বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খানের উদ্ধৃতি দিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ‘কারসাজিতে শুধু জরিমানা নয়, হবে ফৌজদারি মামলা’ শিরোনামে প্রচারিত সংবাদটিকে অনভিপ্রেত ও বিভ্রান্তিকর হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিএসইসি।
একই সঙ্গে যাচাই-বাছাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ কোনো মাধ্যমে এ ধরনের ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিএসইসি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, যেসব সংবাদমাধ্যমকে বিএসইসি চেয়ারম্যান কোনো সাক্ষাৎকার বা বক্তব্য দেননি, সেসব মাধ্যমে প্রকাশিত বা উদ্ধৃত কোনো বক্তব্যকে তার বক্তব্য হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই।
সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের নিজস্বভাবে প্রস্তুতকৃত এসব বক্তব্য পুঁজিবাজারে কারসাজি, অনিয়ম, ফৌজদারি মামলা, ব্রোকারেজ হাউজ, ডাইরেক্ট লিস্টিং ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত বিভ্রান্তি তৈরি করছে।
ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই সংবাদের সূত্র ধরে বিভিন্ন পোস্ট ও শেয়ার করা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
বিএসইসি মনে করে, পুঁজিবাজারের মতো সংবেদনশীল ও আস্থার জায়গায় দায়িত্বশীলতার অভাব ও অকাট্য তথ্য ছাড়া খবর প্রকাশ করা বিনিয়োগকারীদের ভুল বার্তা দিতে পারে।
কমিশনের সিদ্ধান্ত, নির্দেশনা বা গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যের বিষয়ে সঠিক তথ্যের জন্য কেবল বিএসইসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, অনুমোদিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও মুখপাত্রের দেওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সেই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অননুমোদিত তথ্যের ওপর নির্ভর করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত না নিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অনুরোধ জানিয়েছে কমিশন।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন সতর্ক করে জানিয়েছে, চেয়ারম্যান বা কমিশনের নাম ব্যবহার করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের মাধ্যমে বাজার বিঘ্নিত করার যে কোনো অপচেষ্টাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
একই সঙ্গে যাচাই-বাছাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ কোনো মাধ্যমে এ ধরনের ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিএসইসি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, যেসব সংবাদমাধ্যমকে বিএসইসি চেয়ারম্যান কোনো সাক্ষাৎকার বা বক্তব্য দেননি, সেসব মাধ্যমে প্রকাশিত বা উদ্ধৃত কোনো বক্তব্যকে তার বক্তব্য হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই।
সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের নিজস্বভাবে প্রস্তুতকৃত এসব বক্তব্য পুঁজিবাজারে কারসাজি, অনিয়ম, ফৌজদারি মামলা, ব্রোকারেজ হাউজ, ডাইরেক্ট লিস্টিং ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত বিভ্রান্তি তৈরি করছে।
ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই সংবাদের সূত্র ধরে বিভিন্ন পোস্ট ও শেয়ার করা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
বিএসইসি মনে করে, পুঁজিবাজারের মতো সংবেদনশীল ও আস্থার জায়গায় দায়িত্বশীলতার অভাব ও অকাট্য তথ্য ছাড়া খবর প্রকাশ করা বিনিয়োগকারীদের ভুল বার্তা দিতে পারে।
কমিশনের সিদ্ধান্ত, নির্দেশনা বা গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যের বিষয়ে সঠিক তথ্যের জন্য কেবল বিএসইসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, অনুমোদিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও মুখপাত্রের দেওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সেই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অননুমোদিত তথ্যের ওপর নির্ভর করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত না নিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অনুরোধ জানিয়েছে কমিশন।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন সতর্ক করে জানিয়েছে, চেয়ারম্যান বা কমিশনের নাম ব্যবহার করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের মাধ্যমে বাজার বিঘ্নিত করার যে কোনো অপচেষ্টাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে