বকেয়া বেতন পরিশোধ ও প্রফিট বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় অবস্থান কর্মসূচিতে বসে শ্রমিকরা।
অবস্থানরত শ্রমিকরা জানান, ২০১৮ থেকে ১৬৮ জন শ্রমিকের বেতন থেকে দৈনিক গড়ে ২৩০ টাকা করে কেটে নেয়া হচ্ছে। এছাড়াও গত দুই মাস ধরে তাদের বেতনও বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি চলতি বছরের খনির প্রফিট বোনাস নিয়ম অনুযায়ী দেয়া হচ্ছে না।
শ্রমিকরা জানিয়েছেন, ২০১৮ সাল থেকে খনি থেকে শ্রমিকদের গ্রেড অনুযায়ী বেতন থেকে দৈনিক ২৩০ টাকা করে কেটে নেয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বারবার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হলেও কোনো সুরাহা হয়নি। বরং শ্রমিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছে। গত ৮ বছরে কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের প্রায় ১১ কোটি ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। এছাড়াও প্রতি বছর খনির লভ্যাংশ থেকে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীদের প্রফিট বোনাস দেয়া হয় না। গত বছর শ্রমিকরা ২২ হাজার টাকা করে পেলেও এবার দেয়া হচ্ছে ৮ হাজার টাকা করে। কিন্তু গত বছর কর্মকর্তারা পেয়েছিলেন ১৮ লাখ টাকা করে, এবার তারা পাচ্ছেন ২২ লাখ টাকা করে। কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের সঙ্গে বৈষম্য করছে।
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের উপদেষ্টা ফরিজার রহমান তপু বলেন, আজকের মধ্যে শ্রমিকদের দাবি মেনে নেয়া না হয় তাহলে আগামী রোববার থেকে বৃহৎ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সংগঠনটির সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম বলেন, আমাদের যৌক্তিক দাবি দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত। আমরা বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নেমেছি। দাবি আদায়ে আমরা প্রয়োজনে বৃহৎ আন্দোলন ঘোষণা করবো। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সাংবাদিকদের তা জানিয়ে দেয়া হবে বলে জানান তিনি।
বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচিতে শ্রমিক নেতা রাহিনুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, রাহিনুর রহমানসহ খনি শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
অবস্থানরত শ্রমিকরা জানান, ২০১৮ থেকে ১৬৮ জন শ্রমিকের বেতন থেকে দৈনিক গড়ে ২৩০ টাকা করে কেটে নেয়া হচ্ছে। এছাড়াও গত দুই মাস ধরে তাদের বেতনও বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি চলতি বছরের খনির প্রফিট বোনাস নিয়ম অনুযায়ী দেয়া হচ্ছে না।
শ্রমিকরা জানিয়েছেন, ২০১৮ সাল থেকে খনি থেকে শ্রমিকদের গ্রেড অনুযায়ী বেতন থেকে দৈনিক ২৩০ টাকা করে কেটে নেয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বারবার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হলেও কোনো সুরাহা হয়নি। বরং শ্রমিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছে। গত ৮ বছরে কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের প্রায় ১১ কোটি ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। এছাড়াও প্রতি বছর খনির লভ্যাংশ থেকে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীদের প্রফিট বোনাস দেয়া হয় না। গত বছর শ্রমিকরা ২২ হাজার টাকা করে পেলেও এবার দেয়া হচ্ছে ৮ হাজার টাকা করে। কিন্তু গত বছর কর্মকর্তারা পেয়েছিলেন ১৮ লাখ টাকা করে, এবার তারা পাচ্ছেন ২২ লাখ টাকা করে। কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের সঙ্গে বৈষম্য করছে।
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের উপদেষ্টা ফরিজার রহমান তপু বলেন, আজকের মধ্যে শ্রমিকদের দাবি মেনে নেয়া না হয় তাহলে আগামী রোববার থেকে বৃহৎ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সংগঠনটির সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম বলেন, আমাদের যৌক্তিক দাবি দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত। আমরা বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নেমেছি। দাবি আদায়ে আমরা প্রয়োজনে বৃহৎ আন্দোলন ঘোষণা করবো। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সাংবাদিকদের তা জানিয়ে দেয়া হবে বলে জানান তিনি।
বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচিতে শ্রমিক নেতা রাহিনুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, রাহিনুর রহমানসহ খনি শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে