২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের স্বপ্ন ভেঙে গেছে। এরপর ফিফা এবার নতুন এক পদক্ষেপ নিয়েছে, যার ফলে বিপাকেই পড়ে যাচ্ছে দলটি।
পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই আর্জেন্টিনা দল নানা বিতর্কে জড়িয়েছিল। সেমিফাইনালের পর ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ সংক্রান্ত ব্যানার প্রদর্শন করেছিলেন দলের কিছু খেলোয়াড়। এরপর ফাইনালে পরাজয়ের পর স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেও তোপের মুখে পড়েছেন বেশ কিছু আর্জেন্টাইন ফুটবলার। সব মিলিয়ে ফিফা এখন বেশ কয়েকজন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছে।
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বিরুদ্ধে তিনটি পৃথক অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। ডিফেন্ডার নাহুয়েল মলিনার বিরুদ্ধে দুটি শারীরিক সংঘর্ষের অভিযোগ রয়েছে, পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে অসদাচরণেরও অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোচিং স্টাফের সদস্য রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধেও একই ধরনের একটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন আরেক মিডফিল্ডার থিয়াগো আলমাদাও। ফিফা এক বিবৃতিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
শুধু ব্যক্তিগত অভিযোগ নয়, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) বিরুদ্ধেও একাধিক নিয়মভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে সংস্থাটি যার মধ্যে রয়েছে খেলাকে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার, বৈষম্যমূলক ও বর্ণবাদী আচরণ, এবং ম্যাচ চলাকালীন শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা। দলের ফকল্যান্ড-সংক্রান্ত বার্তা প্রদর্শন এবং সমর্থকদের মাঠে বিভিন্ন বস্তু ছোড়ার ঘটনাও এই তদন্তের অন্তর্ভুক্ত বলে জানিয়েছে ফিফা।
উল্লেখ্য, ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেররান তরেসের গোলে স্পেনের কাছে হেরে যায় আর্জেন্টিনা। খেলা শেষ হওয়ার পরপরই স্প্যানিশ খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা উদযাপন শুরু করলে দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, নাহুয়েল মলিনা স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রিকে পেটে ঘুষি মারেন, আর লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন এবং গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন।
ফিফা জানিয়েছে, পুরো ঘটনাটি তাদের শৃঙ্খলা ও নীতিবিষয়ক প্রসিকিউটর খতিয়ে দেখবেন এবং তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় ও আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থার বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই আর্জেন্টিনা দল নানা বিতর্কে জড়িয়েছিল। সেমিফাইনালের পর ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ সংক্রান্ত ব্যানার প্রদর্শন করেছিলেন দলের কিছু খেলোয়াড়। এরপর ফাইনালে পরাজয়ের পর স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেও তোপের মুখে পড়েছেন বেশ কিছু আর্জেন্টাইন ফুটবলার। সব মিলিয়ে ফিফা এখন বেশ কয়েকজন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছে।
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বিরুদ্ধে তিনটি পৃথক অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। ডিফেন্ডার নাহুয়েল মলিনার বিরুদ্ধে দুটি শারীরিক সংঘর্ষের অভিযোগ রয়েছে, পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে অসদাচরণেরও অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোচিং স্টাফের সদস্য রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধেও একই ধরনের একটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন আরেক মিডফিল্ডার থিয়াগো আলমাদাও। ফিফা এক বিবৃতিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
শুধু ব্যক্তিগত অভিযোগ নয়, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) বিরুদ্ধেও একাধিক নিয়মভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে সংস্থাটি যার মধ্যে রয়েছে খেলাকে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার, বৈষম্যমূলক ও বর্ণবাদী আচরণ, এবং ম্যাচ চলাকালীন শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা। দলের ফকল্যান্ড-সংক্রান্ত বার্তা প্রদর্শন এবং সমর্থকদের মাঠে বিভিন্ন বস্তু ছোড়ার ঘটনাও এই তদন্তের অন্তর্ভুক্ত বলে জানিয়েছে ফিফা।
উল্লেখ্য, ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেররান তরেসের গোলে স্পেনের কাছে হেরে যায় আর্জেন্টিনা। খেলা শেষ হওয়ার পরপরই স্প্যানিশ খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা উদযাপন শুরু করলে দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, নাহুয়েল মলিনা স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রিকে পেটে ঘুষি মারেন, আর লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন এবং গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন।
ফিফা জানিয়েছে, পুরো ঘটনাটি তাদের শৃঙ্খলা ও নীতিবিষয়ক প্রসিকিউটর খতিয়ে দেখবেন এবং তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় ও আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থার বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন