২০২৫ সালের ৫ আগস্ট ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাসভবন ভাঙচুর ও গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে মামলাটি দায়েরের আবেদন করেন তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা (৪৪) নামে এক নারী। বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শরীফ উদ্দিন।
মামলার আবেদনে আসামিদের মধ্যে আরও রয়েছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান, নাহিদ ইসলাম, মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মাহফুজ আলম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, আক্তার হোসেন, সারজিস আলম, আবদুল হান্নান মাসুদ, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসাইন, কনক সারওয়ার, নুরনবী (অব. কর্নেল), তাহরিমা জান্নাত (সুরভী), মো. মিলন (বুলডোজার সরবরাহকারী), ফাহিম আল চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদ।
আবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট তারিখে ১ থেকে ৯ নং আসামীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে বা উসকানীতে এবং সার্বিক সহযোগীতায় বাকি আসামি এবং অজ্ঞাতনামা ৩০০০-৫০০০ আসামীগণ বেআইনী জনতাবদ্ধভাবে লাঠিসোটা, হাতুড়ি ও দাহ্য পদার্থ সহ মারাত্মক অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ধানমন্ডি ৩২-এ অবস্থিত বাঙ্গালী জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরব উজ্জল সূতিকাগার এবং ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে (জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি জড়িত বাস ভবন) আক্রমন চালায়। তারা ভবনে ঢুকে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে ঐতিহাসিক নিদর্শন দলিল, মুক্তিযুদ্ধেও দলিল, প্রামান্যচিত্র, বই, পুস্তক সহ মূল্যবান সম্পদসমূহের ব্যাপক ক্ষতিসাধন, লুটপাট করে নিয়ে যায় এবং উক্ত ভবনে আগুন দেওয়া হয়।
পরে দুটি বুলডোজার, এক্সকাভেটর, হ্যামারসহ ভারী যন্ত্রপাতি এনে রাতভর ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু করা হয় এবং পরদিন ৬ আগস্ট বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভবনটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার আবেদনে আরও বলা হয়, মামলার ১১ নম্বর আসামি হাসনাত আবদুল্লাহ ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে লিখেছিলেন, ‘আজ রাত বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের তীর্থভূমি মুক্ত হবে।’ এরপর রাত ৯টার পর মিছিল নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে ভবনটি ধ্বংস করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মামলার আবেদনে দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩৭৯, ৩৮০, ৩৯৫, ৪২৭, ৪৩৫, ৪৩৮, ৪৪৮, ৪২০, ৫০৬ ও ৫০৭ ধারাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩ ও ৪ ধারা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার আবেদন করেছেন। একই সঙ্গে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিরও আবেদন করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে মামলাটি দায়েরের আবেদন করেন তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা (৪৪) নামে এক নারী। বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শরীফ উদ্দিন।
মামলার আবেদনে আসামিদের মধ্যে আরও রয়েছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান, নাহিদ ইসলাম, মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মাহফুজ আলম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, আক্তার হোসেন, সারজিস আলম, আবদুল হান্নান মাসুদ, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসাইন, কনক সারওয়ার, নুরনবী (অব. কর্নেল), তাহরিমা জান্নাত (সুরভী), মো. মিলন (বুলডোজার সরবরাহকারী), ফাহিম আল চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদ।
আবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট তারিখে ১ থেকে ৯ নং আসামীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে বা উসকানীতে এবং সার্বিক সহযোগীতায় বাকি আসামি এবং অজ্ঞাতনামা ৩০০০-৫০০০ আসামীগণ বেআইনী জনতাবদ্ধভাবে লাঠিসোটা, হাতুড়ি ও দাহ্য পদার্থ সহ মারাত্মক অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ধানমন্ডি ৩২-এ অবস্থিত বাঙ্গালী জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরব উজ্জল সূতিকাগার এবং ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে (জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি জড়িত বাস ভবন) আক্রমন চালায়। তারা ভবনে ঢুকে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে ঐতিহাসিক নিদর্শন দলিল, মুক্তিযুদ্ধেও দলিল, প্রামান্যচিত্র, বই, পুস্তক সহ মূল্যবান সম্পদসমূহের ব্যাপক ক্ষতিসাধন, লুটপাট করে নিয়ে যায় এবং উক্ত ভবনে আগুন দেওয়া হয়।
পরে দুটি বুলডোজার, এক্সকাভেটর, হ্যামারসহ ভারী যন্ত্রপাতি এনে রাতভর ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু করা হয় এবং পরদিন ৬ আগস্ট বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভবনটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার আবেদনে আরও বলা হয়, মামলার ১১ নম্বর আসামি হাসনাত আবদুল্লাহ ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে লিখেছিলেন, ‘আজ রাত বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের তীর্থভূমি মুক্ত হবে।’ এরপর রাত ৯টার পর মিছিল নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে ভবনটি ধ্বংস করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মামলার আবেদনে দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩৭৯, ৩৮০, ৩৯৫, ৪২৭, ৪৩৫, ৪৩৮, ৪৪৮, ৪২০, ৫০৬ ও ৫০৭ ধারাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩ ও ৪ ধারা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার আবেদন করেছেন। একই সঙ্গে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিরও আবেদন করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন