নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সিরাজপুর ইউনিয়নে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় স্থানীয় বিএনপির অফিস ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয়দলের অন্তত ১০ নেতাকর্মী।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ওই ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের দিনার দোকান এলাকায় দফায় দফায় এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন (৩২), রিপন মিয়া (২৭), ফারুক (২৭), সিরাজপুর ৮নং ওয়ার্ডের ছাত্রশিবির সভাপতি ওসমান (২৪), সেক্রেটারি রিফাতসহ (২৫) অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জেরে ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ইউনিয়ন জামায়াত আমির আবুল হাসেমের ছেলে মুজাহিদ ছাত্রদলের এক কর্মীকে সিরাজপুর পিএল একাডেমি মাঠে নিয়ে মারধর করেন। পরে ছাত্রদল কর্মীরা শিবিরের এক কর্মীকে মারধর করার খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে স্থানীয় বিএনপির অফিস ভাঙচুর করে জামায়াত ও শিবির কর্মীরা।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ নুরুল হাকিম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ওই ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের দিনার দোকান এলাকায় দফায় দফায় এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন (৩২), রিপন মিয়া (২৭), ফারুক (২৭), সিরাজপুর ৮নং ওয়ার্ডের ছাত্রশিবির সভাপতি ওসমান (২৪), সেক্রেটারি রিফাতসহ (২৫) অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জেরে ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ইউনিয়ন জামায়াত আমির আবুল হাসেমের ছেলে মুজাহিদ ছাত্রদলের এক কর্মীকে সিরাজপুর পিএল একাডেমি মাঠে নিয়ে মারধর করেন। পরে ছাত্রদল কর্মীরা শিবিরের এক কর্মীকে মারধর করার খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে স্থানীয় বিএনপির অফিস ভাঙচুর করে জামায়াত ও শিবির কর্মীরা।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ নুরুল হাকিম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন