত্তোলনও হয়নি। ফলে আমদানিনির্ভরতা বেড়েছে। ব্যয়বহুল জ্বালানি এবং অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতার কারণে বিদ্যুৎ খাতের ব্যয়ও বেড়েছে।
এ ছাড়া পরিকল্পনা অনুযায়ী সাশ্রয়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র সময়মতো উৎপাদনে আসেনি। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগও প্রত্যাশিতভাবে এগোয়নি। উৎপাদন সক্ষমতা থাকা বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ ব্যয়ও বেড়েছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বিদ্যুৎ সংকট ধীরে ধীরে জটিল হয়েছে। ঘাটতি মোকাবিলায় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি করা হয়েছে। এর বিপরীতে ক্যাপাসিটি পেমেন্টসহ বিভিন্ন ব্যয় বেড়েছে।
কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলমের মতে, বিদ্যুৎ খাতে ব্যয়বহুল জ্বালানিনির্ভরতা এবং চাহিদার তুলনায় বেশি উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি সংকটকে দীর্ঘ করেছে।
তার মতে, বিদ্যুৎ খাতকে মুনাফাভিত্তিক খাতের বদলে সেবামূলক খাত হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
সমাধান কোথায়
বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য আনা জরুরি। গ্যাসনির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বিদ্যুৎভিত্তিক ব্যবস্থায় যেতে হবে।
গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, গ্যাসভিত্তিক বয়লারের পরিবর্তে বৈদ্যুতিক বয়লার, ডিজেলচালিত যানবাহনের পরিবর্তে বৈদ্যুতিক যান এবং ডিজেলচালিত সেচের পরিবর্তে সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক সেচ ব্যবস্থায় যেতে হবে। বাসাবাড়িতেও গ্যাসের পরিবর্তে বৈদ্যুতিক চুলার ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।
এম শামসুল আলম কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগানো, পারমাণবিক বিদ্যুৎ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতে দক্ষতা বাড়ানোর ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি।
আঞ্চলিক গ্রিডে জোর
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বিদ্যুৎ আমদানিকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। বর্তমানে ভারত ও নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করছে বাংলাদেশ।
গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ৯ শতাংশ আমদানি করা হয়। আঞ্চলিক গ্রিডের সক্ষমতা আরো বাড়ানো গেলে ভারতসহ আশপাশের দেশগুলোর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ দ্রুত আমদানি করে ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।
তার মতে, ভারতের গ্রিড ব্যবহার করে নেপাল থেকে আরো বেশি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ আনার সুযোগ রয়েছে। এতে দেশের শিল্প ও অন্যান্য খাতের চাহিদা মেটানো সম্ভব হতে পারে।
এম শামসুল আলম ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তির ট্যারিফ কমানোর জন্য পুনরায় আলোচনা করার কথা বলেছেন। পাশাপাশি ভারত, নেপাল ও ভুটান থেকে প্রতিযোগিতামূলক দামে বিদ্যুৎ বা জ্বালানি আমদানির সুযোগ কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ সংকটের সমাধানে শুধু উৎপাদন বাড়ানো যথেষ্ট নয়। জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, নবায়নযোগ্য উৎস বাড়ানো, আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং ব্যয়বহুল বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর নির্ভরতা কমানো—সব দিকেই একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন