একটি মামলার রায়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের জন্য প্ল্যাটফর্ম দুটির বেশ কিছু প্রচলিত ফিচার পরিবর্তন বা বন্ধ করার নির্দেশ আসতে পারে।
মেটার মালিকানাধীন ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে শিশুদের গোপনীয়তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০টি অঙ্গরাজ্যের করা মামলার বিচার শুরু হয়েছে। ২০২৩ সালে করা মামলাটির বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে গত সপ্তাহে।
মামলায় অঙ্গরাজ্যগুলোর অভিযোগ, শিশু-কিশোরদের বেশি সময় ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় রাখতে মেটার বিভিন্ন ফিচার ও অ্যালগরিদম এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা তাদের বারবার প্ল্যাটফর্মে ফিরতে উৎসাহিত করে। এ ক্ষেত্রে ঘন ঘন নোটিফিকেশন পাঠানোর বিষয়টিও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মেটার বিরুদ্ধে শিশুদের গোপনীয়তা-সংক্রান্ত ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্যের আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণও দাবি করেছে বাদীপক্ষ।
মামলায় তরুণ ব্যবহারকারীদের জন্য ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের বেশ কিছু ফিচার পরিবর্তনের দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পোস্টে ‘লাইক’ সংখ্যার প্রদর্শন বন্ধ করা, অনবরত স্ক্রলিংয়ের সুবিধা সীমিত করা এবং ভিডিওর স্বয়ংক্রিয় প্লে বন্ধ করা। এ ছাড়া কিশোর ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে অভিভাবকের পরিচয় যাচাই, ব্যবহারকারীর আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে এমন অ্যালগরিদমে পরিবর্তন এবং চেহারা পরিবর্তনকারী কিছু ইমেজ ফিল্টার সরিয়ে দেওয়ার দাবিও রয়েছে। একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ সীমিত করা এবং নির্দিষ্ট সময় পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়–এমন পোস্টের ফিচার নিয়েও পরিবর্তনের দাবি করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের অভিযোগ, এসব ফিচারের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের প্ল্যাটফর্মে অতিরিক্ত সময় ধরে রাখা হয় এবং তাদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীলতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এতে মেটার ব্যবহারকারী সংখ্যা ও ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে মেটা। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তরুণ ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা ও সহায়তার বিষয়ে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং মামলায় উত্থাপিত অভিযোগের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান প্রমাণ করতে তারা আত্মবিশ্বাসী।
এখন মামলার রায়ের দিকে তাকিয়ে আছে সংশ্লিষ্টরা। রায়ে বাদীপক্ষের দাবি গ্রহণ করা হলে শিশু-কিশোরদের জন্য ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের ব্যবহারব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
মেটার মালিকানাধীন ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে শিশুদের গোপনীয়তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০টি অঙ্গরাজ্যের করা মামলার বিচার শুরু হয়েছে। ২০২৩ সালে করা মামলাটির বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে গত সপ্তাহে।
মামলায় অঙ্গরাজ্যগুলোর অভিযোগ, শিশু-কিশোরদের বেশি সময় ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় রাখতে মেটার বিভিন্ন ফিচার ও অ্যালগরিদম এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা তাদের বারবার প্ল্যাটফর্মে ফিরতে উৎসাহিত করে। এ ক্ষেত্রে ঘন ঘন নোটিফিকেশন পাঠানোর বিষয়টিও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মেটার বিরুদ্ধে শিশুদের গোপনীয়তা-সংক্রান্ত ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্যের আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণও দাবি করেছে বাদীপক্ষ।
মামলায় তরুণ ব্যবহারকারীদের জন্য ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের বেশ কিছু ফিচার পরিবর্তনের দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পোস্টে ‘লাইক’ সংখ্যার প্রদর্শন বন্ধ করা, অনবরত স্ক্রলিংয়ের সুবিধা সীমিত করা এবং ভিডিওর স্বয়ংক্রিয় প্লে বন্ধ করা। এ ছাড়া কিশোর ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে অভিভাবকের পরিচয় যাচাই, ব্যবহারকারীর আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে এমন অ্যালগরিদমে পরিবর্তন এবং চেহারা পরিবর্তনকারী কিছু ইমেজ ফিল্টার সরিয়ে দেওয়ার দাবিও রয়েছে। একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ সীমিত করা এবং নির্দিষ্ট সময় পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়–এমন পোস্টের ফিচার নিয়েও পরিবর্তনের দাবি করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের অভিযোগ, এসব ফিচারের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের প্ল্যাটফর্মে অতিরিক্ত সময় ধরে রাখা হয় এবং তাদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীলতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এতে মেটার ব্যবহারকারী সংখ্যা ও ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে মেটা। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তরুণ ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা ও সহায়তার বিষয়ে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং মামলায় উত্থাপিত অভিযোগের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান প্রমাণ করতে তারা আত্মবিশ্বাসী।
এখন মামলার রায়ের দিকে তাকিয়ে আছে সংশ্লিষ্টরা। রায়ে বাদীপক্ষের দাবি গ্রহণ করা হলে শিশু-কিশোরদের জন্য ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের ব্যবহারব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে