প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া। কাগজে-কলমে এগিয়ে থাকলেও আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ দেখছেন না বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দলের প্রধান কোচ সোহেল ইসলাম। তার বিশ্বাস, টি–টোয়েন্টিতে ছোট–বড় দলের হিসাব খুব একটা কাজে আসে না। একই সঙ্গে জাতীয় দলে ফেরার লড়াইয়ে থাকা সাব্বির রহমানের বদলে যাওয়া মানসিকতারও প্রশংসা করেছেন তিনি।
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ শনিবার দুপুর ২টায় মালয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি–টোয়েন্টিতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ এইচপি দল। ম্যাচের আগের দিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সোহেল ইসলাম জানিয়ে দিয়েছেন, প্রতিপক্ষের নাম যাই হোক, প্রস্তুতিতে কোনো ছাড় দেয়নি তার দল।
সোহেল বলেন, ‘টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে বড়–ছোট দল বলে কিছু নেই। এই সংস্করণে যে কোনো দলই ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে। তাই মালয়েশিয়াকে হালকাভাবে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না। অন্য যেকোনো সিরিজের মতোই আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। মাঠে নিজেদের সেরাটা দিতে চাই।’
আসন্ন সিরিজে সবচেয়ে আলোচিত নাম সাব্বির রহমান। দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা এই ব্যাটারকে এইচপি দলে দেখে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সোহেলের চোখে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে সাব্বিরের মানসিকতায়।
এই কোচের ভাষ্য, আগের তুলনায় অনেক বেশি পরিণত হয়েছেন সাব্বির। শুধু ব্যাটিং দক্ষতা নয়, পেশাদারিত্ব, জীবনযাপন এবং খেলাকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিতেও এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন।
সোহেল বলেন, ‘ওর ম্যাচিউরিটি অনেক বেড়েছে। এখন খেলা নিয়ে ওর চিন্তাভাবনা অনেক বেশি পরিণত। এটা অবশ্যই পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয়, জাতীয় দলে ফেরার ক্ষুধাটা এখনও ওর মধ্যে আছে।’
তার মতে, পরিবর্তন শুধু মাঠের পারফরম্যান্সে সীমাবদ্ধ নয়। যোগাযোগ, শৃঙ্খলা ও সমালোচনা গ্রহণের ক্ষেত্রেও সাব্বির আগের চেয়ে অনেক এগিয়েছেন।
‘আগে যেসব জায়গায় সমস্যা ছিল, এখন সেগুলোতে অনেক উন্নতি করেছে। সমালোচনা কীভাবে গ্রহণ করতে হয়, সেটাও শিখেছে। শেখার আগ্রহ ওর সবসময়ই ছিল, এখনও আছে। আমরা চাই, এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে সে নিজেকে আরও ভালো জায়গায় নিয়ে যাক,’ যোগ করেন সোহেল।
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে সিরিজটি তাই শুধু এইচপি দলের জন্য নয়, সাব্বির রহমানের মতো কয়েকজন ক্রিকেটারের জন্যও হতে পারে নতুন করে নিজেদের প্রমাণ করার বড় মঞ্চ।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ শনিবার দুপুর ২টায় মালয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি–টোয়েন্টিতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ এইচপি দল। ম্যাচের আগের দিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সোহেল ইসলাম জানিয়ে দিয়েছেন, প্রতিপক্ষের নাম যাই হোক, প্রস্তুতিতে কোনো ছাড় দেয়নি তার দল।
সোহেল বলেন, ‘টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে বড়–ছোট দল বলে কিছু নেই। এই সংস্করণে যে কোনো দলই ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে। তাই মালয়েশিয়াকে হালকাভাবে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না। অন্য যেকোনো সিরিজের মতোই আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। মাঠে নিজেদের সেরাটা দিতে চাই।’
আসন্ন সিরিজে সবচেয়ে আলোচিত নাম সাব্বির রহমান। দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা এই ব্যাটারকে এইচপি দলে দেখে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সোহেলের চোখে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে সাব্বিরের মানসিকতায়।
এই কোচের ভাষ্য, আগের তুলনায় অনেক বেশি পরিণত হয়েছেন সাব্বির। শুধু ব্যাটিং দক্ষতা নয়, পেশাদারিত্ব, জীবনযাপন এবং খেলাকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিতেও এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন।
সোহেল বলেন, ‘ওর ম্যাচিউরিটি অনেক বেড়েছে। এখন খেলা নিয়ে ওর চিন্তাভাবনা অনেক বেশি পরিণত। এটা অবশ্যই পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয়, জাতীয় দলে ফেরার ক্ষুধাটা এখনও ওর মধ্যে আছে।’
তার মতে, পরিবর্তন শুধু মাঠের পারফরম্যান্সে সীমাবদ্ধ নয়। যোগাযোগ, শৃঙ্খলা ও সমালোচনা গ্রহণের ক্ষেত্রেও সাব্বির আগের চেয়ে অনেক এগিয়েছেন।
‘আগে যেসব জায়গায় সমস্যা ছিল, এখন সেগুলোতে অনেক উন্নতি করেছে। সমালোচনা কীভাবে গ্রহণ করতে হয়, সেটাও শিখেছে। শেখার আগ্রহ ওর সবসময়ই ছিল, এখনও আছে। আমরা চাই, এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে সে নিজেকে আরও ভালো জায়গায় নিয়ে যাক,’ যোগ করেন সোহেল।
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে সিরিজটি তাই শুধু এইচপি দলের জন্য নয়, সাব্বির রহমানের মতো কয়েকজন ক্রিকেটারের জন্যও হতে পারে নতুন করে নিজেদের প্রমাণ করার বড় মঞ্চ।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন