কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বুক ও পেট থেকে পরস্পরের সঙ্গে জোড়া লাগা যমজ শিশু জয়নব ও উম্মে কুলসুমকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার আশায় ঢাকায় নেওয়ার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় মারা গেছে মাত্র কয়েক মাস বয়সী দুই বোন।
দুই শিশুর বাবা নাহিদ হাসান তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সরকারের উদ্যোগে দুই শিশুর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। চিকিৎসকেরাও তাদের বাঁচাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুই সন্তানকেই হারাতে হয়েছে।
নাহিদ হাসান বলেন, “আমরা অনেক আশা নিয়ে ঢাকায় এসেছিলাম। চিকিৎসা হলে হয়তো আমার সন্তান দুটো বেঁচে যাবে—এমন আশাই ছিল। কিন্তু আল্লাহ আমার দুই সন্তানকে নিয়ে গেলেন। এখন তাদের মরদেহ নিয়ে বাড়ির পথে আছি।”
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের বিলগাথুয়া মধ্যপাড়া গ্রামের নাহিদ হাসান (২৬) ও সানজিদা ইয়াছমিন মুক্তা (২২) দম্পতির ঘরে গত ৪ মে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম নেয় জয়নব ও উম্মে কুলসুম।
জন্মের পর দেখা যায়, শিশু দুটির বুক থেকে পেট পর্যন্ত শরীরের একটি অংশ পরস্পরের সঙ্গে জোড়া লাগানো। জন্মের পর থেকেই জটিল শারীরিক অবস্থার কারণে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিল তারা।
পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে শিশু দুটির চিকিৎসা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন বাবা-মা। পরে তাদের জটিল শারীরিক অবস্থার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নজরে আসে। এরপর সরকারি উদ্যোগে তাদের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সরকারি উদ্যোগে গত সোমবার শিশু দুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা চলছিল তাদের। পরিবারের সদস্য জাহিদ হোসেন জানান, বুধবার দুপুরের পর হঠাৎ দুই শিশুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে চিকিৎসকেরা তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যার দিকে দুজনের মৃত্যু হয়।
প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান মুকুল বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী শিশু দুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সন্ধ্যায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।
দুই শিশুর মৃত্যুর খবরে বিলগাথুয়া মধ্যপাড়া গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ্য গুহ বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর শিশু দুটিকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছিল। বুধবার দুপুরে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
দুই শিশুর বাবা নাহিদ হাসান তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সরকারের উদ্যোগে দুই শিশুর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। চিকিৎসকেরাও তাদের বাঁচাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুই সন্তানকেই হারাতে হয়েছে।
নাহিদ হাসান বলেন, “আমরা অনেক আশা নিয়ে ঢাকায় এসেছিলাম। চিকিৎসা হলে হয়তো আমার সন্তান দুটো বেঁচে যাবে—এমন আশাই ছিল। কিন্তু আল্লাহ আমার দুই সন্তানকে নিয়ে গেলেন। এখন তাদের মরদেহ নিয়ে বাড়ির পথে আছি।”
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের বিলগাথুয়া মধ্যপাড়া গ্রামের নাহিদ হাসান (২৬) ও সানজিদা ইয়াছমিন মুক্তা (২২) দম্পতির ঘরে গত ৪ মে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম নেয় জয়নব ও উম্মে কুলসুম।
জন্মের পর দেখা যায়, শিশু দুটির বুক থেকে পেট পর্যন্ত শরীরের একটি অংশ পরস্পরের সঙ্গে জোড়া লাগানো। জন্মের পর থেকেই জটিল শারীরিক অবস্থার কারণে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিল তারা।
পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে শিশু দুটির চিকিৎসা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন বাবা-মা। পরে তাদের জটিল শারীরিক অবস্থার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নজরে আসে। এরপর সরকারি উদ্যোগে তাদের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সরকারি উদ্যোগে গত সোমবার শিশু দুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা চলছিল তাদের। পরিবারের সদস্য জাহিদ হোসেন জানান, বুধবার দুপুরের পর হঠাৎ দুই শিশুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে চিকিৎসকেরা তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যার দিকে দুজনের মৃত্যু হয়।
প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান মুকুল বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী শিশু দুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সন্ধ্যায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।
দুই শিশুর মৃত্যুর খবরে বিলগাথুয়া মধ্যপাড়া গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ্য গুহ বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর শিশু দুটিকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছিল। বুধবার দুপুরে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে