সংখ্যার সমীকরণে ফল কার্যত নির্ধারিত। তবু একাধিক প্রার্থী থাকায় ৩৫ বছর পর আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি পদে ভোট হচ্ছে। বেলা দুইটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সংসদকক্ষে ভোট গ্রহণ চলবে। ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য।
নির্বাচনে প্রার্থী দুজন। ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদ। সংসদে বিএনপির সদস্য ২৪৭ জন। সংখ্যার এই ব্যবধানের কারণে মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া কার্যত নিশ্চিত। তবে দুজন প্রার্থী থাকায় তফসিল অনুযায়ী ভোট গ্রহণ করতে হচ্ছে।
১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ওই বছরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রথম ভোট হয়েছিল। পরবর্তী সাতজন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এবার দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গোপন নয়। ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন সংসদ সদস্যরা। নতুন রাষ্ট্রপতি শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাতটায় বঙ্গভবনে শপথ নেবেন বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ।
গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচিত মো. সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ৬ আগস্ট নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। বর্তমানে সংসদের অধিবেশন চলমান না থাকায় ভোট গ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যদের আলাদা বৈঠক ডাকা হয়েছে। এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করার পাশাপাশি নির্বাচন পরিচালনা করবেন সিইসি।
সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে বসে ভোট দেবেন। প্রথমে ব্যালট পেপারের মুড়ি অংশে পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করে ব্যালট গ্রহণ করবেন। এরপর মূল ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে আবার পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনরত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালও সংসদ সদস্য হিসেবে এই নির্বাচনের ভোটার। তাঁদের ভোট দেওয়ার জন্য সংসদ কক্ষে আলাদা আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে।
বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদ সদস্য হওয়ায় তিনি নিজেও ভোট দিতে পারবেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে কার্যভার গ্রহণের দিন তাঁর সংসদীয় আসন শূন্য হবে। অন্যদিকে অলি আহমদ সংসদ সদস্য নন। তাই তিনি ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন না।
বুধবার সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘ভোট গ্রহণের শুরুর দিকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনরত স্পিকার ও প্রধানমন্ত্রীর ভোটদান বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। এরপর সম্প্রচার বন্ধ থাকবে। ভোট গণনার সময় আবার সরাসরি সম্প্রচার শুরু হবে। গণনা শেষে সংসদ কক্ষেই ফল ঘোষণা করবেন নির্বাচনী কর্তা। পরে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।’’
বাংলাস্কুপ/ প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
নির্বাচনে প্রার্থী দুজন। ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদ। সংসদে বিএনপির সদস্য ২৪৭ জন। সংখ্যার এই ব্যবধানের কারণে মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া কার্যত নিশ্চিত। তবে দুজন প্রার্থী থাকায় তফসিল অনুযায়ী ভোট গ্রহণ করতে হচ্ছে।
১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ওই বছরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রথম ভোট হয়েছিল। পরবর্তী সাতজন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এবার দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গোপন নয়। ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন সংসদ সদস্যরা। নতুন রাষ্ট্রপতি শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাতটায় বঙ্গভবনে শপথ নেবেন বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ।
গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচিত মো. সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ৬ আগস্ট নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। বর্তমানে সংসদের অধিবেশন চলমান না থাকায় ভোট গ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যদের আলাদা বৈঠক ডাকা হয়েছে। এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করার পাশাপাশি নির্বাচন পরিচালনা করবেন সিইসি।
সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে বসে ভোট দেবেন। প্রথমে ব্যালট পেপারের মুড়ি অংশে পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করে ব্যালট গ্রহণ করবেন। এরপর মূল ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে আবার পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনরত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালও সংসদ সদস্য হিসেবে এই নির্বাচনের ভোটার। তাঁদের ভোট দেওয়ার জন্য সংসদ কক্ষে আলাদা আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে।
বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদ সদস্য হওয়ায় তিনি নিজেও ভোট দিতে পারবেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে কার্যভার গ্রহণের দিন তাঁর সংসদীয় আসন শূন্য হবে। অন্যদিকে অলি আহমদ সংসদ সদস্য নন। তাই তিনি ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন না।
বুধবার সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘ভোট গ্রহণের শুরুর দিকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনরত স্পিকার ও প্রধানমন্ত্রীর ভোটদান বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। এরপর সম্প্রচার বন্ধ থাকবে। ভোট গণনার সময় আবার সরাসরি সম্প্রচার শুরু হবে। গণনা শেষে সংসদ কক্ষেই ফল ঘোষণা করবেন নির্বাচনী কর্তা। পরে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।’’
বাংলাস্কুপ/ প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে