চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) ও হাসাদাহ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক খন্দকার মনিরুজ্জামান মনিরের বিরুদ্ধে এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় উত্তেজিত জনতা তাকে আটক করে গণধোলাই দেয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্য, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে তালাকনামার কাগজপত্র নিতে বাবার সঙ্গে কাজীর অফিসে যান ১৯ বছর বয়সী ওই তরুণী। অভিযোগ, বাবাকে বাইরে বসিয়ে রেখে তরুণীকে ভেতরের কক্ষে ডেকে নিয়ে শ্লীলতাহানি করেন কাজী মনিরুজ্জামান। বুধবার বিষয়টি পরিবারকে জানানো হলে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
সন্ধ্যায় কাজী বাজারে এলে জনতা তাকে দোয়েল চত্বর থেকে আটক করে স্থানীয় কাঁচামালের আড়তে নিয়ে গণধোলাই দেয়। উপস্থিত জনতার সামনে নিজের অপরাধ স্বীকার করার প্রায় এক ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে খন্দকার মনিরুজ্জামান বলেন, মেয়েটি তার মামাতো বোন এবং তিনি তাকে স্বামীর বাড়িতে ফেরার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে গিয়ে গায়ে হাত দিয়েছিলেন। এটি ভুল হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্য, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে তালাকনামার কাগজপত্র নিতে বাবার সঙ্গে কাজীর অফিসে যান ১৯ বছর বয়সী ওই তরুণী। অভিযোগ, বাবাকে বাইরে বসিয়ে রেখে তরুণীকে ভেতরের কক্ষে ডেকে নিয়ে শ্লীলতাহানি করেন কাজী মনিরুজ্জামান। বুধবার বিষয়টি পরিবারকে জানানো হলে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
সন্ধ্যায় কাজী বাজারে এলে জনতা তাকে দোয়েল চত্বর থেকে আটক করে স্থানীয় কাঁচামালের আড়তে নিয়ে গণধোলাই দেয়। উপস্থিত জনতার সামনে নিজের অপরাধ স্বীকার করার প্রায় এক ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে খন্দকার মনিরুজ্জামান বলেন, মেয়েটি তার মামাতো বোন এবং তিনি তাকে স্বামীর বাড়িতে ফেরার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে গিয়ে গায়ে হাত দিয়েছিলেন। এটি ভুল হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে