বর্তমানে অসংখ্য কন্টেন্ট নির্মাতাদের প্রথম পছন্দের প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। অনেকেই তাদের প্রথম ইউটিউব চ্যানেলের যাত্রা শুরু করে শখের বসে, আবার অনেকে প্ল্যাটফর্মটি বেছে নেন আয়-রোজগারের উৎস হিসেবে। বিগত বছরগুলোতে কন্টেন্ট নির্মাতাদের প্রতিযোগিতা বাড়ার সাথে সাথে প্ল্যাটফর্মটি তাদের ‘ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রাম’ থেকে আয়ের শর্ত ধাপে ধাপে কঠোর করেছে।
গত ১০ আগস্ট ২০২৬ প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ‘নিউজ অ্যান্ড ইভেন্টস’-এর একটি ব্লগ পোস্টে ইউটিউব টিমের পক্ষ থেকে নতুন চ্যানেলগুলোতে মনিটাইজেশনের সুবিধা চালু করার শর্তাবলী আরও কঠিন করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বর্তমানে কার্যকর নিয়ম অনুযায়ী কোনো ইউটিউব চ্যানেলে মনিটাইজেশন চালু করতে হলে, চ্যানেলটিতে অন্তত ১ হাজার সাবস্ক্রাইবারের পাশাপাশি দীর্ঘ ভিডিওতে গত ৩৬৫ দিনে ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচটাইম (দর্শকদের ভিডিও দেখার মোট সময়) অথবা গত ৯০ দিনে চ্যানেলের শর্টস ভিডিওগুলোর মোট ভিউ-এর সংখ্যা হতে হবে ১ কোটি। তবে ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের নতুন শর্তাবলী অনুযায়ী ১ হাজার সাবস্ক্রাইবারের শর্ত অপরিবর্তিত থাকলেও, দীর্ঘ ভিডিওর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ওয়াচটাইম বেড়ে ৮ হাজার ঘণ্টা এবং শর্টসের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ভিউ-এর সংখ্যা বাড়িয়ে ২ কোটি নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, আগের তুলনায় উভয় ক্ষেত্রেই যোগ্যতার সীমা দ্বিগুণ হচ্ছে। তবে ফ্যান ফান্ডিং ও শপিং সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান যোগ্যতার সীমায় কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। নির্মাতারা আগের যোগ্যতা পূরণ করতে পারলেই সুপার থ্যাংকস, সুপার চ্যাট, সুপার স্টিকারসহ দর্শকদের কাছ থেকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুবিধা এবং ইউটিউব শপিংয়ের মতো ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন।
শর্টস থেকে আয় করার ক্ষেত্রেও আলাদা শর্ত রাখা হয়েছে। ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শর্টস ক্রিয়েটরস পুলের বিজ্ঞাপন ও ইউটিউব থেকে রাজস্বের অংশ পেতে নির্মাতাদের প্রতি ৯০ দিনে অন্তত ১ কোটি শর্টস ভিউ পেতে হবে। কোনো চ্যানেলের ৯০ দিনের শর্টস ভিউ এই সীমার নিচে নেমে গেলে সেটি ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রাম (ওয়াইপিপি) থেকে বাদ পড়বে না। সে ক্ষেত্রে দীর্ঘ ভিডিও থেকে বিজ্ঞাপন ও ইউটিউব প্রিমিয়ামের আয়ের অংশ পাওয়ার সুযোগও বহাল থাকবে। শুধুমাত্র শর্টস থেকে আয় সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। পরবর্তী সময়ে আবার ৯০ দিনের মধ্যে ১ কোটি শর্টস ভিউয়ের শর্ত পূরণ করলে শর্টস থেকে আয়ের সুবিধাও পুনরায় চালু হবে।
নতুন নির্ধারিত এই শর্তাবলী বর্তমানে কোনো চ্যানেলের ওপর প্রযোজ্য হবে না। নতুন নিয়ম কার্যকর হবে ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে। ইতিমধ্যে ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত নির্মাতাদের নতুন কোন শর্ত আলাদাভাবে পূরণ করতে হবে না এবং তাদের চ্যানেলগুলোর আয় অব্যাহত রাখতে বর্তমানে কার্যকর যোগ্যতার শর্তগুলো পূরণ থাকলেই হবে। টানা ছয় মাস ভিডিও বা পোস্ট প্রকাশ না করলে ওয়াইপিপি থেকে বাদ দেওয়ার বিদ্যমান নীতিও থাকবে।
ইউটিউব আরও জানিয়েছে, বর্তমানে প্রতিদিন ২০ হাজার কোটির বেশি শর্টস দেখা হয় প্ল্যাটফর্মটিতে। এছাড়াও টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বড় পর্দার ডিভাইসে প্রতিদিন ইউটিউব দেখার সময় ১০০ কোটির ঘণ্টারও বেশি। এছাড়াও যেসব দেশে ইউটিউব প্রিমিয়াম সেবা রয়েছে, সেসকল দেশে ধাপে ধাপে প্রিমিয়াম লাইট সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। ইউটিউবের তথ্য অনুযায়ী, প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন থেকে পাওয়া অর্থের একটি অংশ নির্মাতাদের দেওয়া হয়। দীর্ঘ ভিডিওর ক্ষেত্রে নির্মাতারা সংশ্লিষ্ট আয়ের ৫৫ শতাংশ এবং শর্টসের ক্ষেত্রে ৪৫ শতাংশ পান। প্রিমিয়াম লাইটের সম্প্রসারণের ফলে আরও বেশি দর্শক সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক সেবা ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এতে সংশ্লিষ্ট নির্মাতাদের কনটেন্ট দেখার সময়ের ভিত্তিতে ইউটিউব প্রিমিয়াম থেকে আয়ের অংশ পাওয়ার পরিধিও বাড়তে পারে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
গত ১০ আগস্ট ২০২৬ প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ‘নিউজ অ্যান্ড ইভেন্টস’-এর একটি ব্লগ পোস্টে ইউটিউব টিমের পক্ষ থেকে নতুন চ্যানেলগুলোতে মনিটাইজেশনের সুবিধা চালু করার শর্তাবলী আরও কঠিন করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বর্তমানে কার্যকর নিয়ম অনুযায়ী কোনো ইউটিউব চ্যানেলে মনিটাইজেশন চালু করতে হলে, চ্যানেলটিতে অন্তত ১ হাজার সাবস্ক্রাইবারের পাশাপাশি দীর্ঘ ভিডিওতে গত ৩৬৫ দিনে ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচটাইম (দর্শকদের ভিডিও দেখার মোট সময়) অথবা গত ৯০ দিনে চ্যানেলের শর্টস ভিডিওগুলোর মোট ভিউ-এর সংখ্যা হতে হবে ১ কোটি। তবে ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের নতুন শর্তাবলী অনুযায়ী ১ হাজার সাবস্ক্রাইবারের শর্ত অপরিবর্তিত থাকলেও, দীর্ঘ ভিডিওর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ওয়াচটাইম বেড়ে ৮ হাজার ঘণ্টা এবং শর্টসের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ভিউ-এর সংখ্যা বাড়িয়ে ২ কোটি নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, আগের তুলনায় উভয় ক্ষেত্রেই যোগ্যতার সীমা দ্বিগুণ হচ্ছে। তবে ফ্যান ফান্ডিং ও শপিং সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান যোগ্যতার সীমায় কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। নির্মাতারা আগের যোগ্যতা পূরণ করতে পারলেই সুপার থ্যাংকস, সুপার চ্যাট, সুপার স্টিকারসহ দর্শকদের কাছ থেকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুবিধা এবং ইউটিউব শপিংয়ের মতো ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন।
শর্টস থেকে আয় করার ক্ষেত্রেও আলাদা শর্ত রাখা হয়েছে। ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শর্টস ক্রিয়েটরস পুলের বিজ্ঞাপন ও ইউটিউব থেকে রাজস্বের অংশ পেতে নির্মাতাদের প্রতি ৯০ দিনে অন্তত ১ কোটি শর্টস ভিউ পেতে হবে। কোনো চ্যানেলের ৯০ দিনের শর্টস ভিউ এই সীমার নিচে নেমে গেলে সেটি ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রাম (ওয়াইপিপি) থেকে বাদ পড়বে না। সে ক্ষেত্রে দীর্ঘ ভিডিও থেকে বিজ্ঞাপন ও ইউটিউব প্রিমিয়ামের আয়ের অংশ পাওয়ার সুযোগও বহাল থাকবে। শুধুমাত্র শর্টস থেকে আয় সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। পরবর্তী সময়ে আবার ৯০ দিনের মধ্যে ১ কোটি শর্টস ভিউয়ের শর্ত পূরণ করলে শর্টস থেকে আয়ের সুবিধাও পুনরায় চালু হবে।
নতুন নির্ধারিত এই শর্তাবলী বর্তমানে কোনো চ্যানেলের ওপর প্রযোজ্য হবে না। নতুন নিয়ম কার্যকর হবে ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে। ইতিমধ্যে ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত নির্মাতাদের নতুন কোন শর্ত আলাদাভাবে পূরণ করতে হবে না এবং তাদের চ্যানেলগুলোর আয় অব্যাহত রাখতে বর্তমানে কার্যকর যোগ্যতার শর্তগুলো পূরণ থাকলেই হবে। টানা ছয় মাস ভিডিও বা পোস্ট প্রকাশ না করলে ওয়াইপিপি থেকে বাদ দেওয়ার বিদ্যমান নীতিও থাকবে।
ইউটিউব আরও জানিয়েছে, বর্তমানে প্রতিদিন ২০ হাজার কোটির বেশি শর্টস দেখা হয় প্ল্যাটফর্মটিতে। এছাড়াও টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বড় পর্দার ডিভাইসে প্রতিদিন ইউটিউব দেখার সময় ১০০ কোটির ঘণ্টারও বেশি। এছাড়াও যেসব দেশে ইউটিউব প্রিমিয়াম সেবা রয়েছে, সেসকল দেশে ধাপে ধাপে প্রিমিয়াম লাইট সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। ইউটিউবের তথ্য অনুযায়ী, প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন থেকে পাওয়া অর্থের একটি অংশ নির্মাতাদের দেওয়া হয়। দীর্ঘ ভিডিওর ক্ষেত্রে নির্মাতারা সংশ্লিষ্ট আয়ের ৫৫ শতাংশ এবং শর্টসের ক্ষেত্রে ৪৫ শতাংশ পান। প্রিমিয়াম লাইটের সম্প্রসারণের ফলে আরও বেশি দর্শক সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক সেবা ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এতে সংশ্লিষ্ট নির্মাতাদের কনটেন্ট দেখার সময়ের ভিত্তিতে ইউটিউব প্রিমিয়াম থেকে আয়ের অংশ পাওয়ার পরিধিও বাড়তে পারে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন