দেশের মধ্য উপকূলীয় জনপদ পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনের বিএনপি দলীয় নেতাকর্মী সমর্থকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ এখানকার সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রিসভার সদস্য করার দাবিতে সোচ্চার হয়ে আছেন। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব রয়েছেন অধিকাংশরা। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রকাশ হচ্ছে মন্ত্রী সভায় মোশাররফ হোসেনের স্থান পাওয়ার সম্ভাবনার খবর।
কৃষি, মৎস্য ও পর্যটন নির্ভর গুরুত্বপূর্ণ কলাপাড়ার এই জনপদে বর্তমানে চলছে শিল্প উন্নয়নে সরকারের মহা পরিকল্পনা। দেশের অন্যতম সমৃদ্ধ উপজেলা কলাপাড়ায় সচল রয়েছে ২৬৪০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। সচল রয়েছে পায়রা তৃতীয় সমুদ্র বন্দর। রয়েছে দেশের বৃহত্তর শের-ই-বাংলা নৌঘাটিসহ চারটির অধিক কেপিআই এলাকা। এই অঞ্চলকে ঘিরে সরকারের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের স্বার্থে এখন সাংসদ এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রিসভায় জায়গা করে দেয়ার দাবিটি ক্রমশ জোরালো হয়ে মানুষ আন্দোলিত হচ্ছেন। তারা প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানকে এই দাবি বাস্তবায়নে নিবেদন-আবেদন করছেন। তুলে ধরছেন যৌক্তিক যুক্তিগুলো।
তারা বলে আসছেন, দেশের জাতীয় উন্নয়নকে তরান্বিত করা ও উপকূলীয় সম্ভাবনাময় কৃষি, মৎস্য ও পর্যটন শিল্পকে গতিশীল করতে স্থানীয় সাংসদ মোশাররফ হোসনকে মন্ত্রী সভায় স্থান করে দেয়ার বিকল্প নেই। নেতাকর্মী সমর্থকসহ সাধারণ মানুষ বলছেন, দক্ষিণের প্রাকৃতিক সম্পদ নির্ভর এই জনপদকে উন্নয়নের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে মোশাররফ হোসেনের মন্ত্রীসভায় অন্তর্ভূক্ত জরুরি। স্থানীয় সাধারণ মানুষও মতামত ব্যক্ত করছেন, এবারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভিন্ন ধারার রাজনীতি ও দেশ পরিচালনার ইতিবাচক দর্শন তুলে ধরতে এবিএম মোশাররফ হোসেন সফলতার শীর্ষে রয়েছেন।
কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার জানান, দীর্ঘ ৪৬ বছর পরে এই আসনে তাঁরা এবিএম মোশাররফ হোসেনের সুযোগ্য নেতৃত্বে বিএনপির নেতৃত্বকে তৃণমূল পর্যন্ত দৃঢ়ভাবে ঐক্যবদ্ধ করে বিগত জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভ করেছি। এছাড়া ২০২৪ এর ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় এবং ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পরে তার নেতৃত্বে যেভাবে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। কোন ধরনের সহিংসতা ঘটেনি। এটি একটি ভিন্ন মাত্রার নজির স্থাপিত হয়েছে। বিচ্ছিন্ন, গ্রামীণ পর্যায়ে কিছু পারিবারিক সহিংসতা ঘটলেও তা যথাযথভাবে নিরসন করা হয়েছে। এই জনপদকে শান্তির জনপদে পরিণত করেছেন এবিএম মোশাররফ হোসেন। এখন আমাদের প্রাণের দাবি তাঁকে মন্ত্রী পরিষদে সংযুক্ত করার।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কাজল তালুকদার জানান, সংসদ নির্বাচনের পরে এই জনপদে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে এমপি মোশাররফ হোসেনের কঠোর নির্দেশনায় এখন স্বস্তির পরিবেশ বিরাজ করছে। শান্তির জনপদে পরিণত হয়েছে। এখন উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে তাঁকে মন্ত্রীসভায় স্থান করে দেওয়া সময়ের দাবি। কাজল তালুকদার বলেন,‘ এমনিতেই এই কয় মাসে এখানকার রাজনীতি ও উন্নয়নে এমপি সাহেব একটি ইতিবাচক ও অনুকরণীয় দৃষ্টি স্থাপন করেছেন। বিগত দিনে এখানকার ড্রেনেজ খালের ব্যবস্থাপনা কৃষকের নিয়ন্ত্রণে ছিল না, তা কৃষকের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। রাজনৈতিক সহাবস্থান এবং পারস্পরিক সহাবস্থানে নতুন অধ্যায় সূচিত করেছেন।’ এখন দেশের তথা বৃহত্তর পরিসরে কাজ করতে মন্ত্রী পরিষদে স্থান করে দেওয়ার জন্য কাজল তালুকদার দাবি তুলেছেন।
যুবদল নেতা চাতামইয়া ইউনিয়নের বাসীন্দা ও উদ্যেক্তা রিয়াজ তালুকদার বলেন, ‘ দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় রাজনীতির নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন আমাদের প্রিয় নেতা এবিএম মোশাররফ হোসেন। এমনিতেই তিনি জাতীয় পর্যায়ে টেলিভিশনে ‘টক শো’ ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষক। তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই জনপদে চার দশক পরে বিএনপিকে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করেছেন। নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের দৃঢ় ঐক্যের কাতারে এনেছেন। নির্বাচন পরবর্তী কোন ধরনের সহিংসতা ঘটেনি এই জনপদে। এখন এখানকার মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও টেকসই উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এমপি মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রী পরিষদে স্থান করে দিবেন এটি সময়ের দাবি। এমন প্রত্যাশ্ াপূরণে মুখিয়ে আছেন মানুষ।
কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ‘ কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনে উন্নীত করতে এবং পর্যটন নির্ভর জাতীয় উন্নয়ন সাজাতে এবিএম মোশাররফ হোসনকে মন্ত্রীসভায় সংযুক্ত করা সময়ের দাবি।’ বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও কলাপাড়া-রাঙ্গাবালীর বিভিন্ন জনপদে চায়ের দোকানসহ সর্বত্র আলোচনা চলছে এখানকার সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেনের মন্ত্রীসভায় যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনার খবরটি। এনিয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মুখিয়ে আছেন এমন সুখবর শোনার শুভক্ষণের জন্য।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
কৃষি, মৎস্য ও পর্যটন নির্ভর গুরুত্বপূর্ণ কলাপাড়ার এই জনপদে বর্তমানে চলছে শিল্প উন্নয়নে সরকারের মহা পরিকল্পনা। দেশের অন্যতম সমৃদ্ধ উপজেলা কলাপাড়ায় সচল রয়েছে ২৬৪০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। সচল রয়েছে পায়রা তৃতীয় সমুদ্র বন্দর। রয়েছে দেশের বৃহত্তর শের-ই-বাংলা নৌঘাটিসহ চারটির অধিক কেপিআই এলাকা। এই অঞ্চলকে ঘিরে সরকারের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের স্বার্থে এখন সাংসদ এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রিসভায় জায়গা করে দেয়ার দাবিটি ক্রমশ জোরালো হয়ে মানুষ আন্দোলিত হচ্ছেন। তারা প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানকে এই দাবি বাস্তবায়নে নিবেদন-আবেদন করছেন। তুলে ধরছেন যৌক্তিক যুক্তিগুলো।
তারা বলে আসছেন, দেশের জাতীয় উন্নয়নকে তরান্বিত করা ও উপকূলীয় সম্ভাবনাময় কৃষি, মৎস্য ও পর্যটন শিল্পকে গতিশীল করতে স্থানীয় সাংসদ মোশাররফ হোসনকে মন্ত্রী সভায় স্থান করে দেয়ার বিকল্প নেই। নেতাকর্মী সমর্থকসহ সাধারণ মানুষ বলছেন, দক্ষিণের প্রাকৃতিক সম্পদ নির্ভর এই জনপদকে উন্নয়নের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে মোশাররফ হোসেনের মন্ত্রীসভায় অন্তর্ভূক্ত জরুরি। স্থানীয় সাধারণ মানুষও মতামত ব্যক্ত করছেন, এবারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভিন্ন ধারার রাজনীতি ও দেশ পরিচালনার ইতিবাচক দর্শন তুলে ধরতে এবিএম মোশাররফ হোসেন সফলতার শীর্ষে রয়েছেন।
কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার জানান, দীর্ঘ ৪৬ বছর পরে এই আসনে তাঁরা এবিএম মোশাররফ হোসেনের সুযোগ্য নেতৃত্বে বিএনপির নেতৃত্বকে তৃণমূল পর্যন্ত দৃঢ়ভাবে ঐক্যবদ্ধ করে বিগত জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভ করেছি। এছাড়া ২০২৪ এর ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় এবং ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পরে তার নেতৃত্বে যেভাবে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। কোন ধরনের সহিংসতা ঘটেনি। এটি একটি ভিন্ন মাত্রার নজির স্থাপিত হয়েছে। বিচ্ছিন্ন, গ্রামীণ পর্যায়ে কিছু পারিবারিক সহিংসতা ঘটলেও তা যথাযথভাবে নিরসন করা হয়েছে। এই জনপদকে শান্তির জনপদে পরিণত করেছেন এবিএম মোশাররফ হোসেন। এখন আমাদের প্রাণের দাবি তাঁকে মন্ত্রী পরিষদে সংযুক্ত করার।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কাজল তালুকদার জানান, সংসদ নির্বাচনের পরে এই জনপদে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে এমপি মোশাররফ হোসেনের কঠোর নির্দেশনায় এখন স্বস্তির পরিবেশ বিরাজ করছে। শান্তির জনপদে পরিণত হয়েছে। এখন উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে তাঁকে মন্ত্রীসভায় স্থান করে দেওয়া সময়ের দাবি। কাজল তালুকদার বলেন,‘ এমনিতেই এই কয় মাসে এখানকার রাজনীতি ও উন্নয়নে এমপি সাহেব একটি ইতিবাচক ও অনুকরণীয় দৃষ্টি স্থাপন করেছেন। বিগত দিনে এখানকার ড্রেনেজ খালের ব্যবস্থাপনা কৃষকের নিয়ন্ত্রণে ছিল না, তা কৃষকের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। রাজনৈতিক সহাবস্থান এবং পারস্পরিক সহাবস্থানে নতুন অধ্যায় সূচিত করেছেন।’ এখন দেশের তথা বৃহত্তর পরিসরে কাজ করতে মন্ত্রী পরিষদে স্থান করে দেওয়ার জন্য কাজল তালুকদার দাবি তুলেছেন।
যুবদল নেতা চাতামইয়া ইউনিয়নের বাসীন্দা ও উদ্যেক্তা রিয়াজ তালুকদার বলেন, ‘ দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় রাজনীতির নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন আমাদের প্রিয় নেতা এবিএম মোশাররফ হোসেন। এমনিতেই তিনি জাতীয় পর্যায়ে টেলিভিশনে ‘টক শো’ ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষক। তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই জনপদে চার দশক পরে বিএনপিকে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করেছেন। নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের দৃঢ় ঐক্যের কাতারে এনেছেন। নির্বাচন পরবর্তী কোন ধরনের সহিংসতা ঘটেনি এই জনপদে। এখন এখানকার মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও টেকসই উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এমপি মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রী পরিষদে স্থান করে দিবেন এটি সময়ের দাবি। এমন প্রত্যাশ্ াপূরণে মুখিয়ে আছেন মানুষ।
কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ‘ কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনে উন্নীত করতে এবং পর্যটন নির্ভর জাতীয় উন্নয়ন সাজাতে এবিএম মোশাররফ হোসনকে মন্ত্রীসভায় সংযুক্ত করা সময়ের দাবি।’ বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও কলাপাড়া-রাঙ্গাবালীর বিভিন্ন জনপদে চায়ের দোকানসহ সর্বত্র আলোচনা চলছে এখানকার সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেনের মন্ত্রীসভায় যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনার খবরটি। এনিয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মুখিয়ে আছেন এমন সুখবর শোনার শুভক্ষণের জন্য।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন