ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার দুই দিন পর রাশিয়ার ওরেনবুর্গ অঞ্চলের ওরস্ক শহরের একটি তেল শোধনাগারের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা মেরামতে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন অঞ্চলটির গভর্নর ইয়েভগেনি সলন্তসেভ।
একই সঙ্গে এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে গাড়িচালকদের জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সলন্তসেভ জানান, ড্রোন হামলার পর বিস্ফোরণের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে শোধনাগারটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব অবকাঠামো তাৎক্ষণিকভাবে মেরামত করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতিগুলোর কিছু বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। রাশিয়ার ওপর থাকা বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার কারণে এসব সরঞ্জাম সংগ্রহ ও মেরামতের কাজে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। এ কারণে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে ছয় মাস পর্যন্ত সময় প্রয়োজন হতে পারে।
গভর্নর আরও জানান, শোধনাগারটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন থেকে এ অঞ্চলে জ্বালানির চাহিদা মেটাতে বাইরে থেকে সরবরাহের ওপর নির্ভর করতে হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্য করে ইউক্রেনের হামলা আরও জোরদার হয়েছে। এসব হামলার কারণে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে।
২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার শুরু করা পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের ব্যয় মস্কোর জন্য বাড়িয়ে দেওয়াই রুশ তেল অবকাঠামোয় ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার অন্যতম লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
একই সঙ্গে এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে গাড়িচালকদের জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সলন্তসেভ জানান, ড্রোন হামলার পর বিস্ফোরণের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে শোধনাগারটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব অবকাঠামো তাৎক্ষণিকভাবে মেরামত করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতিগুলোর কিছু বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। রাশিয়ার ওপর থাকা বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার কারণে এসব সরঞ্জাম সংগ্রহ ও মেরামতের কাজে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। এ কারণে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে ছয় মাস পর্যন্ত সময় প্রয়োজন হতে পারে।
গভর্নর আরও জানান, শোধনাগারটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন থেকে এ অঞ্চলে জ্বালানির চাহিদা মেটাতে বাইরে থেকে সরবরাহের ওপর নির্ভর করতে হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্য করে ইউক্রেনের হামলা আরও জোরদার হয়েছে। এসব হামলার কারণে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে।
২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার শুরু করা পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের ব্যয় মস্কোর জন্য বাড়িয়ে দেওয়াই রুশ তেল অবকাঠামোয় ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার অন্যতম লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে