পাহাড়ি ঢলে ভেঙেছে সড়ক, ১১ গ্রামের যোগাযোগ বন্ধ

আপলোড সময় : ১৭-০৮-২০২৬ ০৪:০৪:৩২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৭-০৮-২০২৬ ০৪:০৯:২১ অপরাহ্ন
খাগড়াছড়ির পানছড়িতে গ্রামীণ সড়কের প্রায় ৩০ ফুট অংশ ভেঙে গেছে পাহাড়ি ঢলে। নালকাটা সেতু থেকে বলিপাড়া পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন ১১ গ্রামের মানুষ।

ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি পানছড়ি উপজেলার লতিবান ইউনিয়নের ৫ নাম্বার ওয়ার্ডে। গত ৮ জুলাই প্রবল পাহাড়ি ঢলে নালকাটা সেতু থেকে ৭০ থেকে ৮০ মিটার দূরে সড়কের প্রায় ৩০ ফুট অংশ ভেঙে পড়ে পাশের শুকনাছড়ি খালে। এরপর থেকে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ এই পথে।

এখন রাস্তার পাশে এক ব্যক্তির ছেড়ে দেওয়া জমি দিয়েই হেঁটে চলাচল করছেন স্থানীয়রা। সড়কটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানিয়েছে, ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে স্থায়ীভাবে।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সড়কটির প্রায় এক কিলোমিটার অংশ পাকা। আরও তিন কিলোমিটার পাকা করার জন্য মেকাডম ফেলে রাখা হয়েছে। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার অংশে ইট বিছানো এবং বাকি অংশ কাঁচা। সড়কটি নালকাটা সেতুর পাশে খাগড়াছড়ি-পানছড়ি আঞ্চলিক সড়কের সঙ্গে যুক্ত। ভাঙা অংশটি সেই সংযোগস্থল থেকে মাত্র ৭০ থেকে ৮০ মিটার দূরে।

এই সড়ক দিয়ে চলাচল করেন ১১ গ্রামের মানুষ। এলাকার কৃষি ও বনজ পণ্য বাজারে নেওয়া হয় এই পথেই। বাউড়া পাড়ার নতুন মনি চাকমা বললেন, এ এলাকায় উৎপাদিত মৌসুমি ফল, কলা ও সবজি এই সড়ক দিয়ে সহজেই বাজারে নেওয়া যেত। এখন সড়ক ভাঙা থাকায় এসব পণ্য বাজারে নিতে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে।

এলাকার তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং একটি কমিউনিটি ক্লিনিকে যাতায়াতেও তৈরি হয়েছে দুর্ভোগ।

ভাঙা সড়ক পার হয়ে চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছিলেন লতিবান ইউনিয়নের রিংকু চাকমা। সদ্য সন্তান জন্ম দিয়েছেন তিনি। শিশুকে কোলে নিয়ে প্রখর রোদে ছাতা মাথায় দিয়ে তাকে ভাঙা অংশ পার হতে দেখা যায়।
 
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন 


 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :