সুনামগঞ্জ সদর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলায় দেখার হাওরের তীর থেকে দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে; যাদেরকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরে ফেলে হত্যা করা হয় বলে দাবি পুলিশের।
ঘটনার পর দিন বুধবার (১২ আগস্ট) শিশু দুটির বাবাকে আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের এমন তথ্য পাওয়ার দাবি করেছেন দিরাই থানার ওসি আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেওয়ারিশ হিসেবে শিশু দুটির লাশ উদ্ধার হয়। পরে তাদের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ।
নিহতরা দিরাই উপজেলার পেরুয়া-মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা কামরুল হাসানের ছয় বছর বয়সি মোহাদ্দিস এবং চার বছর বয়সি তুলনা আক্তার।
পুলিশ জানায়, স্থানীয় লোকজন সন্দেহজনক আচরণের কারণে কামরুলকে (৩৫) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দুই সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
সংসারে অভাব-অনটন ও সন্তানদের ভরণপোষণ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধের জেরে দুই শিশুসন্তানকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরের পানিতে ফেলে হত্যা করা হয় বলে ভাষ্য পুলিশের।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
ঘটনার পর দিন বুধবার (১২ আগস্ট) শিশু দুটির বাবাকে আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের এমন তথ্য পাওয়ার দাবি করেছেন দিরাই থানার ওসি আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেওয়ারিশ হিসেবে শিশু দুটির লাশ উদ্ধার হয়। পরে তাদের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ।
নিহতরা দিরাই উপজেলার পেরুয়া-মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা কামরুল হাসানের ছয় বছর বয়সি মোহাদ্দিস এবং চার বছর বয়সি তুলনা আক্তার।
পুলিশ জানায়, স্থানীয় লোকজন সন্দেহজনক আচরণের কারণে কামরুলকে (৩৫) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দুই সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
সংসারে অভাব-অনটন ও সন্তানদের ভরণপোষণ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধের জেরে দুই শিশুসন্তানকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরের পানিতে ফেলে হত্যা করা হয় বলে ভাষ্য পুলিশের।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে