​বন্ধ মিলের পেটে চলে গেল ১০০ মেট্রিক টন গম!

আপলোড সময় : ১৬-০৮-২০২৬ ০৫:৫২:৫৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৬-০৮-২০২৬ ০৭:১০:৫৯ অপরাহ্ন
বন্ধ মিলের নামে ১০০ মেট্রিক টন গম বরাদ্দ দিয়ে সমুদয় গম আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে নরসিংদী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, নরসিংদী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তর চারটি ফ্লাওয়ার মিলের মাধ্যমে নিয়মিত গম পেষণ করে আটা সরকারি গুদামে সরবরাহ করে থাকে। এর মধ্যে কারারচরের ‘মেসার্স মেরাজ ফ্লাওয়ার মিল’ বিগত ঈদুল আজহার আগে থেকেই বন্ধ রয়েছে এবং বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় গত ৭ জুন মিলটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

অথচ গত ১৩ জুলাই ওই বন্ধ মিলের অনুকূলে ১৯ লাখ টাকা মূল্যের ১০০ মেট্রিক টন গম বরাদ্দ দেওয়া হয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে তা ধামাচাপা দিতে ২৬ জুলাই উপ-বরাদ্দকৃত অবশিষ্ট গমের বরাদ্দ বাতিল করে অন্য ৩টি মিলে বন্টন করে দেয় খাদ্য দপ্তর।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নরসিংদী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোহাম্মদ ছালেহ উদ্দিন জানান, তিনি বিস্তারিত জানেন না, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা বলতে পারবেন। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং দোষ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা জান্নাতি ময়না জানান, তদন্ত কমিটি মিল পরিদর্শনে গিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার সত্যতা পেয়েছে। তবে মিলটি বন্ধ থাকলেও বরাদ্দকৃত ১০০ মেট্রিক টন গম পেষণ করে সরকারি গুদামে জমা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

সরেজমিনে মেসার্স মেরাজ ফ্লাওয়ার মিলটি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎহীন ও বন্ধ পাওয়া গেছে। মিল মালিক মো. মিরাজ আলম ভূঞা দাবি করেন, বিদ্যুৎ না থাকায় তিনি অন্য মিল থেকে গম পেষণ করে গুদামে জমা দিয়েছেন।

তবে স্থানীয় সচেতন মহল ও অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, খাদ্য দপ্তরের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা ও মিল মালিকের যোগসাজশে এই গম আত্মসাৎ করা হয়েছে। ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্তের জন্য উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ দাবি করছেন স্থানীয়রা।

বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :