পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আলিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ২৬ কেজি ওজনের একটি সামুদ্রিক ভোল মাছ ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। বড় সাইজের মাছটি দেখতে শনিবার (০১ আগস্ট) সকাল থেকেই অবতরণ কেন্দ্রে জেলে, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ভিড় জমে।
জানা গেছে, এফবি সিফাত নামের একটি ট্রলারের জেলেরা বঙ্গোপসাগরের সোনারচর এলাকায় জাল ফেললে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি আলিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের সিফাত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি আড়তে নিয়ে গেলে নিলাম ডাকে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।
ট্রলারের জেলে রহিম মাঝি বলেন, জাল তোলার সময় বড় সাইজের এই মাছটি উঠে আসে। পরে দেখেন এটি বড় আকারের ভোল মাছ। এমন মাছ খুব কমই ধরা পড়ে। ভালো দাম পেয়ে তিনি খুশি হয়েছেন।
মাছটির ক্রেতা আড়তমালিক মিজানুর রহমান বলেন, ২৬ কেজি ওজনের মাছটির আকার ও সাইজ ভালো। ৩৫ হাজার টাকায় কিনেছেন। এটি ঢাকায় বিক্রির জন্য পাঠাবেন। ভালো দাম পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, সামুদ্রিক ভোলা মাছ (Croaker) বঙ্গোপসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সামুদ্রিক মাছ। সাধারণত বড় আকারের ভোল মাছ খুব বেশি একটা ধরা পড়ে না। ২৬ কেজি ওজনের একটি ভোল মাছ ধরা পড়া নিঃসন্দেহে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এ ধরনের মাছের বাজারমূল্যও বেশি হয়। ভোল মাছ উচ্চমানের প্রোটিন ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ হওয়ায় এর পুষ্টিগুণ অনেক এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এটি জেলেদের জন্য স্বস্তির খবর।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
জানা গেছে, এফবি সিফাত নামের একটি ট্রলারের জেলেরা বঙ্গোপসাগরের সোনারচর এলাকায় জাল ফেললে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি আলিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের সিফাত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি আড়তে নিয়ে গেলে নিলাম ডাকে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।
ট্রলারের জেলে রহিম মাঝি বলেন, জাল তোলার সময় বড় সাইজের এই মাছটি উঠে আসে। পরে দেখেন এটি বড় আকারের ভোল মাছ। এমন মাছ খুব কমই ধরা পড়ে। ভালো দাম পেয়ে তিনি খুশি হয়েছেন।
মাছটির ক্রেতা আড়তমালিক মিজানুর রহমান বলেন, ২৬ কেজি ওজনের মাছটির আকার ও সাইজ ভালো। ৩৫ হাজার টাকায় কিনেছেন। এটি ঢাকায় বিক্রির জন্য পাঠাবেন। ভালো দাম পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, সামুদ্রিক ভোলা মাছ (Croaker) বঙ্গোপসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সামুদ্রিক মাছ। সাধারণত বড় আকারের ভোল মাছ খুব বেশি একটা ধরা পড়ে না। ২৬ কেজি ওজনের একটি ভোল মাছ ধরা পড়া নিঃসন্দেহে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এ ধরনের মাছের বাজারমূল্যও বেশি হয়। ভোল মাছ উচ্চমানের প্রোটিন ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ হওয়ায় এর পুষ্টিগুণ অনেক এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এটি জেলেদের জন্য স্বস্তির খবর।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে