ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রস্তাবিত বিশ্বকাপের বাণিজ্যিকীকরণ পরিকল্পনার প্রকাশ্য সমালোচনা করার পর চাকরি হারালেন সংস্থাটির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) কেভিন লামোর। ফিফা জানিয়েছে, ১৭ আগস্ট থেকে লামোরের সঙ্গে সংস্থাটির পেশাগত সম্পর্কের ইতি ঘটেছে। তবে তাকে সরিয়ে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ জানায়নি ফিফা।
লামোরের বিদায়ের বিষয়টি এমন সময়ে সামনে এল, যখন ফিফার শীর্ষ পর্যায়ে ইনফান্তিনোর প্রস্তাবিত ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল। বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের মতো বড় আয়োজন পরিচালনার জন্য একটি নতুন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গঠন এবং তাতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের অংশীদারি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পরে ফুটবলের বিভিন্ন পক্ষের প্রতিক্রিয়ার মুখে প্রস্তাবটি বাতিল করা হয়।
ফিফার এক মুখপাত্র লামোরের বিদায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ফিফা নিশ্চিত করেছে যে ফিফার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা হিসেবে কেভিন লামোরের সঙ্গে ফিফার কর্মসম্পর্ক ১৭ আগস্ট শেষ হয়েছে। তার দুই বছরের সেবার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভকামনাও জানিয়েছে সংস্থাটি। এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না বলেও জানানো হয়েছে।
এফএফই পরিকল্পনা নিয়ে প্রকাশ্যে আপত্তি তোলার পরই ফিফার সঙ্গে লামোরের বিরোধ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। জুলাইয়ের শেষ দিকে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই পরিকল্পনা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগের কথা জানান। তার অভিযোগ ছিল, চুক্তিটির প্রভাব সম্পর্কে ফিফার কর্মীদের পুরোপুরি সত্য জানানো হয়নি। এমনকি তিনি দাবি করেন, ফিফার কর্মীরা এ পরিকল্পনা নিয়ে ‘প্রতারণার শিকার’ হয়েছেন।
লামোর ফিফার সদর দপ্তরের নেতৃত্বের ধরন নিয়েও সরাসরি প্রশ্ন তোলেন। তার ভাষায়, এফএফই ছিল ‘একজন ব্যক্তির প্রকল্প’। তিনি মনে করেন, শুধু এই প্রকল্প এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নয়, ফুটবলের রাজনৈতিক নেতাদেরও নিজেদের সঠিক প্রশ্ন করা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।
এফএফই পরিকল্পনার আওতায় ফিফা একটি নতুন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গঠনের কথা জানিয়েছিল। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফিফা বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের মতো প্রধান প্রতিযোগিতাগুলো পরিচালনার জন্য ওই প্রতিষ্ঠানে একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যালঘু অংশীদারি বিক্রি করতে চেয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন প্রতিষ্ঠানের ২০ শতাংশ অংশ একটি বিনিয়োগকারী গোষ্ঠীর কাছে বিক্রি করার কথা ছিল। প্রস্তাবটি সামনে আসার পর ফুটবল অঙ্গনে এর নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে পরিকল্পনাটি বাতিল করা হয়।
ইউয়েফায় দীর্ঘ সময় কাজ করার পর ২০২৪ সালের নভেম্বরে ফিফায় যোগ দেন লামোর। প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ফিফার বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত প্রকল্প বাস্তবায়নে তার ভূমিকা ছিল।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
লামোরের বিদায়ের বিষয়টি এমন সময়ে সামনে এল, যখন ফিফার শীর্ষ পর্যায়ে ইনফান্তিনোর প্রস্তাবিত ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল। বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের মতো বড় আয়োজন পরিচালনার জন্য একটি নতুন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গঠন এবং তাতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের অংশীদারি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পরে ফুটবলের বিভিন্ন পক্ষের প্রতিক্রিয়ার মুখে প্রস্তাবটি বাতিল করা হয়।
ফিফার এক মুখপাত্র লামোরের বিদায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ফিফা নিশ্চিত করেছে যে ফিফার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা হিসেবে কেভিন লামোরের সঙ্গে ফিফার কর্মসম্পর্ক ১৭ আগস্ট শেষ হয়েছে। তার দুই বছরের সেবার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভকামনাও জানিয়েছে সংস্থাটি। এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না বলেও জানানো হয়েছে।
এফএফই পরিকল্পনা নিয়ে প্রকাশ্যে আপত্তি তোলার পরই ফিফার সঙ্গে লামোরের বিরোধ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। জুলাইয়ের শেষ দিকে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই পরিকল্পনা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগের কথা জানান। তার অভিযোগ ছিল, চুক্তিটির প্রভাব সম্পর্কে ফিফার কর্মীদের পুরোপুরি সত্য জানানো হয়নি। এমনকি তিনি দাবি করেন, ফিফার কর্মীরা এ পরিকল্পনা নিয়ে ‘প্রতারণার শিকার’ হয়েছেন।
লামোর ফিফার সদর দপ্তরের নেতৃত্বের ধরন নিয়েও সরাসরি প্রশ্ন তোলেন। তার ভাষায়, এফএফই ছিল ‘একজন ব্যক্তির প্রকল্প’। তিনি মনে করেন, শুধু এই প্রকল্প এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নয়, ফুটবলের রাজনৈতিক নেতাদেরও নিজেদের সঠিক প্রশ্ন করা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।
এফএফই পরিকল্পনার আওতায় ফিফা একটি নতুন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গঠনের কথা জানিয়েছিল। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফিফা বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের মতো প্রধান প্রতিযোগিতাগুলো পরিচালনার জন্য ওই প্রতিষ্ঠানে একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যালঘু অংশীদারি বিক্রি করতে চেয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন প্রতিষ্ঠানের ২০ শতাংশ অংশ একটি বিনিয়োগকারী গোষ্ঠীর কাছে বিক্রি করার কথা ছিল। প্রস্তাবটি সামনে আসার পর ফুটবল অঙ্গনে এর নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে পরিকল্পনাটি বাতিল করা হয়।
ইউয়েফায় দীর্ঘ সময় কাজ করার পর ২০২৪ সালের নভেম্বরে ফিফায় যোগ দেন লামোর। প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ফিফার বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত প্রকল্প বাস্তবায়নে তার ভূমিকা ছিল।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে