চীনের অভ্যন্তরীণ বাজারে গাড়ির চাহিদা টানা দশম মাসের মতো কমেছে। গত জুলাই মাসে দেশটির স্থানীয় বাজারে গাড়ি বিক্রি ২১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১৪ লাখ ৭০ হাজারে দাঁড়িয়েছে। তবে অভ্যন্তরীণ মন্দা সত্ত্বেও বিদেশের বাজারে রেকর্ড পরিমাণ গাড়ি রফতানি করেছে চীনা নির্মাতারা।
তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে গাড়ি রফতানি ৮৮ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৯ লাখ ২৩ হাজারে পৌঁছেছে। মূলত বিদেশের বাজারে নিজেদের আধিপত্য বাড়িয়ে স্থানীয় বাজারের তীব্র প্রতিযোগিতা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে চীনের গাড়ি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। রয়টার্স-এর প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
গাড়ি বাজারের এই নিম্নমুখী প্রবণতা চীনের অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা বা ব্যয় করার ক্ষমতা কমে যাওয়ায় রফতানির ওপর চীনের নির্ভরতা আরও বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বাজারের এই মন্দা তাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি গভীর। জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য এবং সাধারণ মানের গাড়ির চাহিদা কমে যাওয়া এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ। ক্রেতারা এখন বিলাসবহুল মডেলের চেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যের ও টেকসই গাড়ির প্রতি বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
বিদ্যুৎচালিত এবং মিশ্র জ্বালানি চালিত গাড়ির ক্ষেত্রে রফতানির হার অভাবনীয়ভাবে বেড়েছে। এক বছরে এই ধরনের গাড়ির রফতানি প্রায় ১৪৮ শতাংশ বাড়লেও দেশের ভেতরে বিক্রি প্রায় ৪ শতাংশ কমেছে। ইউরোপ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, লাতিন আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে ব্যবসা বাড়াতে চীনের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এখন মরিয়া। এমনকি উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে অনেক কোম্পানি বিদেশের পুরনো কারখানাগুলো ব্যবহারের কৌশল নিয়েছে। এর উদাহরণ হিসেবে একটি শীর্ষস্থানীয় চীনা প্রতিষ্ঠানের সাথে মার্কিন এক কোম্পানির চুক্তির কথা উল্লেখ করা যায়, যার আওতায় স্পেনে বিদ্যুৎচালিত বড় গাড়ি তৈরি করা হবে।
বাজারের এই সংকটের মধ্যেও কিছু কোম্পানি বিদেশের বাজারে নিজেদের বিক্রি বাড়িয়ে সফলতার ধারা বজায় রেখেছে। তবে বছরের বাকি সময়েও স্থানীয় বাজারে গাড়ি বিক্রিতে মন্দাভাব বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ব্যাটারির উপকরণের দাম বৃদ্ধি এবং প্রচারণামূলক কাজে বাড়তি খরচের কারণে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের মুনাফা সংকটে পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন। মূলত চীনা নির্মাতারা এখন নিজেদের দেশের চেয়ে বিদেশের বাজারেই বেশি সম্ভাবনা দেখছেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে গাড়ি রফতানি ৮৮ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৯ লাখ ২৩ হাজারে পৌঁছেছে। মূলত বিদেশের বাজারে নিজেদের আধিপত্য বাড়িয়ে স্থানীয় বাজারের তীব্র প্রতিযোগিতা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে চীনের গাড়ি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। রয়টার্স-এর প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
গাড়ি বাজারের এই নিম্নমুখী প্রবণতা চীনের অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা বা ব্যয় করার ক্ষমতা কমে যাওয়ায় রফতানির ওপর চীনের নির্ভরতা আরও বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বাজারের এই মন্দা তাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি গভীর। জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য এবং সাধারণ মানের গাড়ির চাহিদা কমে যাওয়া এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ। ক্রেতারা এখন বিলাসবহুল মডেলের চেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যের ও টেকসই গাড়ির প্রতি বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
বিদ্যুৎচালিত এবং মিশ্র জ্বালানি চালিত গাড়ির ক্ষেত্রে রফতানির হার অভাবনীয়ভাবে বেড়েছে। এক বছরে এই ধরনের গাড়ির রফতানি প্রায় ১৪৮ শতাংশ বাড়লেও দেশের ভেতরে বিক্রি প্রায় ৪ শতাংশ কমেছে। ইউরোপ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, লাতিন আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে ব্যবসা বাড়াতে চীনের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এখন মরিয়া। এমনকি উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে অনেক কোম্পানি বিদেশের পুরনো কারখানাগুলো ব্যবহারের কৌশল নিয়েছে। এর উদাহরণ হিসেবে একটি শীর্ষস্থানীয় চীনা প্রতিষ্ঠানের সাথে মার্কিন এক কোম্পানির চুক্তির কথা উল্লেখ করা যায়, যার আওতায় স্পেনে বিদ্যুৎচালিত বড় গাড়ি তৈরি করা হবে।
বাজারের এই সংকটের মধ্যেও কিছু কোম্পানি বিদেশের বাজারে নিজেদের বিক্রি বাড়িয়ে সফলতার ধারা বজায় রেখেছে। তবে বছরের বাকি সময়েও স্থানীয় বাজারে গাড়ি বিক্রিতে মন্দাভাব বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ব্যাটারির উপকরণের দাম বৃদ্ধি এবং প্রচারণামূলক কাজে বাড়তি খরচের কারণে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের মুনাফা সংকটে পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন। মূলত চীনা নির্মাতারা এখন নিজেদের দেশের চেয়ে বিদেশের বাজারেই বেশি সম্ভাবনা দেখছেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে