স্টক না থাকায় বন্ধ হয়ে গেল মহেশখালী এক্সিলারেট এনার্জির (এমএলএনজি) টার্মিনাল।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেল ৩টায় সরবরাহ বন্ধ রাখা করা হয়।
স্টক না থাকা স্টেশনটি বন্ধ করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, আমদানি করা এলএনজির জাহাজ না থাকায় তাদের স্টক ফুরিয়ে যায়। এর ফলে টার্মিনালটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না। অপরদিকে সামিটের (এসএলএনজি) টার্মিনালটি সচল রয়েছে। সেখান থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।
আগামী সপ্তাহে জাহাজ ভিড়লে এমএলএনজি চালু হবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রায়ত্ত রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘এলএনজি স্টক না থাকায় এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বন্ধ করতে হয়েছে। এলএনজিবাহী জাহাজ না আসা পর্যন্ত সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ নেই।’
একটি এলএনজি কার্গো পথে রয়েছে বলেও জানান তিনি। সেটি যুক্ত হলে আগামী সপ্তাহের প্রথম দিনে আবার এমএলএনজি টার্মিমাল পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ করবে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেল ৩টায় সরবরাহ বন্ধ রাখা করা হয়।
স্টক না থাকা স্টেশনটি বন্ধ করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, আমদানি করা এলএনজির জাহাজ না থাকায় তাদের স্টক ফুরিয়ে যায়। এর ফলে টার্মিনালটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না। অপরদিকে সামিটের (এসএলএনজি) টার্মিনালটি সচল রয়েছে। সেখান থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।
আগামী সপ্তাহে জাহাজ ভিড়লে এমএলএনজি চালু হবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রায়ত্ত রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘এলএনজি স্টক না থাকায় এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বন্ধ করতে হয়েছে। এলএনজিবাহী জাহাজ না আসা পর্যন্ত সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ নেই।’
একটি এলএনজি কার্গো পথে রয়েছে বলেও জানান তিনি। সেটি যুক্ত হলে আগামী সপ্তাহের প্রথম দিনে আবার এমএলএনজি টার্মিমাল পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ করবে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে