ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার পানির চাপে উপজেলার ধারা-নালিতাবাড়ী সড়কের একটি অংশ ভেঙে গেছে। এতে সড়কটিতে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে হালুয়াঘাটের সঙ্গে ধারা হয়ে নালিতাবাড়ির সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
ইতিমধ্যে উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে। বাধ্য হয়ে গ্রামীণ পথ দিয়ে দুই থেকে তিন কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প কাঁচা সড়ক দিয়ে যাতায়াত করছেন স্থানীয়রা। ভেঙে যাওয়া অংশে পায়ে হেটে কোনোরকম ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন কিছু মানুষ।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ধুরাইল পশ্চিম বাজার এলাকায় ভাঙা অংশে একটি ছোট পাইপ বসানো ছিল।
সেই পাইপ দিয়ে পানি প্রবাহিত হতো। কিন্তু শুক্রবার (৭ আগস্ট) মধ্যরাতে পানির তীব্র চাপে সড়কটির নিচের অংশ ভেঙে যায়। সারারাত ওই ভাঙা অংশ দিয়ে প্রবল স্রোতে পানি প্রবাহিত হতে থাকে। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা গাছের গোড়ার অংশ ফেলে রাস্তার দুই ধার বন্ধ করে দেয়।
এতে করে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা না হলেও গর্তের আকার বড় হয়ে যায়। বর্তমানে সড়কের উপরের অংশ কোন রকম টিকে থাকলেও নিচে গর্ত হওয়ার ফলে যে কোন সময় সড়কটি ভেঙে যেতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা জাকিরুল ইসলাম বলেন, ‘ধারা থেকে নালিতাবাড়ী পৌর শহর পর্যন্ত সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ পথ। হালুয়াঘাট উপজেলার ধারা, ধুরাইল, কৈচাপুর ও আমতৈল ইউনিয়নের মানুষের নালিতাবাড়ীর সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এটি। পাশাপাশি নালিতাবাড়ী উপজেলার মরিচপুরান, নালিতাবাড়ী ও রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নের মানুষও হালুয়াঘাটে যাতায়াতে সড়কটি ব্যবহার করেন।
দ্রুত মেরামত করা না হলে দীর্ঘ সময়ের জন্য রাস্তাটি ক্ষতির মুখে পড়বে।’ স্থানীয় বাসিন্দা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘সড়কের পাশে পানি নিষ্কাশনের জন্য বড় কালবাট না থাকায়, দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকার পর পানির প্রবল চাপে সড়কের নিচের মাটি সরে গিয়ে একটি অংশ ধসে পড়ে।’
ট্রাকচালক তৈয়ব উদ্দিন বলেন, ‘হালুয়াঘাট যাওয়ার পথে সড়ক ভেঙে যাওয়ায় গাড়ি আর যেতে পারছে না। এখন বিকল্প পথে ঘুরে যেতে হচ্ছে। এটি ব্যস্ততম একটি সড়ক। তাই দ্রুত সংস্কার করা জরুরি। তা না হলে পরিবহন খরচ যেমন বাড়বে, তেমনি সময়ের অপচয় হবে।’
হালুয়াঘাট উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুর রউফ বলেন, ‘সড়ক ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি আমরা অবগত রয়েছি। ইতিমধ্যে ভেঙে যাওয়া স্থানে আমাদের দপ্তরের কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
ইতিমধ্যে উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে। বাধ্য হয়ে গ্রামীণ পথ দিয়ে দুই থেকে তিন কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প কাঁচা সড়ক দিয়ে যাতায়াত করছেন স্থানীয়রা। ভেঙে যাওয়া অংশে পায়ে হেটে কোনোরকম ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন কিছু মানুষ।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ধুরাইল পশ্চিম বাজার এলাকায় ভাঙা অংশে একটি ছোট পাইপ বসানো ছিল।
সেই পাইপ দিয়ে পানি প্রবাহিত হতো। কিন্তু শুক্রবার (৭ আগস্ট) মধ্যরাতে পানির তীব্র চাপে সড়কটির নিচের অংশ ভেঙে যায়। সারারাত ওই ভাঙা অংশ দিয়ে প্রবল স্রোতে পানি প্রবাহিত হতে থাকে। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা গাছের গোড়ার অংশ ফেলে রাস্তার দুই ধার বন্ধ করে দেয়।
এতে করে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা না হলেও গর্তের আকার বড় হয়ে যায়। বর্তমানে সড়কের উপরের অংশ কোন রকম টিকে থাকলেও নিচে গর্ত হওয়ার ফলে যে কোন সময় সড়কটি ভেঙে যেতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা জাকিরুল ইসলাম বলেন, ‘ধারা থেকে নালিতাবাড়ী পৌর শহর পর্যন্ত সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ পথ। হালুয়াঘাট উপজেলার ধারা, ধুরাইল, কৈচাপুর ও আমতৈল ইউনিয়নের মানুষের নালিতাবাড়ীর সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এটি। পাশাপাশি নালিতাবাড়ী উপজেলার মরিচপুরান, নালিতাবাড়ী ও রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নের মানুষও হালুয়াঘাটে যাতায়াতে সড়কটি ব্যবহার করেন।
দ্রুত মেরামত করা না হলে দীর্ঘ সময়ের জন্য রাস্তাটি ক্ষতির মুখে পড়বে।’ স্থানীয় বাসিন্দা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘সড়কের পাশে পানি নিষ্কাশনের জন্য বড় কালবাট না থাকায়, দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকার পর পানির প্রবল চাপে সড়কের নিচের মাটি সরে গিয়ে একটি অংশ ধসে পড়ে।’
ট্রাকচালক তৈয়ব উদ্দিন বলেন, ‘হালুয়াঘাট যাওয়ার পথে সড়ক ভেঙে যাওয়ায় গাড়ি আর যেতে পারছে না। এখন বিকল্প পথে ঘুরে যেতে হচ্ছে। এটি ব্যস্ততম একটি সড়ক। তাই দ্রুত সংস্কার করা জরুরি। তা না হলে পরিবহন খরচ যেমন বাড়বে, তেমনি সময়ের অপচয় হবে।’
হালুয়াঘাট উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুর রউফ বলেন, ‘সড়ক ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি আমরা অবগত রয়েছি। ইতিমধ্যে ভেঙে যাওয়া স্থানে আমাদের দপ্তরের কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন