সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘মন্ত্রীর জুতা টানছে পুলিশ’ শিরোনামে ছড়িয়ে পড়া বিষয়টি সম্পূর্ণ অসত্য, অবান্তর ও নিছক কল্পনাপ্রসূত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৭ আগস্ট (শুক্রবার) মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজার সদর থানাধীন বাহারছড়া জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। একই মসজিদে কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও (ওসি) জুমার নামাজ আদায় করতে যান। মসজিদে প্রবেশের সময় ওসি তার নিজস্ব জুতা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং নামাজ আদায় শেষে বের হওয়ার সময় নিজের জুতাই হাতে করে নিয়ে আসেন।
পুলিশ জানায়, মসজিদের প্রবেশপথে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জুতাও রাখা ছিল। তবে ওসি কর্তৃক মন্ত্রীর জুতা বা স্যান্ডেল বহন করার যে দাবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভ্রান্তিকর।
উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৭ আগস্ট (শুক্রবার) মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজার সদর থানাধীন বাহারছড়া জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। একই মসজিদে কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও (ওসি) জুমার নামাজ আদায় করতে যান। মসজিদে প্রবেশের সময় ওসি তার নিজস্ব জুতা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং নামাজ আদায় শেষে বের হওয়ার সময় নিজের জুতাই হাতে করে নিয়ে আসেন।
পুলিশ জানায়, মসজিদের প্রবেশপথে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জুতাও রাখা ছিল। তবে ওসি কর্তৃক মন্ত্রীর জুতা বা স্যান্ডেল বহন করার যে দাবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভ্রান্তিকর।
উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে