পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী দিঘলিয়া উপজেলার মুক্তিশ্বর রায়ের মেয়ে। সে উপজেলা গাজীরহাট নঈম উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়ে পাঠদান শেষে বিদ্যালয়ের বাথরুমে যায় সে। কিন্তু পেছন থেকে কে বা কারা তাকে মারধর করে চেতনানাশক স্প্রে প্রয়োগ করে তার ওপর। চেতনা ফিরে এলে সে দেখে তার হাত-পা ও মুখ বাঁধা।
এ সময়ে বাথরুমের ভেতর থেকে চিৎকার করতে থাকে। বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী একটি ভবনে কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারে। পরে তারা এগিয়ে এসে বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে। এরপর স্থানীয়ভাবে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে খুলনার বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
এ সময়ে বাথরুমের ভেতর থেকে চিৎকার করতে থাকে। বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী একটি ভবনে কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারে। পরে তারা এগিয়ে এসে বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে। এরপর স্থানীয়ভাবে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে খুলনার বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন