অভিযানেও সাতক্ষীরায় থামছে না বাল্যবিবাহ

আপলোড সময় : ১৮-০৮-২০২৬ ০২:৫৬:২০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৮-০৮-২০২৬ ০২:৫৬:২০ অপরাহ্ন
প্রশাসনের তৎপরতায় তাৎক্ষণিকভাবে কিছু বাল্যবিবাহ বন্ধ হলেও সাতক্ষীরায় এ প্রবণতা থামছে না। কোথাও অভিযান চালিয়ে বিয়ে বন্ধ করা হচ্ছে, নেওয়া হচ্ছে মুচলেকা; আবার কোথাও সেই অঙ্গীকার উপেক্ষা করেই বিয়ে হয়ে যাচ্ছে অপ্রাপ্তবয়স্কদের।

ফলে প্রশ্ন উঠছে, শুধু বিয়ের দিন অভিযান ও মুচলেকার মধ্যেই কি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ সম্ভব?

সংশ্লিষ্টদের মতে, আগাম বাল্যবিবাহের ঝুঁকি শনাক্তকরণ, পরিবার ও সমাজের সচেতনতা, নিয়মিত নজরদারি এবং প্রশাসন-পুলিশ-বিদ্যালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া বাল্যবিবাহের লাগাম টানা কঠিন।

সম্প্রতি সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর বিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ করা হয়। একই সময়ে জেলার শ্যামনগরে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী ও ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার খবর আসে। অভিভাবকদের কাছ থেকে ১৮ বছর বয়েসের আগে বিয়ে না দেওয়ার লিখিত অঙ্গীকারও নেওয়া হয়েছিল ।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই অঙ্গীকার রক্ষা হয়নি।

দুই উপজেলার এই দুই ঘটনা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসনের তৎপরতার পুরোপুরি কার্যকরিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ পরিস্থিতে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আগাম শনাক্তকরণ, পারিবারিক সচেতনতা ও সামাজিক নজরদারির প্রয়োজন বলে মনে করেন সচেতন মহল।

গত সপ্তাহে তালা উপজেলার তালা সদর ইউনিয়নের এক গ্রামের বাল্যবিবাহের খবর জানতে পেরে উপজেলা মহিলাবিষয়ক কার্যালয় থেকে উভয় পক্ষকে নোটিশ দেওয়া হয়।

গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) তাদের তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়। নির্ধারিত দিনে দুই পক্ষ হাজির হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বাল্যবিবাহের উদ্যোগের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। কিশোরীর বিবাহযোগ্য বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে কিংবা একসঙ্গে বসবাস না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে উভয় পক্ষকে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ভবিষ্যতে বাল্যবিবাহে জড়িত না হওয়ার বিষয়ে তাদের কাছ থেকে মুচলেকাও নেওয়া হয়।

তালায় প্রশাসনের ‌‌দ্রুত হস্তক্ষেপে বিয়ে বন্ধ হলেও একই সময়ে শ্যামনগরের দাতিনাখালী গ্রামে ঘটেছে ভিন্ন ঘটনা। সেখানে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী ও ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দশম শ্রেণির ছাত্রীটি কিছু দিন আগে সেই কিশোরের সঙ্গে পালিয়ে যায়। ছেলের বাবা রফিকুল ইসলামের দাবি, সাতক্ষীরা আদালত থেকে এফিডেভিটের মাধ্যমে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে তারা একই বাড়িতে অবস্থান করছে। বাংলাদেশের আইনে, বাল্যবিবাহের শাস্তি সবোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড, এ শাস্তি পিতামাতা বা বর-কনে সবার জন্য হতে পারে। এমনকি বিয়ে পরিচালনাকারী কাজীরও একই শাস্তি হতে পারে। 

সাতক্ষীরা মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার বলেন, বাল্যবিবাহের বিষয়টি জানার পর দুই পক্ষকে নোটিশ দেওয়া হয়। পরে নির্ধারিত দিনে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং উভয় পক্ষের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, বিষয়টি তার জানা থাকলেও মহিলাবিষয়ক কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সহায়তা না চাইলে পুলিশ একা উদ্যোগ নিতে পারে না।

শ্যামনগর উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিক বলেন, ঘটনাটি জানার পর ছেলের বাবাকে খবর পাঠানো হয়েছে।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কাজ করা ব্যক্তিদের মতে, কোনো কিশোরীর বিয়ের উদ্যোগের খবর পাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসন, মহিলাবিষয়ক কার্যালয়, পুলিশ, বিদ্যালয় ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কত দ্রুত সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারেন তার ওপর অনেকাংশেই নির্ভর করে বিয়েটি শেষ পর্যন্ত ঠেকানো যাবে কি না। তবে শুধু বিয়ের দিন অভিযান চালিয়ে তা বন্ধ করার চেয়ে আগেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবার ও কিশোর-কিশোরীদের চিহ্নিত করা বেশি কার্যকর।

মানবকল্যাণ সংস্থার সভাপতি এসএম রবিউল ইসলাম বলেন, সব বাল্যবিবাহ শুধু দুই কিশোর-কিশোরীর সিদ্ধান্তে হয় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর পেছনে পরিবার, আত্মীয়স্বজন, স্থানীয় মধ্যস্থতাকারী এবং বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ভূমিকা থাকে। কোনো বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটলে শুধু মেয়েটির পরিবারকে দায়ী করলেই হবে না। কে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে গেল, কে পরিবারকে রাজি করাল, কে বয়স যাচাই করল, কে বিয়ের আয়োজন করল এবং কারা আইনকে পাশকাটিয়ে বিয়েটি সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করল এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী অপ্রাপ্তবয়স্ককে বিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে পিতা-মাতা, অভিভাবক বা দায়িত্বশীল অন্য ব্যক্তির পাশাপাশি বিয়ে সম্পাদন বা আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরও আইনি দায় তৈরি হতে পারে। তাই শুধু বিয়ে বন্ধ করে মুচলেকা নেওয়ার মধ্যে ব্যবস্থা সীমাবদ্ধ না রেখে বিয়ের আয়োজন ও সহযোগিতার সঙ্গে কারা যুক্ত ছিলেন সেটিও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।

আইনজীবীদের মতে, শুধু এফিডেভিট বা কোনো লিখিত কাগজ তৈরি করলেই অপ্রাপ্তবয়স্কের বিয়ে বৈধ হয়ে যায় এমন ধারণা সঠিক নয়।

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট অসীম কুমার মন্ডল বলেন, বাংলাদেশে সাধারণ নিয়মে মেয়ের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং ছেলের ২১ বছর। বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭-এ বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রয়েছে।

শ্যামনগরের ঘটনায় এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করার যে দাবি করা হয়েছে, তার আইনগত অবস্থান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বাল্যবিবাহের খবর পাওয়ার পর অপেক্ষা না করে দ্রুত প্রশাসনকে জানানো জরুরি। কিশোরী নিজে, তার বন্ধু, সহপাঠী, শিক্ষক কিংবা প্রতিবেশী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা থানায় খবর দিতে পারেন। তবে বাল্যবিবাহ বন্ধ করার পরই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না বলে মনে করেন তিনি। বিয়ে বন্ধ হওয়ার পর মেয়েটি বিদ্যালয়ে ফিরছে কি না, পরিবার আবার বিয়ের চাপ দিচ্ছে কি না, তার নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত হচ্ছে কি না এসব বিষয়েও নজরদারি প্রয়োজন।

কলেজ শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, একজন শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসছে কি না, হঠাৎ অনুপস্থিত হচ্ছে কি না এসব বিষয় শিক্ষকরা গুরুত্ব দিয়ে দেখলে অনেক বাল্যবিবাহ আগেই শনাক্ত করা সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, একটি মেয়ের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেওয়া শুধু পরিবারের দায়িত্ব নয়, তাকে নিজের ভবিষ্যৎ বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়াটাও পরিবারের দায়িত্ব। অল্প বয়সে বিয়ে দিলে একটি পরিবার হয়তো সাময়িকভাবে সামাজিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে পারে, কিন্তু মেয়েটির শিক্ষা, দক্ষতা ও আয় করার সম্ভাবনা কমে যায়।

তার মতে, বাল্যবিবাহ বন্ধের সবচেয়ে কার্যকর পথ শুধু ‘বিয়ে দেওয়া যাবে না’ বলে থেমে থাকা নয়। এর পাশাপাশি পরিবারকে মেয়েটির জন্য একটি বিকল্প ভবিষ্যৎ দেখানোও জরুরি। বিয়ের জন্য যে অর্থ ব্যয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তার একটি অংশ যদি শিক্ষা, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, সেলাই, হস্তশিল্প, কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ, হাঁস-মুরগি পালন কিংবা ছোট ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়, তাহলে একটি কিশোরী ভবিষ্যতে নিজের আয় করার তৈরির সুযোগ পেতে পারে।

সাতক্ষীরার কলারোয়ার ফাতেমা বেগমের গল্প এর একটি উদাহরণ। সীমিত সামর্থ্য নিয়ে হাতের কাজ দিয়ে পথচলা শুরু করেছিলেন তিনি। ধীরে ধীরে দক্ষতা ও পরিশ্রমে গড়ে তুলেছেন নিজের উদ্যোগ। এখন তার সঙ্গে কাজ করছেন আরো অনেক নারী-পুরুষ। ঘরে বসে হাতের কাজ করে তাদের কেউ কেউ মাসে কয়েক হাজার টাকা আয় করছেন। ফাতেমার উদ্যোগ শুধু তার নিজের জীবন বদলায়নি, অন্য নারীদেরও আয় করার সুযোগ তৈরি করেছে।

দেবহাটা উপজেলার শম্পা গোস্বামীর জীবনও বাল্যবিবাহের পরও ঘুরে দাঁড়ানোর একটি উদাহরণ। মাত্র সাড়ে ১৫ বছর বয়সে ইচ্ছার বিরুদ্ধে মা-বাবা তাকে বিয়ে দেন। এরপরও লেখাপড়া চালিয়ে যান তিনি। ২০০২ সালে কালীগঞ্জ মোজাহার মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার চাকরি পান।

শিক্ষকতায় সীমাবদ্ধ না থেকে এলাকায় নারীদের উন্নয়নে কাজ শুরু করেন তিনি। বর্তমানে কালিগঞ্জের পাশাপাশি শ্যামনগর, আশাশুনি ও সাতক্ষীরা সদরে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নারীদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টিবিষয়ক পরামর্শ, সহিংসতার শিকার নারীদের আইনি সহায়তা, কৃষিকাজে নারীদের উদ্বুদ্ধ করা এবং স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছিন্ন নারীদের নিজের পায়ে দাঁড়াতে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করছে তার সংগঠন ‘প্রেরণা নারী উন্নয়ন সংস্থা’। নিজে বাল্যবিবাহের শিকার হয়েও এপর্যন্ত ৪২টির মতো বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছেন তিনি। সমাজ উন্নয়নে ভূমিকার জন্য ২০২২ সালে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর থেকে জেলা পর্যায়ে জয়িতা পুরস্কারও পান তিনি।

বেসরকারি সংস্থা প্রেরণা নারী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শম্পা গোস্বামী জানান, বাল্যবিবাহ কমছে না। সরকারি ও বেসরকারিভাবে যে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হচ্ছে, তার কয়েক গুণ প্রতি মাসে বাল্যবিবাহ হয়ে যাচ্ছে। সরকারি উদ্যোগের পাশাাপাশি প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া ও ব্যাধি থেকে মুক্তির পথ নেই বলেও জানান তিনি।

সাতক্ষীরা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার বলেন, প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে তোলার সুযোগ পেলে মেয়েরা নিজেরাই আয় করতে পারে এবং পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখতে পারে। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা বাড়ে। তাই বাল্যবিবাহের পেছনে অর্থ ব্যয় না করে মেয়ের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানে বিনিয়োগ করা হলে সেটিই ভবিষ্যতে পরিবারের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ হয়ে উঠতে পারে।

তালায় একটি বিয়ে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে থেমেছে। কিন্তু শ্যামনগরে আগে অঙ্গীকারনামা নেওয়ার পরও বিয়ে হয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের পরবর্তী নজরদারি কতটা কার্যকর? একটি পরিবারকে মুচলেকা নেওয়ার পর যদি কয়েক মাসের মধ্যেই আবার একই বিয়ের আয়োজন করা হয়, তাহলে আগের উদ্যোগের স্থায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন থেকে যায়।

সাতক্ষীরার সাবিনা খাতুন ও মাসুরা পারভীনের মতো নারী ফুটবলাররা দেখিয়েছেন, সুযোগ পেলে উপকূলের মেয়েরাও জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের জায়গা করে নিতে পারে। তাই একটি কিশোরীর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নটি শুধু ‘কখন বিয়ে দেওয়া হবে’এখানে আটকে থাকার সুযোগ নেই। বরং প্রশ্ন হওয়া উচিত‘মেয়েটি কী হতে চায়, আর সেখানে পৌঁছাতে পরিবার, বিদ্যালয়, প্রশাসন ও সমাজ কীভাবে তাকে সহায়তা করবে?’
 
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :